‌বাজেট ভ্রমণ নিয়ে দুচার কথা

বেড়াতে যেতে কে না ভালবাসে!‌ কিন্তু গিয়ে নানা সমস্যায় পড়তে হয়। কারণ, পরিকল্পনার অভাব। অথচ, একটু ভাবনা–‌চিন্তা করে গেলে বেনানোর যথার্থ আনন্দ পেতে পারেন। খরচও নিয়ন্ত্রণের মধ্যেই থাকবে। এমনই কিছু পরামর্শ তুলে ধরলেন সন্দীপ লায়েক।।

আজ বলছে জিও, কাল বলবে পিও


লোকটা মনের সুখে ডেটা বিলিয়ে যাচ্ছে। ডেটা তো নয়, যেন সজনে ডাটা। সবাই খুব পুলকে নেটে আছে, আসলে ঘেঁটে আছে। ধীরুভাই ধীরে চলতেন। এ তো ছুটছে ফোর জি স্পিডে। রসাতলে পাঠানোর জন্য যা যা করার দরকার, তাই করছে। নন্দ ঘোষের টার্গেট জিওবাবু মুকেশ আম্বানি।

ইউ টিউবের শুরুতে আর বিভ্রাট নয়

বেঙ্গল টাইমস প্রতিবেদন:‌ যাঁরা ইউটিউব দেখেন, তাঁদের অনেকেরই অভিজ্ঞতা আছে। হয়ত কোনও একটা বিশেষ ক্লিপিংস দেখতে চাইছেন, শুরুতেই এসে গেল বিজ্ঞাপন। কোনওটা চার মিনিটের, কোনওটা তিন মিনিটের। কিছুক্ষণ চলার পর...

আপনাকে বুঝব, এমন শিক্ষা কি সত্যিই আমাদের আছে?‌

কত সহজেই আমরা অমর্ত্য সেনের অবদান নিয়ে প্রশ্ন তুলি। ভুলে যাই, তাঁর যোগ্যতা বুঝব, এমন শিক্ষা–‌দীক্ষাই আমাদের নেই। এই দুর্ভাগা দেশে এভাবেই অসম্মানিত হতে হয় এমন বিশ্ববরেণ্যদের। অমর্ত্য সেনকে খোলা চিঠি। লিখেছেন সত্রাজিৎ চ্যাটার্জি।।

লোন ?‌ সাবধান, ফাঁদে পা দেবেন না

আপনার কাছে লোনের জন্য ফোন আসে?‌ আপনার মতো অনেকেই হয়ত ফাঁদে পা দিয়েছেন। এই ব্যাপারে একজনের তিক্ত অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরা হল ওপেন ফোরামে। এখনই সচেতন হয়ে যান। কারা এর সঙ্গে যুক্ত, তার কিছুটা আভাসও দিয়ে রাখা হল। যা বোঝার বুঝে নিন।

ক্যাশলেস

খুচরোর আকাল। ব্যাঙ্ক, এটিএমে লম্বা লাইন। কীভাবে সামাল দিচ্ছেন মধ্যবিত্ত। একটি গল্পে উঠে এল সেই ছবিটা। এই সময়ের পটভূমিতে লিখেছেন সব্যসাচী কুণ্ডু।

যাঁরা সঞ্চয় করছেন, সত্যিই তাঁরা নমস্য ব্যক্তি

আমরা হলাম সেই মধ্যবিত্ত, যারা দিনরাত মন্ত্রীদের গালমন্দ করি। এদিকে, নিজের ছোট্ট সংসার চালাতে হিমশিম খেয়ে উঠি। এদিক সামলাতে গিয়ে ওদিকটা বেসামাল হয়ে যায়। ছেলের আবদার মেটাতে গিয়ে বউয়ের ‌চাওয়াটার মূল্য দিতে পারি না। সারাক্ষণ দ্বিধাদ্বন্দ্বের রাস্তায় হাঁটতে গিয়ে কত জানা–‌অজানা ঠোক্কর খেয়ে বসি। একটা ছোট্ট ভুলের খেসারত হিসেবে আরও কত ভুলকে ডেকে আনি। যাঁদের ‘‌দিন আনি দিন খাই’ অবস্থা, তাঁদের কথা বাদ দিন। যাঁরা মাস মাইনের চাকুরে, বাইরে থেকে দেখে যাঁদের আপাতভাবে সচ্ছল বলেই মনে হয়, তাঁদের সংসারে কখনও উকি দিযেছেন ?‌ তাঁর আয় হয়ত মাসে তিরিশ হাজার টাকা। আমরা ভেবে নিই,‌ মাস গেলে তিরিশ হাজার ঢুকছে, মাত্র তিনটি লোক, কী এমন খরচা!‌ নিশ্চয় অনেক টাকা জমেছে। কিন্তু তাঁর যে নাভিঃশ্বাস উঠছে, সে খবর কজন রাখি! রাজ্য সরকারী কর্মী, কেন্দ্রের কর্মী, নিউক্লিয়ার ফ্যামিলি, যৌথ পরিবার, স্বামী–‌স্ত্রী দুজনের চাকরি, নিঃসন্তান, ছেলে–‌মেয়ে কলেজ পড়ুয়া। এমন নানা ‌দম্পতির সঙ্গে কথা বলা হল। সংসারের খরচের ছবিটা একটু বোঝার চেষ্টা। আসুন, টুকরো টুকরো খরচের হিসেবগুলোয় একটু চোখ মেলানো যাক। সব জায়গায় খরচগুলো একরকম নয়। শহরের সঙ্গে আধা শহরের ফারাক আছে। ছোট পরিবারের সঙ্গে বড় পরিবারের ফারাক আছে। রুচি ও অভ্যেসগত কারণেও ফারাক অনেকটা বেড়ে যায়। কোনও খরচটা একেবারেই অনিবার্য। আবার কোথাও কোথাও হয়ত একটু লাগাম টানা যায়। বিষয় ধরে ধরে একটু আলোচনা করা যাক।

মোয়ার সেকাল একাল

মোয়া মানেই উঠে আসে জয়নগরের নাম। দুটোই যেন সমার্থক। কিন্তু মোয়ার আসল রাজধানী মোটেই জয়নগর নয়। এই জয়নগর ব্র্যান্ডের আড়ালেই হারিয়ে গেছে বহরু। যাই যাই শীতের আমেজে সেই জয়নগর আর বহরু থেকে ঘুরে এলেন সংহিতা বারুই।

কে এই বুড়িমা ?

আমাদের অনেকের ছোটবেলার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা নাম- বুড়িমার চকলেট বোম। কে ছিলেন এই ‘বুড়িমা’। কীভাবে গড়ে উঠল তাঁর বিশাল সাম্রাজ্য? লড়াকু সেই বুড়িমার জীবনের নানা ঘাত-প্রতিঘাত তুলে ধরলেন সংহিতা বারুই।

জমি পেল সিঙ্গুর, শিল্প হারালো বাংলা

সুমিত মিত্র সিঙ্গুরে শাঁখ বাজছে। আবির উড়ছে। আরও কত কী হবে? যেন বিরাট বড় কোনও খুশির খবর এল। যেন রাজ্যের জন্য বিরাট এক সুখবর এল দিল্লি থেকে। সিঙ্গুরের জমি অধিগ্রহণ...