জঙ্গলমহলের অর্থনীতির কোমর ভেঙ্গে যাচ্ছে। সরকারের কোনও হেলদোল নেই। বরং কোষাগারে আয় বাড়ানোর তাগিদে লটারি ব্যবসায় উৎসাহই জুগিয়ে যাচ্ছে উদাসীন সরকার। সরকারের একমাত্র আয় বাড়ানোই যখন লক্ষ্য তখন মানব উন্নয়ন গৌণ হওয়াটাই স্বাভাবিক। সরকার এগিয়ে আসবে না। মানুষকে জাগাতে হবে, শুভবুদ্ধির উদয় ঘটাতে আমাদেরই এগিয়ে আসতে হবে। জঙ্গলমহলকে বাঁচাতে হবে৷ লিখেছেন মধুসূদন মাহাতো।
‘টনিক’ শিক্ষা দিয়ে যাবে জীবনে অসম্ভব বলে কিছু নেই। সকালে দু’বার কাশলে যাঁরা ডাক্তারের কাছে ছোটেন, অফিসে ছুটি নেওয়ার তাল খোঁজেন, দিনের ২০ ঘণ্টা ওষুধ আর অসুখের আলোচনা করে কাটান, তাঁদের তো অবশ্যই দেখা উচিত। ’৮২ বছরেও তিস্তার প্রবল স্রোতে র্যাফটিং, ডেলোর আকাশে প্যারাগ্লাইডিং, দার্জিলিংয়ে দড়ি ধরে মাউন্টেনিং—পরাণবাবু দেখিয়ে দিলেন বয়স সত্যিই একটা সংখ্যামাত্র!
বিজেপি আর তৃণমূল নেতারা লাফ দিয়ে একবার টেনিস কোর্টের ওদিকে গিয়েছেন, কিছু দিনে পরেই আবার ঝাঁপিয়ে এদিকে এসেছেন। বামদলগুলো থেকে বেরিয়ে তো যাওয়া যায়, কিন্তু মনের খেয়ালে ফেরত আসা যায় না। আসনশূন্য দলগুলো এখনও নীতিশূন্য হয়নি।
মুহুর্তে থেমে গেল সব। একটু নীরবতা, তারপর স্টেজ থেকে গমগম করে উঠলেন নাগরিক কবিয়াল
‘কে বললেন ভাই? উঠে দাঁড়ান তো, মনিশংকর, অডিটোরিয়ামের সব আলো জ্বেলে দাও’…
এক ঘর আলোর সামনে লজ্জায়, ভয়ে পুড়ে যেতে যেতে উঠে দাঁড়িয়েছে এক যুবক। পাশে বসা যুবতীর মুখও তখন শুকিয়ে কাঠ।
একটা বছর পেরিয়ে নতুন বছরে পা। ফেলে আসা বছরটা ঠিক কেমন ছিল? কতটা আনন্দের? কতটা বেদনার? কতটা প্রত্যাশা পূরণ? কতটা ফাঁক থেকে গেল? নতুন বছরের কাছে কী প্রত্যাশা? ডিসেম্বরের শেষ...
সেই লোকটি তার ভারি নামিয়ে রেখে শালপাতায় দুটি করে মদনমোহন দিল। সঙ্গে একটা কাঠি। মিষ্টিটা দেখতে বেশ অদ্ভুত। পান্তুয়ার শাঁসের মতো গায়ের রং। ডিজাইনটা শিবের কল্কের মতো। অপূর্ব তার টেস্ট। স্বাদে গন্ধে অতুলনীয় যাকে বলে। যেন জন্মজন্মান্তরেও ভুলিব না। এমন সুন্দর মিষ্টি আগে কখনও খাইনি। তার ওপর সমুদ্রের ধারে বসে খেলে যে কোনও জিনিসের স্বাদই কয়েকগুণ বেড়ে যায়। মদনমোহন খাওয়ার পর খেলাম পুরীর বিখ্যাত রাবড়ি। এর আগে যতবারই পুরী গেছি এই লোকগুলোকে মাটির হাঁড়িতে করে বিক্রি করতে দেখেছি। প্রবল ইচ্ছে হয়েছে জানার যে কী আছে ওই ভাঁড়গুলোতে। কিন্তু মা বাবার ভয়ে বলতে পারিনি। বর খাদ্যরসিক হওয়ায় সে ভয় ছিল না। আর সে কারণেই মদনমোহনের এমন স্বর্গীয় স্বাদ অনুভব করার সুযোগ এসে গেল। মদনমোহন নাম হওয়া তার সার্থক।
দলবদলুরা চিরকাল ছিলেন। আগামীদিনেও থাকবেন। কিন্তু সাংবিধানিক পদে থাকা স্পিকার মশাই যদি দার্শনিক নীরবতার আশ্রয় নেন, নানা রকম টালবাহানা করে যান, সেটা আরও বেশি নিন্দনীয়। দলবদলুরা জানেন, এমন দলভাঙানো মুখ্যমন্ত্রী বা এমন বধির স্পিকার থাকলে তাঁদের কেউ কিচ্ছুটি করতে পারবে না। আইন তাঁদের ছুঁতেও পারবে না। ফেলে আসা বছরে কোনও আশার আলো কি দেখা গেল? জোরালো উত্তর, না।
জগাই আমাকে আর সাইকেল টানতে টানতে পানের দোকানে গিয়ে বলল, ‘ওই পুলিশ কাকু বলল পাঁচটা টাকা দিতে। দোকানির তাকানো, পুলিশ কাকুর হাতের ইশারায় পাঁচ দেখানো এবং খানিক বাদেই আমরা ঝুড়িভাজা, হাতলাট্টু আর পাঁচটা বলের মালিক।
একটু ঠাণ্ডা মাথায় ভেবে দেখুন তো, ফেসবুকে আপনার মনের ঠিক কোন দিকটি চর্চিত হচ্ছে ? ঠিক কোন অনুভূতিগুলি প্রাধান্য পাচ্ছে…? ফেসবুকে পাতার পর পাতা জুড়ে গোপন হিংসা, হীনমন্যতা, ভন্ডামি থেকে অনধিকার বা অনুচিত চাহিদার চর্চা চলছে। দিনের শেষে আপনার নিজের মানসিক সুস্থতার দায় কিন্তু আপনারই।
এতদিন মনে করতাম, দেবের ছবি ছেলে ছোকরাদের জন্য। পরিবারের সঙ্গে দেখা যায় না। বয়স্কদের সঙ্গেও না। কিন্তু কেন জানি না মনে হচ্ছে, এই ছবি বয়স্কদের অবশ্যই দেখানো উচিত। তাঁরাও যদি একটু হলেও বাঁচার নতুন ইচ্ছেশক্তি ফিরে পান, মন্দ কী? এই টনিক নিছক পর্দায় আটকে নেই। ঢুকে পড়তে পারে বাড়িতে বাড়িতে, মনে মনে।