দর্শকরা মেতে আছেন এখনও বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মা বা এম এস ধোনিদের নিয়েই। এখনও তাঁদের নাম লেখা জার্সির যা কদর, কোনও তরুণকে ঘিরে তো সেই উন্মাদনা দেখা যায় না। এখনও মহাতারকা বলতে সেই বিরাট, ধোনিদেরই বোঝায়। জনপ্রিয়তার নিরিখে ধোনি বা বিরাটের একশো মাইলের মধ্যেও কি কেউ আছেন?
তাঁর ঘরের মাঠ বলে কিছু নেই। যেখানে তিনি খেলতে যান, সেটাই তাঁর ঘরের মাঠ। সেখানেই গ্যালারির রঙ হয়ে ওঠে হলুদ। সবার গায়েই উঠে আসে সাত নম্বর জার্সি।
এই মুহূর্তে টলিউডের কজন অভিনেতা শীর্ষেন্দু মুখোপাধ্যায়ের সঙ্গে তাঁর সাহিত্য নিয়ে দেড় ঘণ্টা আলোচনা করতে পারেন? এই পর্যায়ের লেখাপড়া কজনের আছে? শীর্ষেন্দুর একটা উপন্যাস পড়েছেন, টলিউডে এমন লোক এখন খুঁজে পাওয়াই দুষ্কর। কে আসল পাঠক আর কে ওপর চালাকি করছে, লেখক ঠিক বোঝেন। রাহুলের আড্ডায় যেন ধরা দিলেন অন্য এক শীর্ষেন্দু।
রাস্তায় নামা, গণ আন্দোলন গড়ে তোলা। এগুলো তো অনেক বড় ব্যাপার। আগে এই ছোট ছোট কাজগুলো শুরু হোক। শূন্যের গেরো এমনি এমনি কাটবে না। কাজটাও সেই শূন্য থেকেই শুরু করতে হবে।
বিজেপির বড় চমক অবশ্যই শুভেন্দু অধিকারী। তিনি নন্দীগ্রামে দাঁড়াবেন, তা তো জানাই ছিল। কিন্তু পাশাপাশি ভবানীপুরেও তাঁকে দাঁড় করিয়ে দিয়ে বড়সড় ঝুঁকিই নিয়েছে বিজেপি। কোনও সন্দেহ নেই, শুভেন্দু নিজেও যথেষ্ট সাহসিকতার পরিচয় দিয়েছেন। আগেরবার মমতা ব্যানার্জির নন্দীগ্রামে দাঁড়িয়ে যতটা সাহসিকতার পরিচায় দিয়েছিলেন, শুভেন্দুর এই ভূমিকা আরও বেশি দুঃসাহসী।
এবারের প্রার্থী তালিকায় সেই অর্বাচীনদের ভিড় অনেকটাই কম। এটা অবশ্যই ভাল দিক। তাৎক্ষণিক দলবদলুদের ভিড় কম। এটাও একটা ভাল দিক। সত্যি কথা বলতে গেলে, তৃণমূলের পক্ষে এর থেকে ভাল প্রার্থী তালিকা আর কীই বা হতে পারত!
বাবা–মায়েরা অনেক সময় অভিযোগ করেন, ছেলে সারাক্ষণ মোবাইলে ব্যস্ত। পড়তে চায় না। খেতে খেতেও মোবাইল দেখে। একটু তলিয়ে দেখলে দেখা যাবে, এই প্রজন্ম এই শিক্ষাটা কিন্তু বাড়ি থেকেই পেয়েছে। ছেলে যদি দেখে তার বাবা–মা সারাক্ষণ মোবাইল হাতে ব্যস্ত, তার মধ্যেও সেই প্রবণতাই তৈরি হবে।
ভাল কনটেন্ট অবশ্যই স্বাগত। নতুন প্রযুক্তি থেকেও মুখ ফিরিয়ে থাকার উপায় নেই। কিন্তু সেই প্রযুক্তির হাত ধরে, নতুন ধারার হাত ধরে আবার যদি সেই বিষবাষ্প ঢুকে পড়ে, তা বেশ উদ্বেগের। ওয়েব সিরিজের শুরুর দিনগুলোয় কিছুটা স্বস্তি পাওয়া গিয়েছিল, যাক, সিরিয়ালের কূটকচালি থেকে কিছুটা অন্তত মুক্তি পাওয়া গেল। কিন্তু গত কয়েক বছরে আস্তে আস্তে ওয়েব সিরিজেরও সিরিয়ালীকরণ হয়ে গেল। ভাল ছবিকে যেমন আর্ট ফিল্ম বলে দাগিয়ে দেওয়া হত, এখানেও ভাল কনটেন্ট আবার সেই সংখ্যালঘু হয়ে পড়বে না তো!
ষাট পেরোনো নস্টালজিয়া নিয়ে আবার খুঁজতে বেরোবো। ফিরে আসুক সেই ডাবল ডেকার। আবার সেই উদ্দেশ্যহীনভাবে না হয় বাসে উঠে পড়ব। ষাটোর্ধ্ব চোখ দিয়ে আবার খুঁজব আমার হারানো কলকাতাকে।
বৃষ্টি চৌধুরি সৃষ্টির আদিকাল থেকে দুটো শব্দ যেন একসঙ্গেই উচ্চারিত হয়ে এসেছে— পুরুষ ও নারী। সেখান থেকেই নতুন প্রাণের সঞ্চার। পুরুষকে ছাড়া নারী যেমন অসম্পূর্ণ, তেমনই নারীকে ছাড়া পুরুষও অসম্পূর্ণ।...