শুরুতে অনেকেই নাক সিঁটকেছিলেন। কিন্তু সত্যজিৎ রায় রবীন্দ্রনাথের গানে খালি গলার কিশোরকে ব্যবহার করার সাহস দেখিয়েছিলেন। আটের দশকে এল বেসিক অ্যালবাম। রবি ঠাকুরের গান বাড়ির ড্রয়িংরুম থেকে দুর্গাপুজোর মণ্ডপে নিয়ে গিয়েছিলেন কিশোর কুমার। তাঁর কণ্ঠেই ‘অরাবীন্দ্রিক’দের কাছে অমরত্ব পেয়েছে রবীন্দ্রসঙ্গীত। জন্মদিনে কিশোর কুমারকে শ্রদ্ধাঞ্জলি জানালন কুণাল দাশগুপ্ত।
একই গান। কিশোর গেয়েছেন, অন্যরাও গেয়েছেন। কিন্তু রফি, লতা বা আশা নয়, মহাকালের বিচারে শেষমেষ থেকে গেছে কিশোরের গানটাই। মানুষ ‘অশিক্ষিত’ গায়কের গানকেই বুকে ঠাঁই দিয়েছেন। এমনই অনেক গানের কথা তুলে ধরলেন কুণাল দাশগুপ্ত।
একজন কিশোরকণ্ঠী গায়ককে নিয়ে ছবি। রাতের পর রাত জেগে ফাংশান, শিল্পী হয়েও শিল্পীর মর্যাদা না পাওয়া, কপি সিঙ্গার তকমা নিয়ে থাকা, আর এই কপি সিঙ্গারের তকমার জন্যই সিনেমায় ডাক না পাওয়া। এমন অনেক দিক থাকতে পারত। খ্যাতির আড়ালে অনেক দীর্ঘশ্বাস, লুকোনো যন্ত্রণা উঠে আসতে পারত। শুরুটা ঠিকঠাক এগোচ্ছিল। কিন্তু হঠাৎ অপহরণের গল্পটা কেন যে ফেঁদে বসতে গেলেন! বাংলার একজন কপি সিঙ্গারকে কিনা রাজস্থানের জঙ্গিরা অপহরণ করতে যাবে? কোন যুক্তিতে?