ঝুলন যখন দেশের হয়ে প্রথম খেলতে নামেন, তখনও জন্মই হয়নি শেফালি ভার্মা, রিচা ঘোষদের। আজ এঁরাই ঝুলনের সতীর্থ। এঁরাই মাঠের মাঝে ঝুলনকে জড়িয়ে ধরছেন। হাও হাও করে কাঁদছেন। জীবন বড়ই বিচিত্র। কোন বাঁকে কোন চিত্রনাট্য লেখা থাকে, কেউ জানে না।
কয়েক বছর আগে, জ্যোতি বসুর জন্মদিনে ইজেডসিসি-তে একটি অনুষ্ঠান। সেখানে জ্যোতি বাবুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি ভাষণ দিয়েছিলেন বর্ষীয়াণ সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহ। একেবারে ভিন্নধর্মী একটি ভাষণ। বেঙ্গল টাইমসে সেই লেখাটি প্রকাশিত হয়েছিল। এখনও মাঝে মাঝেই সোশ্যাল মিডিয়ায় আপন খেয়ালে লেখাটি ঘুরে বেড়ায়। সেই লেখাটি তুলে ধরা হল।
কোনও স্ক্রিপ্ট বা গল্প লিখলে সবার আগে পড়ে শোনাতেন স্ত্রী বিজয়া রায়কে। পথের পাঁচালি-র আগে নিজের হাতের গয়না তুলে দিয়েছিলেন সত্যজিতের হাতে বিশপ লেফ্রয় রোডের বাড়িতে গিয়ে এমন অনেক অজানা কথা জেনে এলেন সংহিতা বারুই।
বাঙালি দেখুক বা না দেখুক, ছিয়াশি সেই মিথ হয়েই আছে। অনেকেই প্রমাণ করতে চান, তখন থেকে তিনি আর্জেন্টিনা। অথচ, অনেকের ক্ষেত্রে দেখা যাবে, তখন হয়ত আর্জেন্টিনার নামটাই শোনেননি। বা শুনলেও তাঁর মনে সেই আবেগটাই তৈরি হয়নি। এবারও যদি মেসিরা শুরুতেই বিদায় নিতেন, হয়ত এতখানি ছিয়াশির ঢেঁকুর উঠত না। যেই মেসিরা একের পর এক বাধা টপকে গেলেন, যেই ফাইনালের দিকে এগিয়ে গেলেন, অমনি ছিয়াশির সঙ্গে তুলনা বাড়তে লাগল। শুধু মেসিতে মুগ্ধ হলে প্রেস্টিজ থাকে না। জনসমাজে কল্কে পাওয়া যাবে না। তাঁর সঙ্গে মারাদোনাকে জুড়তে হবে। তবে একটু জাতে ওঠা যাবে।
এখানে আসার আগেও একটা ‘কিন্তু কিন্তু’ ব্যাপার ছিল। কিন্তু যেই সুখিয়া পোখরি পেরোলাম, যেই গাড়ির জানালা দিয়ে মেঘ ঢুকে আসছে, তখনই মনে হল, ঠিক জায়গাতেই এসেছি।পাহাড় থেকে মুগ্ধতা মাখানো চিঠি।
অন্তরা চৌধুরি ১ ঘুমের ঘোরে অনেকক্ষণ ধরে ছটফট করছে বিতান। এক মুহূর্তও স্থির হয়ে শুয়ে থাকতে পারছে না। ঘুম ভেঙে যায় কুর্চির। খাটের পাশে থাকা টেবিল ল্যাম্প জ্বালতেই সে দেখে,...
সরল বিশ্বাস অ্যালবার্ট পিন্টো কো গুসসা কিঁউ আতা হ্যায়। আটের দশকের জনপ্রিয় একটি ছবি। সেখানে নাসিরুদ্দিন শাহ কথায় কথায় রেগে যান। কেউ ভাল কথা বললেও বেঁকে বসেন। আমাদের বিরাট কোহলির...
কৌতূহল ছিল, রণবীর সিং কতটা কপিলদেব হয়ে উঠতে পারলেন? জোর গলায় বলা যায়, পুরোপুরি উতরে গেছেন এই অভিনেতা। মেক আপে শুধু কপিলের মতো দেখতে লাগছে, এমন নয়। তার চেয়েও কঠিন ছিল তাঁর ব্যাটিং ও বোলিং ভঙ্গিমাকে তুলে আনা। মাঠের কপিলকে তুলে আনা খুব সহজ ব্যাপার ছিল না। চারমাস ধরে মাঠে পড়ে থেকে সেগুলো আয়ত্বে এনেছেন। এই ফাস্টফুডের জমানায় একটা চরিত্রকে ফুটিয়ে তুলতে এমন নিষ্ঠা, এমন পরিশ্রম সত্যিই বিরল।
কিশোরকুমার-আশা ভোঁসলের ‘ফুঁলোকি দুনিয়াসে’ পঁয়তাল্লিশ আরপিএম রেকর্ডটি পেয়েছিলেন এক রিক্সাচালকের বাড়িতে। সে রেকর্ড ছিল শোনার অযোগ্য। সাবান, শ্যাম্পু, লেবু দিয়ে পরিষ্কার করতে হয়েছিল। মাধ্যমিকের সময় ‘দুসরা আদমি’ দেখার জন্য বেদম মার খেয়েছিলেন বাবার কাছে। বাবা তো শুধু রেকর্ড ভাঙেননি। সাধের ক্যাসেটগুলোও গুড়িয়ে দিয়েছিলেন। সুরের সার্জন বিশ্বজিতের কথা উঠে এল কুণাল দাশগুপ্তর লেখায়।
বিধানসভা ভোটে বিজেপির যেটুকু হাওয়া ছিল, তা একধাক্কায় অনেকটাই চুপসে গেছে। বামেদের অনুকূলে এখনও জনমত সেভাবে তৈরি হয়নি। তাই এখনই অন্য কিছুই হওয়ার ছিল না। তৃণমূলই জিতত। বেশ বড়সড়ভাবেই জিতত। কিন্তু নিজেদের ওপর ভরসা কেন যে এত কম? যে জয় অনিবার্য ছিল, সেই জয় অর্জন করতেও এত কলঙ্ক কেন ডেকে আনতে হল!