‌ফিরে এসো, ময়দান

বইমেলা আছে। অথচ, তুমি থাকবে না?‌ কেন জানি না, এত বছর পরেও মেনে নিতে পারি না। মনে প্রাণে চাই, বইমেলা আবার তোমার বুকেই ফিরে আসুক। আমার মতো অনেকেই হয়ত এমনটাই...

‌ধন্যবাদ লকডাউন, বই পড়ার অভ্যেস ফিরিয়ে দিলে

  নিখিল সেন মনে আছে, একসময় খুব লাইব্রেরি যেতাম। রোজ একটা বা দুটো করে বই নিয়ে আসতাম। পরেরদিন যেতাম সেগুলো ফেরত দিতে। একদিনেই দুটো বই পড়া হয়ে যেত। যদি দুটো...

সরস্বতী পুজোয় কিন্তু ‌সিগারেটেরও হাতেখড়ি

ছোটবেলার পুজো বলতে বারবার মনে পড়ে সরস্বতী পুজোর কথা। দুর্গাপুজো নিয়ে বাঙালির আবেগের শেষ নেই। কিন্তু কেন জানি না, সেই আবেগ ছোটবেলায় সেভাবে স্পর্শ করেনি। তার থেকে অনেক বেশি আপন...

অ্যায় মেরে ওয়াতন কে লোগো

২৬ জানুয়ারি মানেই বেজে উঠবে সেই গান। আমাদের পাড়ায়, আমাদের হৃদয়ে সেই একই গানের অনুরণন। সেই গান নিঃশব্দে পেরিয়ে গেল ৫৭ বছর। সেই গানের আড়ালে লুকিয়ে থাকা অনেক অজানা দিক তুলে ধরলেন বৃষ্টি চৌধুরি।

নেতাজি মূর্তি ও সন্দীপনের সেই ঐতিহাসিক উক্তি

শ্যামবাজারের মূর্তিটা আসলে কার?‌ এই সম্পর্কে স্মরণীয় একটি মন্তব্য ছিল সন্দীপন চট্টোপাধ্যায়ের। নেতাজির জন্মদিনে বেঙ্গল টাইমসের প্রতিবেদনে উঠে এল সেই অজানা মন্তব্য।

উত্তরসূরীকে ঠিক চিনেছিলেন দেশবন্ধু

বয়সের ব্যবধান অনেকটাই। কখনও তাঁরা একে অন্যের রাজনৈতিক সহযোদ্ধা। কখনও যেন গুরু–শিষ্য। আবার কখনও পিতা–পুত্র। দেশবন্ধু চিত্তরঞ্জন ও নেতাজি সুভাষচন্দ্রের সেই সম্পর্কে আলো ফেললেন স্বরূপ গোস্বামী।

নেতাজি ভাগ্যিস ফিরে আসেননি

স্বমহিমায় মাঠে নেমে পড়েছেন নন্দ ঘোষ। এতদিন সবাই তাঁর দোষ খুঁজত। এবার তিনি খুঁজে বেড়াচ্ছেন অন্যদের দোষ। সেই তালিকায় কেউ বাদ নেই। না, নেতাজিও না?‌ তাঁকেও দু–‌চার কথা শুনিয়ে দিলেন স্বনামধন্য নন্দ ঘোষ।।

বুকে হাত দিয়ে বলুন তো, নেতাজিকে চেনেন!‌

কাউকে মহান করতে গিয়ে অন্যদের ছোট করতে বাঙালির জুড়ি নেই। নেতাজিকে মহান করতে গিয়ে আমরা কত লোককে অহেতুক ছোট করি। আমাদের যত আগ্রহ নেতাজির মৃত্যু নিয়ে। কথা বললেই বোঝা যায়, নেতাজি সম্পর্কে এঁরা প্রায় কিছুই জানেন না। লিখেছেন সুমিত চক্রবতী।।

শুরুর সেই উষ্ণতা কোথায় যে হারিয়ে গেল!‌

কে বড় ফুটবলার, পেলে নাকি মারাদোনা?‌ তিন দশকের বেশি সময় ধরে এই তর্ক চলছে। পেলের জন্ম ১৯৪০ এ, মারাদোনার ১৯৬০ এ। বয়সের ব্যবধান কুড়ি বছরের। দু’‌জন দুটো ভিন্ন সময়ের প্রতিনিধি।...

অহেতুক জটিলতা বাড়াচ্ছে রেল

যাঁরা নানারকম পরিষেবা চান, তাঁরা জানেন কোথায় গেলে পাওয়া যায়। তাঁরা অনেকটাই টেক স্যাভি। কিন্তু যাঁরা সাধারণ যাত্রী, তাঁদের অকারণ ভোগান্তির মধ্যে না ফেলাই ভাল। রেল কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করছি। আইআরসিটিসি সাইটটিকে দয়া করে আগের চেহারায় ফিরিয়ে দিন। এই জটিলতা থেকে মুক্তি দিন। লিখেছেন সৌম্যজিৎ চৌধুরি।