কৌতূহল ছিল, রণবীর সিং কতটা কপিলদেব হয়ে উঠতে পারলেন? জোর গলায় বলা যায়, পুরোপুরি উতরে গেছেন এই অভিনেতা। মেক আপে শুধু কপিলের মতো দেখতে লাগছে, এমন নয়। তার চেয়েও কঠিন ছিল তাঁর ব্যাটিং ও বোলিং ভঙ্গিমাকে তুলে আনা। মাঠের কপিলকে তুলে আনা খুব সহজ ব্যাপার ছিল না। চারমাস ধরে মাঠে পড়ে থেকে সেগুলো আয়ত্বে এনেছেন। এই ফাস্টফুডের জমানায় একটা চরিত্রকে ফুটিয়ে তুলতে এমন নিষ্ঠা, এমন পরিশ্রম সত্যিই বিরল।
বড় বড় ব্যাখ্যা, বিশ্লেষণ ছেড়ে পাড়ার ছোট ছোট সমস্যায় মানুষের পাশে থাকা। মনে রাখতে হবে, এখন দ্বিতীয় হওয়াটাই বেশি জরুরি। হাওয়া ঘুরছে। পুরভোট কিন্তু সেই বার্তাই দিয়ে গেল।
কিশোরকুমার-আশা ভোঁসলের ‘ফুঁলোকি দুনিয়াসে’ পঁয়তাল্লিশ আরপিএম রেকর্ডটি পেয়েছিলেন এক রিক্সাচালকের বাড়িতে। সে রেকর্ড ছিল শোনার অযোগ্য। সাবান, শ্যাম্পু, লেবু দিয়ে পরিষ্কার করতে হয়েছিল। মাধ্যমিকের সময় ‘দুসরা আদমি’ দেখার জন্য বেদম মার খেয়েছিলেন বাবার কাছে। বাবা তো শুধু রেকর্ড ভাঙেননি। সাধের ক্যাসেটগুলোও গুড়িয়ে দিয়েছিলেন। সুরের সার্জন বিশ্বজিতের কথা উঠে এল কুণাল দাশগুপ্তর লেখায়।
এতদিন দলের কোচ ছিলেন রবি শাস্ত্রী। তাঁর মেয়াদ বিশ্বকাপের পরই শেষ। মেয়াদ বাড়ানোর ব্যাপারে বোর্ড কোনও আগ্রহই দেখায়নি। নিঃশব্দে ব্যাটন তুলে দেওয়া হয়েছে রাহুল দ্রাবিড়ের হাতে। বছরের শুরুতে ছিল শাস্ত্রী–কোহলি জুটি। বছরের শেষ লগ্নে সেটাই যেন বদলে গেল রাহুল–রোহিত জুটিতে। নিঃশব্দে যেন বদলে গেল ভারতীয় ক্রিকেটের ভরকেন্দ্র।
অন্তরা চৌধুরি এত দিনে নিশ্চয়ই আমানির সঙ্গে তেলপোড়া আপনাদের হজম হয়ে গেছে। আচ্ছা আপনারা খসলা খেয়েছেন কখনও? জানেন খসলা কী, বা কীভাবে খায়! বাঁকুড়া, পুরুলিয়ার মানুষের কাছে এই খাবারটি অত্যন্ত...
বছরের শেষ বেলায় আবার হাজির বেঙ্গল টাইমসের ই–ম্যাগাজিন। এবার বড়দিন সংখ্যা। সাহিত্যে, বিনোদন, খেলা, রাজনীতি, ভ্রমণ তো আছেই। আছে বিভিন্ন নিয়মিত বিভাগ।
সবমিলিয়ে প্রায় পঞ্চাশ পাতার ই ম্যাগাজিন। পিডিএফে আপলোড করা আছে। ডাউনলোড করলেই অনায়াসে পড়তে পারবেন।
সম্পাদকীয় ফিরে দেখা বছরের শেষ মানেই সারা বছরের সালতামামি। ফেলে আসা বছরের নান ঘটনার দিকে ফিরে দেখা। এবারও তেমন কোনও সংখ্যা করাই যেত। কিন্তু খেলা, রাজনীতি, সাহিত্য, বিনোদন–সহ এতরকম বিষয়।...