এমন কত শ্যাম লুকিয়ে আছেন, কে জানে!‌

শ্যামবাবু যদি তৃণমূলেই থাকতেন, তাহলে কি পুলিশ তাঁর বিরুদ্ধে আদৌ সক্রিয় হত?‌ তাহলে কি তাঁকে গ্রেপ্তার করার হিম্মৎ দেখাতো?‌ যেই তিনি বিজেপিতে গেলেন, অমনি তিনি খারাপ লোক হয়ে গেলেন। অমনি, তাঁর কেলেঙ্কারি খোঁজা শুরু হয়ে গেল!‌ কই, যাঁরা তৃণমূলের বর্তমান চেয়ারম্যান, তাঁদের কারও বিরুদ্ধে তো এমন তদন্ত হচ্ছে না।

বাকি দুই ‘‌ম’‌ এর সঙ্গে অদ্ভুত মিল কোহলির

মনস্তাত্ত্বিকরা বলেন, যাঁরা অত্যন্ত ছবিপ্রিয় হয়ে থাকেন, যাঁরা নিজেদের ছবিতে বারবার জাহির করতে চান, তাঁদের অন্য কতগুলো বৈশিষ্ট আছে। ১)‌ তাঁরা ভয়ঙ্কর আত্মকেন্দ্রিক। নিজেকে ছাড়া আর কিছুই বোঝেন না। ২)‌ অন্যের সম্পর্কে তাঁরা একেবারেই শ্রদ্ধাশীল হন না। অন্যরা কেউ কিছুই জানে না। তিনি আছেন বলেই সবকিছু চলছে, এমনটা জাহির করেন। ৩)‌ যোগ্য লোকেদের ধারেকাছে তেমন ঘেঁসতে দেন না। যদি কেউ তাঁকে ছাপিয়ে যায়। ৪)‌ এঁরা স্তাবক পরিবৃত হয়েই থাকতে ভালবাসেন।

আইএফএ বুঝিয়ে দিল, তারাও নিতান্তই নাবালক

দাদা–‌ভাইকে পুনর্বাসন দিয়েও সমস্যা তাহলে মিটছে না। উল্টে সমস্যা আরও বাড়ছে। আসলে, আই এফ এ কর্তারা এতটাই ভয়ে কম্পমান যে কী করবেন, বুঝে উঠতেই পারছেন না। দুই বড় ক্লাবকে শাস্তি দিলে দুই ক্লাব চটে যাবে, সর্বোপরী মুখ্যমন্ত্রী দাদা ও ভাই চটে যাবেন। আবার কোনও ব্যবস্থা না নিলে অন্য ক্লাবগুলি চটে যাবে।