বেতন কমিশনের মেয়াদ বৃদ্ধি, ‘‌অনুপ্রেরণা’‌ ছাড়া সম্ভব!‌

তিন বছর ধরে চলছে বেতন কমিশন। ফের মেয়াদ বাড়ানো হল। এই কমিশন বা তার রিপোর্টের আদৌ কোনও গুরুত্ব আছে?‌ যে রিপোর্ট দেওয়া হবে, সেটা মুখ্যমন্ত্রীর পড়ার ধৈর্য থাকবে তো?‌ সেই রিপোর্টই দেওয়া হবে, যেটা তিনি চাইবেন। সেটাই ঘোষণা হবে, যেটা তাঁর ইচ্ছে হবে। তাহলে তিন বছর ধরে বেতন কমিশন নামক শিখণ্ডিকে খাড়া করা হচ্ছে কেন?‌ মেয়াদ বাড়ানোর এই আবেদন, তার পেছনেও ‘‌অনুপ্রেরণা’‌ নেই তো?‌ লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।

ছোট্ট একটা ছবি, হাজার শব্দের সমান

আবার ওঁরা এক ফ্রেমে। যে গুরুর আশ্রমে ওদের একসঙ্গে পথ চলা শুরু, আবার সেই গুরুর বাড়িতেই। রমাকান্ত আচরেকারের পায়ে হাত দিয়ে প্রণাম করছেন শচীন তেন্ডুলকার। পাশে দাঁড়িয়ে বিনোদ কাম্বলি। ছবিটা সত্যিই মনে রাখার মতো।

চার মিনিট ছাড়া ছাড়া ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রো!‌

চার মিনিট ছাড়া ছাড়া চলতে পারে ইস্ট ওয়েস্ট মেট্রো। এমনই ইঙ্গিত রেলসূত্রে। তবে সবসময়ই যে চার মিনিট ছাড়া চলবে, এমন নয়। কোন সময় কেমন লোক হচ্ছে, সেটা বুঝেই সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। প্রয়োজনে ব্যবধান বাড়ানো হতেই পারে। তবে আপাতত অফিস টাইমে চার মিনিট ছাড়া ছাড়া চালানোর ভাবনা রয়েছে।

আবার সভাপতি হবেন টুটু বসুই

মোহনবাগানের নতুন সভাপতি গীতানাথ গাঙ্গুলির ভূমিকা অনেকটা রামায়নের ভরতের মতোই। তাঁকে আপাতত সিংহাসনে খড়ম পাহারা দিতে হবে। আবার যেদিন টুটু বাবুর সভাপতি হওয়ার ইচ্ছে হবে, নিঃশব্দে সরে দাঁড়াতে হবে। লিখেছেন সোহম সেন।

কেন সভাপতি হতে পারলেন না চুনী গোস্বামী?‌

যিনি ছিলেন সভাপতি, তিনি হয়ে গেলেন সচিব। কিন্তু সভাপতি তো কাউকে না কাউকে হতে হবে। ভারী নাম বলতে ছিলেন চুনী গোস্বামী। কিন্তু তাঁকে করা হল না। তাঁকে করলে কী কী সমস্যা হতে পারত?‌ কেনই বা তাঁকে সহ সভাপতি করা হল?‌

অপর্ণার ঠিকানা এখন অযোধ্যা

বাংলা ছবির ক্যানভাসে আবার উঠে আসছে অযোধ্যা। না, রাম মন্দিরের সেই অযোধ্যা নয়। পাহাড়, জঙ্গল, লাল মাটির সেই অযোধ্যা। এখানেই চলবে অপর্ণা সেনের নতুন ছবির শুটিং। তারই হদিশ বেঙ্গল টাইমসে।