জঙ্গলের মাঝে আস্তএক বিমানবন্দর!‌

এই জয়পুরের ঘন জঙ্গলে এয়ারপোর্ট!‌ ইয়ার্কি হচ্ছে!‌ পরে আরও কয়েকজনকে জিজ্ঞেস করলাম। কী আশ্চর্য, তারাও একই কথা বলল। ঠিক শুনছি তো!‌ মনে হল, এতটা যখন এসেছি, তখন আরেকটু যাওয়াই যায়। জঙ্গলের বুক চিরে এগিয়ে চললাম সেই এয়ারপোর্টের খোঁজে। এক বিস্ময় যেন অপেক্ষা করেছিল। জঙ্গলের মাঝে দীর্ঘ পথজুড়ে সিমেন্টের চাতাল। এটাই নাকি রানওয়ে। দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের সময় জরুরিকালীন প্রয়োজনে বানানো হয়েছিল। জঙ্গলের ভেতরে থাকা সেই বিমানবন্দর খুঁজে বের করলেন অভিজিৎ দে।

পাগলি তোমার সঙ্গে

এখানে আসার আগেও একটা ‘কিন্তু কিন্তু’ ব্যাপার ছিল। কিন্তু যেই সুখিয়া পোখরি পেরোলাম, যেই গাড়ির জানালা দিয়ে মেঘ ঢুকে আসছে, তখনই মনে হল, ঠিক জায়গাতেই এসেছি।পাহাড় থেকে মুগ্ধতা মাখানো চিঠি।