ওরা কী চায়, নিজেরাই জানে না

স্বরূপ গোস্বামী আপনি বাস বা মেট্রোয় যাচ্ছেন। আপনার সহযাত্রী আপনার দিকে তাকাচ্ছেও না। সে ব্যস্ত তাঁর মোবাইলে। বা আপনি কারও বাড়িতে গেছেন। সেখানেও কিছুক্ষণ পরেই নিজেকে অবাঞ্ছিত মনে হবে। মনে...

শরিকের চেয়ে বড় শত্রু নেই

রক্তিম মিত্র একটা চালু কথা আছে, সিপিএম–‌কে রাস্তায় পাওয়া যায় না, ফেসবুকে পাওয়া যায়। কথাটা মূলত বিরোধীরাই বলে থাকেন। আসলে, রাস্তার আন্দোলন গণমাধ্যমে সেভাবে উঠে আসে না। আবার সোশ্যাল মিডিয়ায়...

তিনিই মধ্যম যিনি চলেন তফাতে

অজয় কুমার তিনি হুঙ্কার দিচ্ছেন। তিনি বারবার বলে চলেছেন, বিজেপিকে তৃণমূল হতে দেব না। আমাদের দরজা বন্ধ। কিন্তু কে শোনে কার কথা!‌ এ যেন, তু মান ইয়া না মান, ম্যায়...

‌একা কুণাল রক্ষাকরেন নকল বুঁদিগড়

সরল বিশ্বাস তিনি কি বদলে গেছেন?‌ তিনি কি রত্নাকর থেকে বাল্মীকি হয়ে গেছেন?‌ অন্তত তাঁর কমেন্ট বক্সের লেখাগুলো পড়লে তেমনটাই মনে হয়। আসলে, তিনি যেমন ছিলেন, তেমনই আছেন। বদলে গেছে...

পাঁচিল থেকে যায়

ডুয়ার্সের আকাশে ভোরের নরম আলো। পাহাড়ের গা বেয়ে নেমে আসা কুয়াশা তখনও পুরোপুরি সরেনি। রাজাভাতখাওয়ার ছোট্ট স্টেশনটা যেন অন্য এক সময়ের গল্প বলে। সবুজে ঘেরা, প্রায় নির্জন, দূরে চা–‌বাগানের ফাঁকে ফাঁকে দেখা যায় কুঁড়ে–‌ঘর। ট্রেন দিনে কয়েকবার মাত্র থামে। তবু স্টেশনের লালচে প্ল্যাটফর্মে দাঁড়িয়ে থাকতে অর্ণবের মনে হয়, যেন কোনও অজানা কবিতার মধ্যে ঢুকে পড়েছে।

বুদ্ধদেব গুহর বাংলো, চলে গেল অপর্ণা সেনের হাতে

চাইলে নির্জন স্টেশনে বসে থাকতে পারেন। চাইলে জঙ্গলের বুক-চেরা রাস্তা দিযে হেঁটে আসতে পারেন। আর নইলে কয়েক ঘণ্টার জন্য একটা গাড়ি ভাড়া নিয়ে আশপাশের এলাকা ও প্রকৃতি ঘুরে দেখতে পারেন।
হয়ত গিয়ে দেখবেন অন্য কোনও পর্যটক নেই। হয়ত আপনারাই একমাত্র পর্যটক। দুঃখ পাওয়ার কিছু নেই। ভাল জায়গায় অল্প লোকেই যায়।

বই আসতে এত দেরি হয় কেন?‌

উত্তম জানা কয়েক বছর আগেও যা ভাবা যেত না, আজ তা কত সহজে আয়ত্বে এসে গেছে। কোনও একটা অ্যাপে আপনি খাবারের অর্ডার দিলেন। আধ ঘণ্টার মধ্যে তা আপনার দরজায় হাজির।...

ভ্রমণ সংক্রান্ত ই–‌বুক। তোমার বাড়ি, আমার বাড়ি, মকাইবাড়ি মকাইবাড়ি

বেঙ্গল টাইমস থেকে প্রকাশিত ভ্রমণ সংক্রান্ত বই।

তোমার বাড়ি, আমার বাড়ি
মকাইবাড়ি, মকাইবাড়ি

আপার বার্থ, ভয়াবহ এক অভিজ্ঞতা

উত্তম জানা ‌রেলের আপার বার্থ মানেই যেন এক বিভীষিকা। উপরের বার্থে টিকিট মানেই যেন এক আতঙ্ক। এমনকী এসি থ্রি বা এসকি টু–‌তেও পরিস্থিতি একইরকম ভয়াবহ। যাঁদের সুগার আছে, তাঁদের বারবার...

অন্তত একটি পুজো সংখ্যা কিনে দেখুন

কিন্তু গত কয়েক বছরে সেই চেনা ছবিটা যেন বদলে গেছে। এখন পুজো সংখ্যা যেন লুপ্তপ্রায় এক প্রজাতি। অধিকাংশ ঘরেই এখন আর পুজো সংখ্যা দেখা যায় না। কারণ হিসেবে বলা হয়, এখন নাকি আর পড়ার সময় নেই। সত্যিই কি এখন আমরা সবাই বিরাট ব্যস্ত হয়ে পড়েছি?‌