শ্যামাপ্রসাদের বই নিজেরা পড়েছেন তো!‌

সরল বিশ্বাস গ্রন্থাগার দপ্তরকে কে কতখানি হাসির খোরাক করতে পারেন, এ যেন তার প্রতিযোগিতা চলছে। আর এই দপ্তর নিয়ে সরকারের যে তেমন মাথাব্যথা নেই, তাও বোঝা যায়। এমন এমন লোককে...

আগে আসল সমস্যা চিনুন, সিলেবাস নিয়ে পরে ভাববেন

এইসব কাজে প্রচার পাওয়া যায়। আসল সমস্যাকে গুলিয়ে দেওয়া যায়। নিজেদের দায়িত্বকে এড়ানোও যায়। কিন্তু সমস্যা যে তিমিরে ছিল, সেই তিমিরেই থেকে যায়।

যেন আয়নার সামনে দাঁড় করিয়ে দিয়ে গেলেন

‌একটি আত্মহত্যা যেন অনেক প্রশ্ন তুলে দিয়ে গেল। রাজনীতিতে শিক্ষিত ও ভদ্রলোকের বড়ই আকাল। সব দলেই এমন মানুষের সংখ্যা বেশি, যাঁদের দেখলে তেমন শ্রদ্ধা আসে না। সেই আবহেই কিছু মানুষ থাকেন, যাঁদের উপস্থিতি হয়তো সেভাবে বোঝা যায় না। হয়তো তাঁরা নিতান্তই কম সংখ্যায় থাকেন। তাই ঢাকা পড়ে যান।

সরকারকেও প্রশ্নের মুখে দাঁড় করিয়ে গেলেন আশিস ব্যানার্জি

রাজ্য রাজনীতি এমন এক আবহে এসে দাঁড়িয়েছে, যেখানে ভদ্রতা শব্দটা ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে। হাতে গোনা কিছু ভদ্রলোক যেন শিবরাত্রির সলতের মতো টিমটিম করে জ্বলছেন। তেমনই এক ভদ্রলোক ছিলেন আশিস ব্যানার্জি।...

হিটলারকে প্রত্যাখ্যানের সেই দিনটাও কিন্তু ১৫ আগস্ট

স্বরূপ গোস্বামী ভারতের জাতীয় ক্রীড়া দিবস কবে?‌ দিনটা হল ২৯ আগস্ট। এরকম একটা দিনকে বেছে নেওয়ার কারণ?‌ আসলে, এই দিনটা হল ধ্যানচাঁদের জন্মদিন। আন্তর্জাতিক আসরে ভারতের সবথেকে বেশি সাফল্য কোন...

এত নিয়মের ফিরিস্তি আগে তো শোনা যায়নি!‌

একই পরিবারে হয়তো বড় বউয়ের হয়নি, কিন্তু ছোট বউয়ের হয়েছে। এই বাড়িতে হয়নি, পাশের বাড়িতে হয়েছে। এর ফলে, একটা পারস্পরিক ঈর্ষাও তৈরি হচ্ছে। দুই গৃহবধূর মধ্যে একটা চাপা লড়াই তৈরি হয়ে যাচ্ছে। সরকার পক্ষ হয়তো যুক্তি দেখাবে, এত টাকা নেই। যুক্তি হিসেবে ভাল। কিন্তু প্রশ্ন উঠতেই পারে, টাকা যে নেই, সেটা ভোটের আগে জানা ছিল না?‌

‘জাস্টিস ফর আর জি কর’ কোথায় হারিয়ে গেল?

দু’বছর পরেও যদি তদন্ত শেষ না হয়, দু বছর পরেও যদি মূল প্রশ্ন অজানাই থেকে যায়, তাহলে এমন তদন্তকারি সংস্থা আদৌ রাখার দরকার আছে কিনা, সেই প্রশ্নটাই সবার আগে তোলা উচিত। বিচারের পথ যত দীর্ঘ হয়েছে, মানুষের আস্থা ততটাই কঠিন পরীক্ষার মুখে পড়েছে।

‌দু’‌ঘণ্টায় বাড়িতে কাগজ পৌঁছে যায়, দু’‌বছরে সিবিআইয়ের চার্জশিট তৈরি হয় না

সিবিআই কর্তাদের বরং খবরের কাগজে কয়েক মাসের জন্য ট্রেনিংয়ের জন্য পাঠানো হোক। কীভাবে দ্রুত কাজ করতে হয়, ভাল করে শেখানো হোক।

কানাইয়ালাল নয়, বিধানসভার ওপরই করুণা হচ্ছে

বিধানসভার সবথেকে মূল্যবান কমিটির চেয়ারম্যানের পদ আবার দলবদলুদের জন্যই। সরকার বদল হল। কিন্তু দলবদলু আর অযোগ্য লোকেদের মাথায় বসানোর প্রথা বন্ধ হল না। বহাল তবিয়তেই চলছে। কানাইয়ালালের প্রতি নয়, বিধানসভার প্রতিই বড় করুণা হচ্ছে।

জয় গোস্বামীর হেনস্থা দেখে এত বিকৃত উল্লাস?

রক্তিম মিত্র রবীন্দ্র সদনে সেদিন যাঁর ভিড় করেছিলেন, তাঁরা আসলে কারা? কেউ কেউ সত্যিই তসলিমা নাসরিনের অনুরাগী। কেউ কেউ মুক্তচিন্তার সমর্থক। কেউ কেউ সত্যিই সেদিন তসলিমাকে স্বাগত জানাতে গিয়েছিলেন। কিন্তু...