রাত জেগে বিশ্বকাপ দেখতে শিখিয়েছিলেন
রাত জেগে সেই বিশ্বকাপ দেখা। কৈশোরের সেই রোমাঞ্চই আলাদা। কিন্তু কীভাবে এল এই অভ্যেস? কে তৈরি করেছিলেন? স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে এমনই এক ব্যতিক্রমী শিক্ষকের কথা উঠে এল। পড়ুন, ভাল লাগবে।।
রাত জেগে সেই বিশ্বকাপ দেখা। কৈশোরের সেই রোমাঞ্চই আলাদা। কিন্তু কীভাবে এল এই অভ্যেস? কে তৈরি করেছিলেন? স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে এমনই এক ব্যতিক্রমী শিক্ষকের কথা উঠে এল। পড়ুন, ভাল লাগবে।।
সেদিন তুমি বলেছিলে। আজ আমি বলছি। বোরিয়াদা, নেবে একটা ইন্টারভিউ! না নিলে কিন্তু খুব খারাপ হয়ে যাবে।
এই বই মোটেই ইয়র্কশায়ারের ‘চিরতরুণ’ বয়কটের জীবনী নয়। নেট ঘেঁটে তুলে আনা বহুচর্চিত ঘটনার সংকলনও নয়। তাহলে এই বইয়ে আছেটা কী? প্রথম দুই অনুচ্ছেদ থেকে তার কিছুটা আভাস নিশ্চয় পাওয়া যাচ্ছে। ৪৪ বছরের নিবিঢ় বন্ধুত্বের পর যে বইয়ের জন্ম হয়, তার দুই মলাটের ভেতর কী থাকতে পারে, নিজেরাই ভেবে নিন। আমাদের কুয়োর জীবনে হঠাৎ করেই যেন মহাসমুদ্রের হাতছানি। সাঁতার দিতে দিতে অতল গভীরে পৌঁছে যাওয়া। যেখানে অন্তত সবজান্তা গুগল বাবাজীবনের প্রবেশাধিকার নেই।
একটা খুন দিয়ে শুরু। দেখতে দেখতে গোটা পাঁচেক খুন হয়ে গেল। ঘেঁটে ঘ হয়ে যাওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। বেচারা একেনবাবু নিপাট ভাল মানুষ। একটু ভোজনসরিক। একটু স্বভাবরসিক। তাঁকে এই ঝামেলায় না ফেললেই চলছিল না! এত কঠিন অঙ্ক দেওয়া কেন বাপু! গোয়েন্দা কাহিনীকে ‘পোক্ত’ করতে পাঁচখানা খুনের কী দরকার ছিল? দু–তিনটে খুন হলে বুঝি গোয়েন্দার মান ইজ্জত থাকত না!