ভার্চুয়ালের ভাল–মন্দ
অনেকেই ঘোরাফেরা করেন ভার্চুয়াল দুনিয়ায়। চারপাশের লোকজন হয়ত বিরক্ত। নানা প্রশ্ন ধেয়ে আসে। কিন্তু তার পরেও সে কেন মগ্ন থাকে এই দুনিয়ায়? তাই নিয়ে বিশেষ নিবন্ধ। লিখেছেন দেবাশিস হালদার।।
অনেকেই ঘোরাফেরা করেন ভার্চুয়াল দুনিয়ায়। চারপাশের লোকজন হয়ত বিরক্ত। নানা প্রশ্ন ধেয়ে আসে। কিন্তু তার পরেও সে কেন মগ্ন থাকে এই দুনিয়ায়? তাই নিয়ে বিশেষ নিবন্ধ। লিখেছেন দেবাশিস হালদার।।
অনেক টুকরো টুকরো স্মৃতি জমে থাকে জীবনে। দিনগুলো হারিয়ে যায়। স্মৃতিটা থেকেই যায়। সুখস্মৃতি হয়ে বারবার ফিরে আসে। তেমনই কিছু অনুভূতি উঠে আসছে স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে। দেখুন তো, আপনার অনুভূতির সঙ্গে মেলে কিনা।
ষোল বছর বয়সের লেখা। সারাজীবন ছাপতেও দেননি। কাঁচা হাতের লেখা বলে ফেলে রেখেছিলেন। প্রকাশ পেল মৃত্যুর পর। তারপরই তৈরি হল সিনেমা। শরদিন্দুর কাহিনী নিয়ে ছবি করলেন তরুণ মজুমদার। অজানা সেই কাহিনী উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে।।
বইমেলাকে আর দশটা মেলার সঙ্গে গুলিয়ে ফেলছে সরকার। কী আচর্য, গিল্ডও সেই সুরে সুর মেলাচ্ছে। করুণাময়ীতে বইপ্রেমীদের কী কী ভোগান্তি হবে, সে সম্পর্কে কোনো ধারনাই নেই। এই নিয়ে ওপেন ফোরামে বিশেষ লেখা।
আপনি চাইলে বাঘেদের ডেরায়, জঙ্গলের মাঝেই থাকতে পারেন। বিছানা থেকে বাঘের ডাকের লাইভ কভারেজ। শিউরে উঠছেন? তাহলে একবার ঘুরেই আসুন বান্ধবগড় থেকে। লিখেছেন দিব্যেন্দু দে।
অনেকে বলেন, তাঁর প্রতি অবিচার হয়েছে।তাঁর দ্রোণাচার্য পাওয়া উচিত ছিল। কিন্তু দ্রোণাচার্যর সঙ্গে অমল দত্তর কোথাও মিল নেই। দ্রোণাচার্য শুধু রাজ পরিবারকে শিক্ষা দিয়েছেন। কিন্তু অমল দত্ত অনামি, অখ্যাতকেও নতুন প্রাণ দিয়েছেন। ভাগ্যিস তিনি দ্রোণাচার্য পাননি। পেলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম অন্যান্য দ্রোণাচার্যদের সঙ্গে তাঁকেও এক করে ফেলত। অমল দত্তর প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে অসাধারণ লেখা ময়ূখ নস্করের। অবশ্যই পড়ুন।