বেঙ্গল টাইমসের শারদ সংকলন
সম্পাদকীয় ঠিক ছ’বছর আগের কথা। পুজোর তিন–চার দিন আগে হঠাৎ এল প্রস্তাবটা। একটা অনলাইন পুজো সংখ্যা করলে কেমন হয়। সেই রাতেই তাৎক্ষণিক সিদ্ধান্ত, একবার ঝুঁকি নিয়েই দেখা যাক। প্রস্তুতি না...
আগে রিয়েলিটি শো–গুলো আমাকে পাত্তাই দিত না। কেউ ডাকত না। ডাকবে কেন? একজন তৃতীয় সারির ভিলেনকে কে ডাকবে? কিন্তু এখন এত ডাক আসছে, সামলাতে পারছি না। তারা বলতে শুরু করেছে, আমিই নাকি আসল হিরো। এর মধ্যেই আমার বায়োপিক করতে চেয়ে কেউ কেউ যোগাযোগ করছে। ভেবে দেখো, যে পরিচালকরা একসময় আমাকে কাজই দিতেন না, আজ তাঁরা কিনা আমার বায়োপিক করতে চাইছেন।
ধরা যাক, আপনার পাশের বাড়ির কোনও ছেলে মাধ্যমিকে ফেল করেছে। পরের বছর সে আবার পরীক্ষা দিল। এবার পাশ করল। কিন্তু দ্বিতীয়বারের চেষ্টায় পাশ করার পর তার বাবা যদি পাড়ায় মিষ্টি বিলি করে, সেটা কেমন দেখাবে!