কিছু গান থাকে সীমান্তের কাঁটাতার পেরিয়ে অন্য পারে পৌঁছে যায়। এপার বাংলা না ওপার বাংলা, সব গুলিয়ে যায়। তাই আমি বাংলায় গান গাই এপারে যতটা জনপ্রিয়, ওপারেও ততটাই জনপ্রিয়। ওপারের মঞ্চে কী অবলীলায় গেয়ে উঠতে পারেন, ‘দুইজনাই বাঙালি ছিলাম/দেখ দেখি কাণ্ডখান/তুমি এখন বাংলাদেশি/আমারে কও ইন্ডিয়ান।’
এই ভাষা দেশকে জনগণমন ও বন্দেমাতরম দিয়েছে। এই ভাষা দেশকে সাহিত্যে একমাত্র নোবেল দিয়েছে। এই ভাষা দেশকে প্রথম অস্কার এনে দিয়েছে। তারপরেও নিজের ভাষাকে খাটো করার এমন চেষ্টা বোধ হয় বাঙালিই করতে পারে। তাই একটা নববর্ষ বা একটা একুশে ফেব্রুয়ারি শখের বাঙালি হয়ে উঠলে হবে না। বছরের বাকি দিনগুলোতেও বাঙালি হয়েই থাকতে হবে। বাঙালি হিসেবেই গর্ববোধ করতে হবে। এটাই হোক এবারের একুশের অঙ্গীকার।
ঠিক বলেছেন। মোদির কথায় আমেরিকা ওঠা–বসা করে। চীন, জাপান, রাশিয়া সবাই মোদির নাম শুনলেই কাঁপে। মোদি চাইলেই রাশিয়া–ইউক্রেন যুদ্ধ থামিয়ে দিতে পারেন। কিন্তু পাশের পুঁচকে দেশটা কেন যে পাত্তা দিচ্ছে না, কে জানে! সব ওই নেহরুর জন্য। নেহরু ছিল বলেই বাংলাদেশেই এই আস্পর্ধা।
বললাম, আমি আপনার ফ্যান। উনি হেঁসে বললেন, এমন ফ্যান যে চিনতেই পারছিলে না! আমি বললাম, না, মানে আপনাকে চোখের সামনে দেখে ঘাবড়ে গিয়েছিলাম। উনি বিশ্বাস করলেন। একটা বইয়ের পাতায় বেশ কয়েকটা সই দিয়েছিলেন। আরও একবার দেখা হয়েছিল। অনেক লোকের মাঝেও উনি ঠিক চিনতে পেরেছিলেন।
১৩ ফেব্রুয়ারি। বিশ্ব বেতার দিবস। অনেকের স্মৃতিতে রয়ে গেছে কাঠের বাক্সের সেই রেডিও। এখন রেডিওতে মন কী বাত হয়। কিন্তু সেই ফেলে আসা রেডিওকে নিয়ে আমাদের মনের কথাটা ঠিক কী? নস্টালজিয়ায় মোড়া দারুণ এক লেখা উপহার দিলেন সন্দীপ লায়েক।
আচ্ছা, চন্দ্রিমা কি ক্যাবিনেট মন্ত্রী? উত্তর হল, ‘না’। তাহলেই ভেবে দেখুন, যিনি বাজেট পেশ করলেন, যাঁর হাতে রয়েছে অর্থ দপ্তর, তিনি ক্যাবিনেট মন্ত্রীই নন। রাজ্যে প্রায় তিরিশজন ক্যাবিনেট মন্ত্রী আছেন। সেই তালিকায় চন্দ্রিমার নাম নেই। অথচ, তিনি কিনা অর্থমন্ত্রী।
তৃষাণ সেনগুপ্ত সেলফি তুললে আপনাকে খুব বাজে লাগে। কখনও এই কথাটা কেউ আপনাকে বলেছে? বলেনি? তাহলে জেনে রাখুন, আপনার ভাল বন্ধুর বড়ই অভাব। অথচ, সেলফি তোলার কী তীব্র আকাঙ্ক্ষা! বেড়াতে...
রাত জেগে সেই বিশ্বকাপ দেখা। কৈশোরের সেই রোমাঞ্চই আলাদা। কিন্তু কীভাবে এল এই অভ্যেস? কে তৈরি করেছিলেন? স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে এমনই এক ব্যতিক্রমী শিক্ষকের কথা উঠে এল। পড়ুন, ভাল লাগবে।।
সেদিন তুমি বলেছিলে। আজ আমি বলছি। বোরিয়াদা, নেবে একটা ইন্টারভিউ! না নিলে কিন্তু খুব খারাপ হয়ে যাবে।
এই বই মোটেই ইয়র্কশায়ারের ‘চিরতরুণ’ বয়কটের জীবনী নয়। নেট ঘেঁটে তুলে আনা বহুচর্চিত ঘটনার সংকলনও নয়। তাহলে এই বইয়ে আছেটা কী? প্রথম দুই অনুচ্ছেদ থেকে তার কিছুটা আভাস নিশ্চয় পাওয়া যাচ্ছে। ৪৪ বছরের নিবিঢ় বন্ধুত্বের পর যে বইয়ের জন্ম হয়, তার দুই মলাটের ভেতর কী থাকতে পারে, নিজেরাই ভেবে নিন। আমাদের কুয়োর জীবনে হঠাৎ করেই যেন মহাসমুদ্রের হাতছানি। সাঁতার দিতে দিতে অতল গভীরে পৌঁছে যাওয়া। যেখানে অন্তত সবজান্তা গুগল বাবাজীবনের প্রবেশাধিকার নেই।