‌কেন যে মহালয়া করতে গেলেন!

একবারই মহালয়া করেছিলেন উত্তম কুমার। সঙ্গীত পরিচালক হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। কেমন ছিল সেই অভিজ্ঞতা? বাংলার সাধারণ মানুষ বিষয়টিকে কীবাবে দেখেছিলেন?‌ কেন ক্ষমা চাইতে হল আকাশবাণীকে? এসব অজানা কথা উঠে এল দিব্যেন্দু দে-র কলমে।

বিনা পরীক্ষায় পাস, এরপরেও মিষ্টি বিলি!‌

সম্রাট দত্ত একসঙ্গে ৭৮ জন নাকি রাজ্যে প্রথম হয়েছে। হ্যাঁ, এটাই মাধ্যমিকে সেরা চমক। এরপরেও মিস্টি মুখ চলছে। এর পরেও টিভিতে সাক্ষাৎকার চলছে। এরপরেও ঘটা করে রেজাল্ট বের করার প্রেস...

মুকুলের ঘরে ফেরায় অবাক হওয়ার কী আছে!‌

যে কাজের জন্য মুকুল রায়দের নেওয়া হয়েছিল, সেই কাজটাই তাঁকে করতে দেওয়া হল না। অন্য লোকেদের মাথায় তুলে নাচা শুরু হয়ে গেল। এতে যে কোনও লোকেরই খারাপ লাগাই স্বাভাবিক। যেভাবে তৃণমূলে কোণঠাসা হচ্ছিলেন, বিজেপিতেও প্রায় একইভাবে কোণঠাসা করার কাজ শুরু হল।

চেনা লতা, অচেনা লতা

আমি নিজের গান একেবারেই শুনি না। শুনলেই মন খারাপ হয়ে যাবে। মনে হবে, এটা এভাবে না করে অন্যভাবে করলে ভাল হত। মনে হবে, এই সুরটা অন্যরকম হতে পারত। সাতের দশকে যা ভাল লেগেছিল, এত বছর পর তা ভাল নাও লাগতে পারে। তাই নিজের গান থেকে আমি দূরে দূরেই থাকি।সঙ্গীত কিংবদন্তি লতা মঙ্গেশকরের জীবনের অনেক অজানা কথা উঠে এল একটি সাক্ষাৎকারে। সেই সাক্ষাৎকার তুলে ধরা হল বেঙ্গল টাইমসের পাঠকদের জন্য।।

ছৌ মুখোশের চড়িদা গ্রামে একটি দিন

ছৌ নাচের কথা কে না জানেন!‌ কোথায় তৈরি হয় সেই ছৌ–‌মুখোশ?‌ অযোধ্যার লাগোয়া সেই চড়িদা গ্রাম থেকে ঘুরে এসে লিখলেন সংহিতা বারুই।

বন্ধুকে বাঁচাতে গানও গাইতে হয়েছিল

নায়িকা সুচিত্রাকে অনেকেই চেনেন। কিন্তু তাঁকে গানও গাইতে হয়েছিল। কেন?‌ অজানা সেই কাহিনী বেঙ্গল টাইমসের পাতায়।

‌দাদাগিরি এবার নবান্নে!‌

দেবায়ণ কুণ্ডু বছর ছয়েক আগের কথা। সেবারও লোকসভা নির্বাচনের আগে গোটা দেশজুড়ে মোদি ঝড়। মোদি যে ক্ষমতায় আসছেন, সেই দেওয়াল লিখন স্পষ্ট হয়ে গিয়েছিল। সেই সময় বাংলা থেকে ডাক পড়েছিল...

চেনা লতা, অচেনা লতা

আমি নিজের গান একেবারেই শুনি না। শুনলেই মন খারাপ হয়ে যাবে। মনে হবে, এটা এভাবে না করে অন্যভাবে করলে ভাল হত। মনে হবে, এই সুরটা অন্যরকম হতে পারত। সাতের দশকে যা ভাল লেগেছিল, এত বছর পর তা ভাল নাও লাগতে পারে। তাই নিজের গান থেকে আমি দূরে দূরেই থাকি।সঙ্গীত কিংবদন্তি লতা মঙ্গেশকরের জীবনের অনেক অজানা কথা উঠে এল একটি সাক্ষাৎকারে। জন্মদিনে সেই সাক্ষাৎকার তুলে ধরা হল বেঙ্গল টাইমসের পাঠকদের জন্য।।

দেরিতে হলেও শুভবুদ্ধি এল!‌

যাই হোক, লকডাউন উঠেছে, এটা স্বস্তির। এমনিতেই আমাজের রাজ্যে ডাক্তারের অভাব। সেই কারণে মুখ্যমন্ত্রীকে মাঝে মাঝেই আক্ষেপ করতে দেখা যায়। আর এবার অর্ধেকের বেশি পরীক্ষার্থী যদি পরীক্ষাই না দিতে পারতেন!‌ সেটা রাজ্যের পক্ষে বিরাট এক লজ্জার বিষয় হয়ে দাঁড়াত। দেরিতে হলেও ভুল শুধরে নেওয়ায় সরকারকে অভিনন্দন।