প্রায় দু’দশক ধরে পায়ের তলায় একটু মাটি পাওয়ার জন্য কত লড়াই করেছি। কতবার মনে হয়েছে, এভাবে লড়াই করার থেকে বাড়ি ফিরে যাওয়া অনেক ভাল। পকেটে ইঞ্জিনিয়ারিং ডিগ্রি আছে। বাবার ব্যবসা আছে। কী দরকার একটা–দুটো খুচরো রোল পাওয়ার জন্য এত ঝক্কি নেওয়ার।
সুশান্তের মতোই আপনাকেও আর ওঁদের প্রয়োজন নেই। আপনাকে বিস্মৃতির অতলে পাঠিয়ে দিতে পারলেই এখন ওঁদের লাভ। রিজওয়ানুর, আপনার হয়ে আওয়াজ তোলার আজ আর কেউ নেই।
বাকিরা হাত পেতে টাকা নিলেন। যা পেলেন, তাই নিলেন। একমাত্র হাকিমবাবু নিলেন না। বললেন, এই টাকা আমরা নিলে ছোট ছেলেরা কী নেবে? বুঝিয়ে দিলেন, মাত্র পাঁচ লাখে তাঁকে কেনা যায় না। তাঁর এই মহানুভবতা ও স্বার্থত্যাগকে বাঙালি বুঝল না। এই আকালে বাঙালির মর্যাদা তিনিই রক্ষা করলেন। তাঁকে খোলা চিঠি লিখলেন স্বরূপ গোস্বামী।।
কসবায় ভোট পর্ব শেষ। কিন্তু অন্যান্য জায়গায় তো চলছে। তাই শতরূপ ঘোষ চষে বেড়াচ্ছেন নানা প্রান্তে। এর মধ্যেই খবর এল, তাঁর করোনা হয়েছে। ঠিক এই সময়ে জাভেদ খান যদি তাঁকে চিঠি লিখতেন! কী হতে পারত সেই চিঠির বয়ান! জাভেদ খানের মন কী বাত জেনে সেই চিঠির খসড়া লিখে ফেললেন স্বরূপ গোস্বামী।
এতদিন পালিয়ে বেড়িয়েছেন। এখান সেখানে লুকিয়ে থেকেছেন। এখন প্রকাশ্যে বিমল গুরুং। সেখান থেকেই যদি বিনয় তামাংকে চিঠি লিখতেন! কী থাকত সেই চিঠিতে! কাল্পনিক এক খসড়া তৈরি করলেন সরল বিশ্বাস।
(আজ একুশে জুলাই। এই একুশে জুলাই কাণ্ড নিয়ে একটি কমিশন হয়েছিল। তিন বছর আগে এই কমিশন ঠিক কী বলেছিল? এখনও সেই কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ্যে এল না। চার বছর আগে বেঙ্গল...
জনপ্রিয়তা, সাহস, লড়াই এগুলো আপনার আছে। কিন্তু সেই মানের পড়াশোনা বা মেধা নেই, এটা মানতে শিখুন। তাই ভুলেও পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির দায়িত্ব নেবেন না। এমন লোকের হাতে অ্যাকাউন্টসের গোপন ফাইল গেলে, সরকার অনেক নিশ্চিন্তে থাকতে পারে। এঁর চোখে বড় বড় অনিয়মগুলো ধরাই পড়বে না। অধীর চৌধুরিকে খোলা চিঠি। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।
কোচবিহার থেকে পুরুলিয়া। বামের ভোট চলে যাচ্ছে বিজেপিতে। প্রবল আশাবাদী বামেরাও একটি বা দুটি আসনের বেশি ভাবতে পারছেন না। স্বপ্ন দেখার সেই সাহসটাই যেন হারিয়ে গেছে। বিজেপি মুখী এই হাওয়া রুখতে গেলে দরকার ছিল সেই স্বপ্নটা তৈরি করা। যেটা পারতেন একমাত্র গৌতম দেব। মিছিল হচ্ছে, সভা হচ্ছে, ফেসবুক প্রচারও হচ্ছে। কিন্তু কী যেন নেই! সেই স্বপ্ন দেখানোর মানুষটাই নেই। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।
ঠিক চার বছর আগে। সেবার পুরসভা ভোটের আবহ। এমনই পরিস্থিতি, নির্বাচন কমিশনার বাধ্য হলেন পদত্যাগ করতে। তড়িঘড়ি নির্বাচন কমিশনার করা হল আলাপন বন্দ্যোপাধ্যায়কে। ঝরঝরে বাংলা বলা আলাপন কেন হঠাৎ ইংরাজি বলতে শুরু করলেন? সেই সময়ের আবহে লেখা একটি খোলা চিঠি। ফিরিয়ে আনা হল বেঙ্গল টাইমসে।
মানুষ ঠকে শেখে। আপনিও শিখেছেন। অভিজ্ঞতা থেকেই বুঝেছেন, রাজনীতির মঞ্চ আপনার জন্য নয়। মুম্বই, উটি, আমেরিকা যখন যেখানে খুশি থাকুন। কিন্তু মাঝে মাঝে বাংলায় আসুন। বাঙালির হৃদয়ে আপনি ছিলেন, আছেন। মাঝের এই সময়টুকু আপনিও মন থেকে মুছে ফেলুন। আমরাও মুছে ফেলতে চাই। প্রায় পাঁচ বছর পর বাংলায় আসা মিঠুনকে খোলা চিঠি। লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।