শুধু বিধানসভায় আইন আনলেই হবে না। হাসপাতালে হামলা আটকাতে গেলে সদিচ্ছা লাগে। সৎ সাহস লাগে। যার কোনওটাই প্রশাসনের নেই। তাঁরা ‘তদন্ত হবে’ এরকম আশ্বাস দিয়ে ধামাচাপা দিতেই ব্যস্ত। গত কয়েক বছরে শতাধিক হামলার পরেও কটি ক্ষেত্রে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে? অথচ, একটু উদ্যোগ থাকলেই চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নেওয়া যেত।
ভাবতে অবাক লাগে, এত অপকর্মের পরেও নির্মল মাজি কিনা মন্ত্রী হচ্ছেন! কী জানি, হয়ত তাঁকে স্বাস্থ্য দপ্তরও দেওয়া হতে পারে। এমনিতেই তাঁর মাতব্বরিতে স্বাস্থ্যদপ্তর বেসামাল। তার ওপর মন্ত্রী হয়ে গেলে কী করবেন, কে জানে! লিখেছেন অনির্বাণ বোস।
যাঁরা দীর্ঘক্ষণ স্মার্টফোন ব্যবহার করেন, তাঁরা ফেসবুক বা হোয়াটস অ্যাপ করেন। হাতের সমস্যা তো আছেই। ঘাড় গুঁজে এইসব কাজ করার ফলে মেরুদণ্ডের সমস্যাও দেখা দিচ্ছে। সমস্যা ছড়িয়ে পড়ছে স্নায়ুতন্ত্রে। অনেকক্ষেত্রে সার্জারিরও প্রয়োজন হচ্ছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, স্পাইনাল কডের সমস্যা থেকে যৌন অক্ষমতা দেখা দেয়।
মেডিক্যালে এত কাণ্ড শুধুমাত্র ওই লোকটির জন্যই। তিনি সব জায়গায় পেটোয়া লোক তৈরি করতে চান। সব জায়গায় নিজের মৌরসিপাট্টা কায়েম করতে চান। এখানেও তেমনটাই চেয়েছিলেন।যে সিদ্ধান্তগুলো মেডিক্যাল কর্তৃপক্ষই নিতে পারতেন, সেই সিদ্ধান্তগুলোও তাঁরা নিতে পারেননি শুধুমাত্র এই চিকিৎসক নেতার চাপে।লিখেছেন সন্দীপ ভট্টাচার্য।।
গ্রিন টি। মোটেই সুস্বাদু নয়। তবু সকালে অভ্যেস করুন। না হয় ওষুধ মনে করেই খান।
ভোরে ওঠা ? বেশ কঠিন ব্যাপার। অ্যালার্ম বাজলেও বন্ধ করে ফের ওপাস ঘুরে ঘুমিয়ে পড়া। তাহলে, কীভাবে উঠবেন ? লিখেছেন শ্রীপর্ণা গাঙ্গুলি।।
সুমিত চক্রবর্তী একেবারে গায়ে গায়ে যেন দুটো উৎসব। বাঙালির প্রিয় সরস্বতী পুজো। আর সারা দেশের প্রিয় ২৬ জানুয়ারি। অনেকেই নানা আড়ম্বরের রাস্তা বেছে নেন। সরস্বতীর নামে যা যা হয়, স্বয়ং...
দিনে ক’কাপ চা খান? কেউ বারণ করে? কী লাভ হয় চা খেলে? পড়ে নিন, জেনে নিন।
হাঁটছেন, কিন্তু মেদ ঝরছে না। তাহলে, কোথায় ত্রুটি? কীভাবে হাঁটবেন ? বিশেষজ্ঞদের সঙ্গে কথা বলে লিখলেন বৃষ্টি চৌধুরি।।
ভুয়ো ডাক্তারের বিরুদ্ধে এত অভিযান। কিন্তু যাঁরা তথাকথিত ডিগ্রিধারী, তাঁদের সম্পর্কেই বোধ হয় বেশি সচেতন থাকা উচিত। ডিগ্রিহীন ডাক্তারদের ডিগ্রি না থাকলেও, তাঁরা ডাক্তারিটা জানেন। আর ডিগ্রিধারীদের ডিগ্রি থাকলেও সবাই কি ডাক্তারিটা জানেন? লিখেছেন তরুণ ভট্টাচার্য।।