পুরীর স্বর্গদ্বারে মদনোমোহোনো
সেই লোকটি তার ভারি নামিয়ে রেখে শালপাতায় দুটি করে মদনমোহন দিল। সঙ্গে একটা কাঠি। মিষ্টিটা দেখতে বেশ অদ্ভুত। পান্তুয়ার শাঁসের মতো গায়ের রং। ডিজাইনটা শিবের কল্কের মতো। অপূর্ব তার টেস্ট। স্বাদে গন্ধে অতুলনীয় যাকে বলে। যেন জন্মজন্মান্তরেও ভুলিব না। এমন সুন্দর মিষ্টি আগে কখনও খাইনি। তার ওপর সমুদ্রের ধারে বসে খেলে যে কোনও জিনিসের স্বাদই কয়েকগুণ বেড়ে যায়। মদনমোহন খাওয়ার পর খেলাম পুরীর বিখ্যাত রাবড়ি। এর আগে যতবারই পুরী গেছি এই লোকগুলোকে মাটির হাঁড়িতে করে বিক্রি করতে দেখেছি। প্রবল ইচ্ছে হয়েছে জানার যে কী আছে ওই ভাঁড়গুলোতে। কিন্তু মা বাবার ভয়ে বলতে পারিনি। বর খাদ্যরসিক হওয়ায় সে ভয় ছিল না। আর সে কারণেই মদনমোহনের এমন স্বর্গীয় স্বাদ অনুভব করার সুযোগ এসে গেল। মদনমোহন নাম হওয়া তার সার্থক।
