বছরজুড়েই দলবদলুদের পোয়াবারো

দলবদলুরা চিরকাল ছিলেন। আগামীদিনেও থাকবেন। কিন্তু সাংবিধানিক পদে থাকা স্পিকার মশাই যদি দার্শনিক নীরবতার আশ্রয় নেন, নানা রকম টালবাহানা করে যান, সেটা আরও বেশি নিন্দনীয়। দলবদলুরা জানেন, এমন দলভাঙানো মুখ্যমন্ত্রী বা এমন বধির স্পিকার থাকলে তাঁদের কেউ কিচ্ছুটি করতে পারবে না। আইন তাঁদের ছুঁতেও পারবে না। ফেলে আসা বছরে কোনও আশার আলো কি দেখা গেল?‌ জোরালো উত্তর, না। ‌

সেই ধড়িবাজ, যে আমার প্রাণের ভেতর বাস করে

জগাই আমাকে আর সাইকেল টানতে টানতে পানের দোকানে গিয়ে বলল, ‘‌ওই পুলিশ কাকু বলল পাঁচটা টাকা দিতে। দোকানির তাকানো, পুলিশ কাকুর হাতের ইশারায় পাঁচ দেখানো এবং খানিক বাদেই আমরা ঝুড়িভাজা, হাতলাট্টু আর পাঁচটা বলের মালিক।

‌‌যতক্ষণ পারেন ফেসবুক থেকে দূরে থাকুন

একটু ঠাণ্ডা মাথায় ভেবে দেখুন তো, ফেসবুকে আপনার মনের ঠিক কোন দিকটি চর্চিত হচ্ছে ? ঠিক কোন অনুভূতিগুলি প্রাধান্য পাচ্ছে…? ফেসবুকে পাতার পর পাতা জুড়ে গোপন হিংসা, হীনমন্যতা, ভন্ডামি থেকে অনধিকার বা অনুচিত চাহিদার চর্চা চলছে। দিনের শেষে আপনার নিজের মানসিক সুস্থতার দায় কিন্তু আপনারই।

বছরশেষের নিঃশব্দ ধামাকা, ঘুরে দাঁড়ানোর টনিক

এতদিন মনে করতাম, দেবের ছবি ছেলে ছোকরাদের জন্য। পরিবারের সঙ্গে দেখা যায় না। বয়স্কদের সঙ্গেও না। কিন্তু কেন জানি না মনে হচ্ছে, এই ছবি বয়স্কদের অবশ্যই দেখানো উচিত। তাঁরাও যদি একটু হলেও বাঁচার নতুন ইচ্ছেশক্তি ফিরে পান, মন্দ কী?‌ এই টনিক নিছক পর্দায় আটকে নেই। ঢুকে পড়তে পারে বাড়িতে বাড়িতে, মনে মনে। ‌‌

রণবীরের কাছেও মাইলস্টোন হয়ে থেকে যাবে ‘‌৮৩’‌

কৌতূহল ছিল, রণবীর সিং কতটা কপিলদেব হয়ে উঠতে পারলেন?‌ জোর গলায় বলা যায়, পুরোপুরি উতরে গেছেন এই অভিনেতা। মেক আপে শুধু কপিলের মতো দেখতে লাগছে, এমন নয়। তার চেয়েও কঠিন ছিল তাঁর ব্যাটিং ও বোলিং ভঙ্গিমাকে তুলে আনা। মাঠের কপিলকে তুলে আনা খুব সহজ ব্যাপার ছিল না। চারমাস ধরে মাঠে পড়ে থেকে সেগুলো আয়ত্বে এনেছেন। এই ফাস্টফুডের জমানায় একটা চরিত্রকে ফুটিয়ে তুলতে এমন নিষ্ঠা, এমন পরিশ্রম সত্যিই বিরল।

তিন থেকে দুই নিঃশব্দ বিবর্তন

বড় বড় ব্যাখ্যা, বিশ্লেষণ ছেড়ে পাড়ার ছোট ছোট সমস্যায় মানুষের পাশে থাকা। মনে রাখতে হবে, এখন দ্বিতীয় হওয়াটাই বেশি জরুরি। হাওয়া ঘুরছে। পুরভোট কিন্তু সেই বার্তাই দিয়ে গেল।