শোনা যায়, কিশোর কুমারকে কলকাতায় প্রথমবার মঞ্চে আনার নেপথ্যে হেমন্ত মুখোপাধ্যায়ের বড় অবদান ছিল। কিশোর এত এত দর্শকের সামনে গান গাইতে রাজি হচ্ছিলেন না। হেমন্তই তাঁকে ভরসা দেন, ‘তুমি চলো। কোনও চিন্তা নেই। আমি তোমার পেছনেই থাকব। কোথাও কোনও সমস্যা হলে আমি সামলে দেব।’ সামলাতে অবশ্য হয়নি। রবীন্দ্র সরোবরে টানা দেড় ঘণ্টা মাতিয়ে রেখেছিলেন কিশোর কুমার। মঞ্চে গাওয়ার এমন এক আত্মবিশ্বাস পেয়ে গেলেন, যা দিয়ে মঞ্চ মাতিয়ে গেছেন সারা জীবন।
আরও একটা নতুন বছর। অবশ্য নতুন বছর বললেই আমরা ইংরাজির ক্যালেন্ডার বদলের কথা ভেবে নিই। বাংলাতেও যে আলাদা একটা বছর আছে, সেটা আমরা ভুলেই যাই। বাংলার কোন মাস চলছে, অনেকেই...
(কীভাবে কেটেছিল মাধ্যমিকের পরের তিন মাস? এই নিয়ে বেঙ্গল টাইমসের নতুন বিভাগ— মাধ্যমিকের পরে। পুরো মার্চ ও এপ্রিল মাস জুড়েই মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের পরের দিনগুলো নিয়ে আলোচনা চলবে। ফেলে...
লেখকের বয়স বাড়ে না। যেমন বয়স বাড়ে না পাণ্ডব গোয়েন্দার। বেঙ্গল টাইমসের তখন পথ চলার শুরু। পাণ্ডব গোয়েন্দার স্রষ্টা ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে প্রকাশিত হয়েছিল একটি বিশেষ লেখা। লেখকের প্রয়াণে সেই...
ছোটবেলার সঙ্গী, বড়বেলারও সঙ্গী (লেখকের বয়স বাড়ে না। যেমন বয়স বাড়ে না পাণ্ডব গোয়েন্দার। বেঙ্গল টাইমসের তখন পথ চলার শুরু। পাণ্ডব গোয়েন্দার স্রষ্টা ষষ্ঠীপদ চট্টোপাধ্যায়কে নিয়ে প্রকাশিত হয়েছিল একটি বিশেষ...
ওপেন ফোরাম রাতুল বসু একটা সাগরদিঘি নিয়ে এত বিচলিত হওয়ার কি সত্যিই দরকার ছিল? উপনির্বাচনে শাসকদল জেতে, এটাই দস্তুর। কিন্তু সাগরদিঘি যেন অন্য চিত্রনাট্য নিয়ে হাজির। কিন্তু একটা হারকে একটু...
নিখিল সেন মনে আছে, একসময় খুব লাইব্রেরি যেতাম। রোজ একটা বা দুটো করে বই নিয়ে আসতাম। পরেরদিন যেতাম সেগুলো ফেরত দিতে। একদিনেই দুটো বই পড়া হয়ে যেত। যদি দুটো...
কে বড় ফুটবলার, পেলে নাকি মারাদোনা? তিন দশকের বেশি সময় ধরে এই তর্ক চলছে। পেলের জন্ম ১৯৪০ এ, মারাদোনার ১৯৬০ এ। বয়সের ব্যবধান কুড়ি বছরের। দু’জন দুটো ভিন্ন সময়ের প্রতিনিধি।...
ঝুলন যখন দেশের হয়ে প্রথম খেলতে নামেন, তখনও জন্মই হয়নি শেফালি ভার্মা, রিচা ঘোষদের। আজ এঁরাই ঝুলনের সতীর্থ। এঁরাই মাঠের মাঝে ঝুলনকে জড়িয়ে ধরছেন। হাও হাও করে কাঁদছেন। জীবন বড়ই বিচিত্র। কোন বাঁকে কোন চিত্রনাট্য লেখা থাকে, কেউ জানে না।
কয়েক বছর আগে, জ্যোতি বসুর জন্মদিনে ইজেডসিসি-তে একটি অনুষ্ঠান। সেখানে জ্যোতি বাবুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি ভাষণ দিয়েছিলেন বর্ষীয়াণ সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহ। একেবারে ভিন্নধর্মী একটি ভাষণ। বেঙ্গল টাইমসে সেই লেখাটি প্রকাশিত হয়েছিল। এখনও মাঝে মাঝেই সোশ্যাল মিডিয়ায় আপন খেয়ালে লেখাটি ঘুরে বেড়ায়। সেই লেখাটি তুলে ধরা হল।