ষোল বছর বয়সের লেখা। সারাজীবন ছাপতেও দেননি। কাঁচা হাতের লেখা বলে ফেলে রেখেছিলেন। প্রকাশ পেল মৃত্যুর পর। তারপরই তৈরি হল সিনেমা। শরদিন্দুর কাহিনী নিয়ে ছবি করলেন তরুণ মজুমদার। অজানা সেই কাহিনী উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে।।
বইমেলাকে আর দশটা মেলার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলছে সরকার। কী আচর্য, গিল্ডও সেই সুরে সুর মেলাচ্ছে। করুণাময়ীতে বইপ্রেমীদের কী কী ভোগান্তি হবে, সে সম্পর্কে কোনো ধারনাই নেই। এই নিয়ে ওপেন ফোরামে বিশেষ লেখা।
কলকাতার রাজপথে সাংবাদিক নিগ্রহের ঘটনায় আমি মর্মাহত। যাঁরা পুলিশের মারে আহত হয়েছেন, তাঁদের প্রতি আমি সমবেদনা জানাচ্ছি। এই ঘটনায় যে সাংবাদিকরা উত্তেজনায় ফুটছেন তাঁদের আবেগকে সম্মান জানিয়ে কয়েকটি জিনিস ভেবে...
আপনি চাইলে বাঘেদের ডেরায়, জঙ্গলের মাঝেই থাকতে পারেন। বিছানা থেকে বাঘের ডাকের লাইভ কভারেজ। শিউরে উঠছেন? তাহলে একবার ঘুরেই আসুন বান্ধবগড় থেকে। লিখেছেন দিব্যেন্দু দে।
দিব্যেন্দু দে সুনীল গঙ্গোপাধ্যায়ের ‘জঙ্গলের মধ্যে এক হোটেল’ পড়েছেন? সেই যে আফ্রিকার জঙ্গলের মধ্যে একটা হোটেলে গিয়েছিল সন্তু আর কাকাবাবু! ভারতের মধ্যে যদি এমন অভিজ্ঞতা পেতে চান, তাহলে চলে যান...
মধুজা মুখোপাধ্যায় আচ্ছা পড়ন্ত সূর্যের আলো প্রকৃতির ক্যানভাসে নানা অবাক করা ছবি আঁকে, তাই না? কম বেশি সবাই তা অনুভব করেছি কখনও- সখনও। আবার অনেকে বলেন, দিনের এই সময়টা খুব...
অনেকে বলেন, তাঁর প্রতি অবিচার হয়েছে।তাঁর দ্রোণাচার্য পাওয়া উচিত ছিল। কিন্তু দ্রোণাচার্যর সঙ্গে অমল দত্তর কোথাও মিল নেই। দ্রোণাচার্য শুধু রাজ পরিবারকে শিক্ষা দিয়েছেন। কিন্তু অমল দত্ত অনামি, অখ্যাতকেও নতুন প্রাণ দিয়েছেন। ভাগ্যিস তিনি দ্রোণাচার্য পাননি। পেলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অন্যান্য দ্রোণাচার্যদের সঙ্গে তাঁকেও এক করে ফেলত। অমল দত্তর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে অসাধারণ লেখা ময়ূখ নস্করের। অবশ্যই পড়ুন।
ময়ূখ নস্কর ভারতের স্বাধীনতা লাভের পর কোনও এক নেতা নাকি ধুয়ো তুলেছিলেন, খাজুরাহোর মন্দিরগুলো অশ্লীল। তাই মন্দিরগুলোর গা চেঁছে সমান করে দেওয়া হোক। ধ্বংস করা হোক মন্দিরগাত্রের মিথুনমূর্তিগুলি। আমরা যারা নাস্তিক,...