অরণ্যের দিনরাত্রি
চারপাশে নাম না জানা গাছের সারি। কোথাও ফিকে। কোথাও ঘন। সন্ধে নামলেই গা ছমছমে একটা ব্যাপার। বনের মধ্যে নির্জন কাঠের বাংলো, ঝুপড়ি হোটেল, শুনশান স্টেশন, হাতির ডাক। ডুয়ার্সের টুকরো টুকরো ছবি। উঠে এল অন্তরা চৌধুরির লেখায়।
চারপাশে নাম না জানা গাছের সারি। কোথাও ফিকে। কোথাও ঘন। সন্ধে নামলেই গা ছমছমে একটা ব্যাপার। বনের মধ্যে নির্জন কাঠের বাংলো, ঝুপড়ি হোটেল, শুনশান স্টেশন, হাতির ডাক। ডুয়ার্সের টুকরো টুকরো ছবি। উঠে এল অন্তরা চৌধুরির লেখায়।
হয়ত সেখানে যাওয়ার কথাই ছিল না। ফাঁকা এক রেলস্টেশনে হঠাৎ করে নেমে পড়া। পাশ দিয়ে হয়ত বয়ে গেছে নদী। ছোট্ট চালা ঘরে হয়ত চপ–ঘুগনির দোকান। নাম না জানা ঠিকানায় আশ্চর্য এক ভ্রমণ। শরতের আলতো রোদে একটা দিন হারিয়ে যাওয়া। এমনই হারিয়ে যাওয়ার ইচ্ছের কথা উঠে এল অন্তরা চৌধুরির লেখায়।
মুখ্যমন্ত্রীকে অনুরোধ, আপনি নিজে একবার অগ্নীশ্বর দেখুন (হয়ত আগে দেখেছেন, তবু আবার দেখুন)। তারপর আপনার দপ্তরের কর্তাদের দেখতে বলুন। নির্দেশ দিন, ডাক্তারির সব ছাত্রকে যেন অগ্নীশ্বর দেখানো হয়। উত্তম কুমারের নামে একটা মেট্রো স্টেশন করার থেকে এটা অনেক বেশি জরুরি।
আগে যখন গানটা শুনতাম, মনে হত গাঁজাখুরি। খেয়ে-দেয়ে কাজ নেই। ‘মেঘের উপর দিয়ে হাঁটি’! কিন্তু এখন সত্যি সত্যি আমারও হেঁটে বেড়াতে ইচ্ছে করছে। মেঘের কি আর ঠিকানা আছে! কোথায় উড়ে যাবে, কে জানে! তোমার ঠিকানাও তো জানি না। তবু চিঠি লিখতে বাধা কোথায়! যেমনভাবে লিখি, পৌঁছয় না, তবু লিখি।
একে অন্যের সম্পর্কে বিরূপ মন্তব্য করেছেন। উপহাসও করেছেন। পেলে তবু কিছুটা সংযত। কিন্তু মারাদোনা যেন লাগামছাড়া। কখনও পেলেকে বলেছেন, ফিফার এজেন্ট, কখনও বলেছেন চক্রান্তকারী। পরের দিকে সেই বরফ গলেছিল ঠিকই। কিন্তু তিক্ততার যে আবহ একটু একটু করে তৈরি হয়েছিল, তা এত সহজে মোছার নয়। শুরুর দিকের সেই উষ্ণতাটা কোথায় যেন হারিয়ে গেল।
এবার থেকে প্রতি সপ্তাহেই বেঙ্গল টাইমসের ই–ম্যাগাজিন প্রকাশিত হবে। বিশেষ কোনও ব্যক্তি বা ঘটনাকে নিয়ে যেমন বিশেষ সংখ্যা থাকবে, তেমনই পাঁচমিশেলি সংখ্যাও থাকবে। রাজনীতি, সাহিত্য, বিনোদন, খেলা, ভ্রমণ তো থাকছেই। সেইসঙ্গে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে থাকছে বেঙ্গল টাইমসের বিভিন্ন নিয়মিত বিভাগ।