বুদ্ধবাবুকে দেখেও কি শেখা যায় না!‌

কীভাবে সরে যেতে হয়, বুদ্ধদেববাবু জানেন। কিন্তু অনেকেই জানেন না। তাই তাঁরা জোর করে পদ আঁকড়ে পড়ে থাকেন। মনে রাখবেন, বুদ্ধবাবু সরে দাঁড়ালেন তাঁর গ্রহণযোগ্যতা একটুও কমবে না। সবসময় মমতার সমালোচনা না করে দলীয় নেতারা বুদ্ধবাবুকে দেখেও তো কিছু শিখতে পারেন। লিখেছেন অমিত ভট্টাচার্য।।

যাক, আমার সামনে তো ঘটেনি

এগারোটার মধ্যেই ভোট শেষ করে দিতে হবে। এমন পরামর্শ কিনা এসেছিল খোদ সেক্টর অফিসারের কাছ থেকে। নিরাপত্তার আশ্বাস তো দূরের কথা। তাঁর কথায় কার্যত ছিল হুমকির সুর। ভোট কর্মীর ডায়েরি বিভাগে এমনই অভিজ্ঞতা মেলে ধরলেন স্নেহাংশু চৌধুরি।।

অধীর চোধুরিকে খোলা চিঠি

যত দিন যাবে, কংগ্রেসের মমতা–‌নির্ভরতা বাড়বে। রাহুল–‌সোনিয়া মমতাকে চটাবেন না। বিজেপি ছাড়া কোথায় বা যাবেন!‌ কিন্তু গিয়ে দেখবেন, মোদিবাবুরাও মমতার জন্য দরজা খুলেই রেখেছেন। তাঁরাও মমতাকে চটাতে চাইবেন না। সারদা–‌নারদা এসব তদন্তের গতি দেখেও বুঝতে পারছেন না?‌ মোহভঙ্গ হতে সময় লাগবে না। অধীর চৌধুরিকে খোলা চিঠি। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।।

প্রতিমাসে দুটি ই ম্যাগাজিন

জুন মাস থেকেই বেঙ্গল টাইমসে একটি বাড়তি সংযোজন। এবার থেকে প্রতিমাসে দুটি করে ই ম্যাগাজিন প্রকাশিত হবে। এর আগেও বিভিন্ন ইস্যুতে বেশ কয়েকটি ই ম্যাগাজিন প্রকাশিত হয়েছে। কোনওটি বিষয়ভিত্তিক। কোনওটি...