কোন অভিমানে হারিয়ে গেলেন পান্নালাল?

কিছুটা অকালেই হারিয়ে গিয়েছেন। কোন অভিমানে চলে গেলেন, কে জানে!‌ অথচ, তাঁর গান পেয়েছে অমরত্ব। মৃত্যুর পঞ্চাশ বছর পরেও দীপাবলি আর পান্নালাল মিলেমিশে একাকার। ব্যতিক্রমী এই শিল্পীকে নিয়ে লিখেছেন দিব্যেন্দু দে।।

আগে দলবদলকে ধিক্কার দিন, তারপর না হয় রাজীবকে দেবেন

আপনি একজনকে চানক্য বলবেন। আরেকজনকে উন্নয়নের কাণ্ডারি বলবেন। আর বেচারা রাজীব গালাগাল খাবেন!‌ এটা কেমন বিচার!‌ রাজীবকে যদি গালাগাল দিতে চান, তাহলে যারা সাংবিধানিক দায়িত্বে থেকেও এই নির্লজ্জ দলবদল করিয়ে যাচ্ছেন, যাঁরা সেই দলবদল করিয়ে বাহবা নিচ্ছেন, আগে তাঁদের ধিক্কার দিতে শিখুন। তাঁদের অপরাধটা অনেক বেশি। রাজীবদের অপরাধ সেই তুলনায় নেহাতই সামান্য।‌‌‌

ধনতেরাস নিয়ে বাঙালিরএত আদিখ্যেতা কেন?‌

এই লৌকিকতা প্রায় উৎসবের অঙিনায় পৌঁছে দিয়েছে মিডিয়া। তাই আজ শ্যামা পূজা বা দীপাবলীর সঙ্গে বড় করে উদযাপিত হয় ধনতেরাস। বাঙালি অবাঙালি তাই এখন পঞ্জিকা মেনে পৌঁছে যায় সোনার দোকানে। সেখানে লম্বা লাইন বুঝিয়ে দেয় আমাদের জনজোয়ারে গা ভাসানোর ধুম। খবরের কাগজে, বেতার, দূরদর্শন, পাড়ার মোড়ে, পথের দু–‌ধারে তাই এখন শুধুই সোনার বিজ্ঞাপন।