হেঁকে হেঁকে বিক্রি করেন। অনেক চেনা মানুষের সঙ্গে নিশ্চয় দেখা হয়ে যায়। তখন সঙ্কোচ হয় না! বাংলা আকাদেমি চত্বরে দাঁড়িয়ে চায়ে চুমুক দিতে দিতে বললেন, ‘কে যে কীসে লজ্জা পায় আর কে যে কীসে গর্ব অনুভব করে, তা বোঝা খুব মুশকিল। একজন মাতাল মদ খেয়ে রাস্তায় চিৎকার করতে করতে যায়। ভাবে সে বোধহয় দারুণ মূল্যবান কথা বলছে। অনেক বড় বড় মানুষও এমন কাজ করে, যা বেশ হাস্যকর। কিন্তু তারা ভাবে, তারা বুঝি দারুণ কিছু করছে। তাছাড়া, চুরি–ডাকাতি তো করছি না। নিজের পত্রিকা নিজে বিক্রি করি। লজ্জা পেতে যাব কেন?
শরদিন্দু বন্দ্যোপাধ্যায়ের মৃত্যুর পর প্রকাশ পেল দাদার কীর্তি। সঙ্গে সঙ্গে তরুণ মজুমদার জানিয়ে দিলেন, তিনি ছবি করতে চান। ছবিও হয়ে গেল। অজানা কাহিনী উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে।
যাঁরা সারাদিন সিরিয়ালে মুখ গুঁজে থাকেন, তাঁরা বোধ হয় জানেন না আটের দশক বা নয়ের দশকে কেমন সিরিয়াল হত। তেরো পার্বন, সেই সময়, আদর্শ হিন্দু হোটেল- এসব কালজয়ী সিরিয়ালকে আবার ফিরিয়ে আনা যায় না? টিভি চ্যানেলগুলির কাছে এই প্রশ্ন ছুঁড়ে দিলেন বৃষ্টি চৌধুরি।
সব দলেই এমন বৈপরীত্ব ভুরি ভুরি। হাসারাঙ্গার দর ওঠে প্রায় এগারো কোটি। অথচ, রবিচন্দ্রন অশ্বিন পান দেড় কোটি। অজিঙ্কা রাহানে পান এক কোটি, অথচ ইশান কিষানের দর ওঠে ১৫.২৫ কোটি। উদাহরণ বাড়াতে চাইলে বেড়েই যাবে। এমন অসঙ্গতি এবারই প্রথম এমন তো নয়। যুক্তিহীনতার সেই ট্র্যাডিশন সমানে চলেছে।
কখনও জেলে যাননি? যেতে ইচ্ছে করছে? জেলের ভেতরের জীবনটা কাছ থেকে দেখতে চান? কোনও অপরাধ না করেও আপনি জেলে কয়েকটা দিন কাটিয়ে আসতে পারেন। এমনই এক জেলের হদিশ এই লেখায়।
স্মৃতিটুকু থাক। পাঠকের মুক্তমঞ্চ। এখানে পাঠক নির্দ্বিধায় নিজের ফেলে আসা জীবনের টুকরো টুকরো ঘটনা তুলে ধরতে পারেন। স্কুল ম্যাগাজিনকে ঘিরে অনেকদিনের পুরনো একটি ঘটনা। তুলে ধরলেন সজল চক্রবর্তী।।
কখনও তিনি অরণ্যে। কখনও ইছামতির তীরে। কখনও অপুর শৈশবে, তো কখনও সুদূর আফ্রিকায়। জীবনের নানা টুকরো টুকরো অনুভূতি উঠে এসেছে তাঁর লেখায়। কিন্তু সেই বিভূতিভূষণ নিজে কেমন ছিলেন? স্মৃতির সরণি বেয়ে হাঁটলেন মিত্র অ্যান্ড ঘোষ-এর কর্ণধার সবীতেন্দ্রনাথ রায়। তাঁর সফরসঙ্গী সাংবাদিকতার ছাত্র শোভন চন্দ।
আমি কিছুক্ষণ পিছু নিলাম। কিন্তু ডাকার সাহস পেলাম না। কী জানি, কী মনে করবে! যদি অস্বস্তিতে পড়ে যায়! মাঝে প্রায় চোদ্দ–পনেরো বছর পেরিয়ে গেছে। সময়ের আয়নায় ধুলো জমে গেছে। তবু পাঁচবছর আগের সেই বইমেলার দুপুরটা বড় বেশি করে মনে পড়ে। স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে বইমেলার কিছু টুকরো টুকরো স্মৃতি।
আপনার সবথেকে বড় গুণ আপনার লেখা মহিলারাও গোগ্রাসে পড়েছেন। কিন্তু আপনার এই লেখাগুলো আজকের সিরিয়ালের উন্নত সংস্করণ। সিরিয়ালে যেমন একটি করে দজ্জাল মহিলা থাকে, যারা সংসারে আগুন লাগায়। সিরিয়ালে যেমন অধিকাংশ পুরুষ হয় বদমাশ নয় মেনিমুখো। আপনার লেখাতেও তাই। নন্দ ঘোষের কড়চায় এবার শিকার শরৎচন্দ্র।
অন্তরা চৌধুরি জঙ্গলে যাব মনে করলেই মনটা কেমন ডুয়ার্স ডুয়ার্স করে ওঠে। পাহাড়, নদী, জঙ্গল, ঠান্ডা আবহাওয়া সবই তো উত্তরবঙ্গে। তাই বলে দক্ষিণবঙ্গের কপালে শুধুই গরম আর রুক্ষ প্রকৃতি? না।...