জীবনে চলার পথে হারিয়ে যাওয়া কোনও বন্ধুর সেই দুষ্টুমির কথা উঠে আসতেই পারে। কোনও মাস্টারমশাইয়ের ধমক বা স্নেহের শাসন, সরস্বতী পুজো বা দুর্গা পুজোর ছোট ছোট ঘটনা, যেগুলো মাঝে মাঝেই মনে পড়ে যায়। লড়াইয়ের দিনগুলোয় কারা বাড়িয়ে দিয়েছিলেন সাহায্যের হাত? জীবনের এতটা পথ পেরিয়ে আসার পর যদি কৃতজ্ঞতা স্বীকার করতে ইচ্ছে করে, সেই দরজা খোলা থাক। ছোটবেলার বা কলেজ জীবনের কোনও একটা ভুল, যা আজও তাড়া করে বেড়ায়, মনে হয় ক্ষমা চাইতে পারলে হয়ত কিছুটা হালকা লাগত। অকপটে সেসব কথাও বলা যায়।
সরল বিশ্বাস অ্যালবার্ট পিন্টো কো গুসসা কিঁউ আতা হ্যায়। আটের দশকের জনপ্রিয় একটি ছবি। সেখানে নাসিরুদ্দিন শাহ কথায় কথায় রেগে যান। কেউ ভাল কথা বললেও বেঁকে বসেন। আমাদের বিরাট কোহলির...
তাহলে কী করবেন? এর সহজ সমাধান হল, পরদিন সকালে আবার সাইকেল নিয়ে বেরিয়ে পড়ুন। গতকাল যে মন্দিরগুলো ভালো করে দেখা হয়নি, সেগুলো আবার দেখুন। এখনও তো সাদার্ন গ্রুপের মন্দিরগুলো দেখা হয়নি। এক দিনেই খাজুরাহো দেখা শেষ করে ফেলবেন? আপনি কি এতটাই বেরসিক নাকি?
নিছক একটি পুজো নয়। বাঙালির আবেগের সঙ্গে, তার বেড়ে ওঠার সঙ্গে নানাভাবে জড়িয়ে আছে সরস্বতী। স্মৃতির সরণি বেয়ে তেমনই দুষ্টুমিমাখানো কোলাজ। উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে।
অন্তরা চৌধুরি বাঁকুড়ার লোক জল ঢেলে মুড়ি খায় বলে কলকাতার লোকের সে কী হাসাহাসি! মুড়ি মানেই বাঁকুড়া পুরুলিয়া আর বর্ধমানের লোকেরা খায়। বাকিরা শুধু তাকিয়ে তাকিয়ে দেখে। কলকাতা এবং তার...
অন্তরা চৌধুরি পুরীর স্বর্গদ্বার ভালো লাগে না, এমন মানুষ আছে কি না সন্দেহ। এইরকম আনন্দধাম বিশ্বে বোধহয় আর দুটি নেই। সি বিচের ওপর বসে থাকতে থাকতে কোথা দিয়ে যে সময়...