মুনমুনের সঙ্গে দিব্যি নেমে পড়লেন সুইমিংপুলে

অগ্নিদেব কথাটা পাড়লেন সুব্রতর কাছে। সুব্রত বললেন, আমার কোনও আপত্তি নেই। কিন্তু তার জন্য রাজীব গান্ধীর পার্মিশন লাগবে। তাঁকে জিজ্ঞেস না করে করতে পারব না। বর্ণময় সুব্রতকে বেশ পছন্দই করতেন প্রধানমন্ত্রী। এর কারণও ছিল। ইন্দিরা গান্ধীর বিপর্যয়ে এই বঙ্গের অনেকে তাঁর সঙ্গত্যাগ করলেও সুব্রত কিন্তু ইন্দিরার সঙ্গেই ছিলেন। এটা জানতেন বলেই রাজীবও বেশ দুর্বল ছিলেন বাংলার এই তরুণ তুর্কি নেতার প্রতি। ফলে, অনুমতি পেতে সমস্যা হল না। 

স্কুল ম্যাগাজিন ও না দেওয়া সেই লেখা

স্মৃতিটুকু থাক। পাঠকের মুক্তমঞ্চ। এখানে পাঠক নির্দ্বিধায় নিজের ফেলে আসা জীবনের টুকরো টুকরো ঘটনা তুলে ধরতে পারেন। স্কুল ম্যাগাজিনকে ঘিরে অনেকদিনের পুরনো একটি ঘটনা। তুলে ধরলেন সজল চক্রবর্তী।।

সু্ব্রতর জন্যও কিনা ডাক্তার পাওয়া যায়নি!‌

সন্ধেবেলায় অনেক ডাকাডাকির পরেও উডবার্ন ওয়ার্ডে কোনও ডাক্তার পাওয়া যায়নি। সুব্রত মুখার্জি যখন ছটপট করছেন, তখন বারবার ডাক্তারদের খোঁজ করা হয়েছে। কিন্তু কাউকেই পাওয়া যায়নি। শেষবেলায় কয়েকজন জুনিয়র ডাক্তার নাকি আসেন। বুকে পাম্প করেন। ততক্ষণে যা হওয়ার হয়ে গেছে। অর্থাৎ, মন্ত্রীর মৃত্যু হয়েছে।

প্রিয়র খোঁজে সোজা হাওড়া স্টেশন

বেচারা প্রিয়। হাতে নাতে ধরা পড়ে গেলেন। কী আর করবেন। এটা–‌সেটা বলে প্রসঙ্গ ঘোরাতে চাইলেন। আর মানে মানে টাকা দিয়ে সুব্রতকে বিদেয় করলেন।