মুখ্যমন্ত্রী পদের মূল্য এখনও বোঝেননি শুভেন্দু

মমতা সত্যিই হয়তো অসহায়। কিন্তু তার থেকেও অনেক বেশি অসহায় মনে হল বর্তমান মুখ্যমন্ত্রীকে। পরিষ্কার করে বলা দরকার, তিনি ক্ষমতার অপব্যবহারই করলেন। কোনও কৌশল নয়। নিজের চেয়ারকে কলঙ্কিতই করলেন। বিপক্ষ প্রার্থীকে লোভই দেখান, আর ভয়ই দেখান, দুটোই সমান নিন্দনীয়। এর বাইরে তৃতীয় কিছু ঘটেনি। একজন মুখ্যমন্ত্রীর মর্যাদা এতে একফোঁটাও বাড়ল না। বরং অনেকটাই নেমে গেল।

‌‌গোলপাহাড়ের দেশে যা, চা–‌পাহাড়ের দেশে যা

যেটুকু অপূর্ণতা ছিল, এক লহমায় তা ঢেকে দিল ঝলমলে কাঞ্চনজঙ্ঘা। বেলার দিকে মনোজভাইয়ের লন থেকেও ধরা দিল সেই শ্বেতশুভ্র পর্বতশৃঙ্গ। তবে ভোরের কাঞ্চনজঙ্ঘার অনুভূতি পেতে গেলে চড়তে হবে সেই ছোট্ট পাহাড়ে। ছোট্ট সফরে আর কী চাই!‌ প্রত্যাশাকে ছাপিয়ে গেল প্রাপ্তি। একটাই আক্ষেপ, এত যে সফরটা এত ছোট হল!‌ পরেরবার শুধু এখানেই আসব। অলসভাবে কাটিয়ে যাব কয়েকটা দিন।

‌

মায়েদের ললিপপ দেওয়ার এই ভণ্ডামি এবার বন্ধ হোক‌

অনেক হল। এবার এই ভণ্ডামি বন্ধ হোক। শাসকের কাজ ন্যায়বিচার দেওয়া। সেটা যদি দিতে না পারেন, ললিপপ হিসেবে বিধায়ক পদের টোপ দেবেন না। মায়েদেরও অনুরোধ, অতীত থেকে শিক্ষা নিন। কী আগের সরকার, কী এই সরকার, এঁরা সঠিক তদন্ত করবে না। মুখ বন্ধ রাখার জন্য একটা গাজর ঝুলিয়ে দেবে। ছেলে বা মেয়ের মৃত্যু নিয়ে এমন সওদা নাইবা করলেন!‌

বেঙ্গল টাইমস। ই ম্যাগাজিন। ১৬ সেপ্টেম্বর সংখ্যা।

বেঙ্গল টাইমসের নতুন ই–‌ম্যাগাজিন। রয়েছে রাজনীতি, সাহিত্য, বিনোদন, খেলা, ভ্রমণ–‌সহ নানা আকর্ষণীয় বিভাগ। নানা আঙ্গিক থেকে দেখার চেষ্টা। দেওয়া হল পিডিএফ লিঙ্ক।

ভূত বাংলো যেমন গা ছমছমে, তেমনই রোমাঞ্চকর

কাছ থেকে সেনা ব্যারাক দেখার সুযোগ কজনের আর হয়!‌ বাইরে বেরোলেই চোখে পড়বে বিরাট এক গল্ফ কোর্স। এটাও সাহেবদের বানানো। এখন সেনাবাহিনীর নিয়ন্ত্রণে। কত ছবির শুটিং যে হয়েছে, তার ইয়াত্তা নেই। আপনার কোনও একটা চেনা ছবির কথা নিশ্চিতভাবেই মনে পড়ে যাবে। সেনাবাহিনীর একটা সুন্দর সাজানো ক্যান্টিন। সেখানে এটা–‌সেটা খেতে খেতে তাকিয়ে থাকুন ওই দিগন্ত বিস্তৃত গল্ফ কোর্সের দিকে। বিকেল গড়িয়ে যাচ্ছে সন্ধের দিকে। সে এক চোখজুড়োনো ক্যানভাস।

নিজেদের দিকে তাকান, তাহলেই বুঝবেন আসল দেশদ্রোহী কারা

স্বরূপ গোস্বামী বিধানসভায় আবার যেন রণাং দেহি মূর্তি। একটি বিল আনতে গিয়ে যথারীতি সেই চিৎকারেরই আশ্রয় নিলেন মুখ্যমন্ত্রী। গুন্ডা দমন বিলের ক্ষেত্রে তার শরীরের ভাষা যেমন, শিক্ষা সংক্রান্ত বিলের ক্ষেত্রেও...

ঘৃণা নিয়ে আপনারা থাকুন, স্মৃতিদের মন দিয়ে ক্রিকেট খেলতে দিন

ধীমান সাহা ছোট থেকেই একটা কথা শুনে আসছি, দেশপ্রেম। শব্দটা শুনলেই মনের মধ্যে কেমন একটা সম্ভ্রম তৈরি হত। এই শব্দটা শুনলেই দেশ নায়কদের মুখ মনে পড়ে যেত।  নিজেদের গর্বিত ভারতীয়...

কারও ঠোঁটই নড়ল না, দেশের সম্মান বাড়ল?

ফলটা কী হল? বন্দেমাতরম গাওয়া হচ্ছে, কারও ঠোঁট নড়ছে না। এতে দেশের সম্মান বাড়ল? কার মুখ পুড়ল? এবার হয়তো বোর্ড মারফত ফতোয়া আসবে, ওই গান গাইতে না পারলে ভারতীয় দলেই আর নেওয়া হবে না। খেলোয়াড়রা ব্যাটিং বোলিং প্র্যাকটিস না করে সারাদিন বন্দেমাতরম মুখস্ত করবেন।

হতাশা থেকেই হুঙ্কার, কিন্তু এত দ্রুত এত হতাশা কেন?‌

উঠতি তৃণমূলদের নিয়ে যেমন সমস্যা ছিল, হঠাৎ উড়ে এসে জুড়ে বসা বিজেপিদের নিয়েও বিড়ম্বনা কম নয়। তাঁদের হুঙ্কার দিতে হয়। ফতোয়া জারি করতে হয়। শারদোৎসব লেখা থাকলে সিপিএমের স্টল করতে দেওয়া যাবে না, সরাসরি বিধানসভা থেকে এমন হুঙ্কার দিতে হয়। কোন পুজোয় কার স্টল থাকবে, সেটাও মুখ্যমন্ত্রী ঠিক করে দেবেন?‌ একদিকে দম্ভ, অন্যদিকে সীমাহীন অজ্ঞতা, কোনটার পাল্লা ভারী, বলা মুশকিল।

আপনার বাড়িতে পুজো সংখ্যা নেওয়া হয়!‌

সৃজন শীল শিক্ষিত বাঙালির জীবনে পুজোর এক অনিবার্য অনুষঙ্গ ছিল পুজো সংখ্যা। যে কোনও বাড়িতেই যান, একটা বা দুটো পুজো সংখ্যা চোখে পড়ত। এবং সেই বইগুলি নিছক লোককে দেখানোর জন্য...