একেনবাবুকে এত ঝামেলায় ফেলার কী দরকার!‌

একটা খুন দিয়ে শুরু। দেখতে দেখতে গোটা পাঁচেক খুন হয়ে গেল। ঘেঁটে ঘ হয়ে যাওয়ার পক্ষে যথেষ্ট। বেচারা একেনবাবু নিপাট ভাল মানুষ। একটু ভোজনসরিক। একটু স্বভাবরসিক। তাঁকে এই ঝামেলায় না ফেললেই চলছিল না!‌ এত কঠিন অঙ্ক দেওয়া কেন বাপু!‌ গোয়েন্দা কাহিনীকে ‘‌পোক্ত’‌ করতে পাঁচখানা খুনের কী দরকার ছিল?‌ দু–‌তিনটে খুন হলে বুঝি গোয়েন্দার মান ইজ্জত থাকত না!‌

রোহিতের ব্যাটে বসন্ত এল, এবার চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিও আসুক

রোহিতও বারবার অল্প রানে ফিরে যাচ্ছিলেন। এটা মনের ওপর মারাত্মক চাপ ফেলছিল। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফির আগে সেই চাপ কাটিয়ে ওঠা একান্তই জরুরি ছিল। তাই কটকের শতরানটা নিছক একটা শতরান নয়। তার থেকে অনেক বেশি কিছু। দলের অধিনায়ক যদি আত্মবিশ্বাসী না থাকেন, তাহলে তার প্রভাব গোটা দলের ওপরই পড়ে। রোহিত রান পাওয়ায় অনেকটাই যেন স্বস্তি ফিরে এল। চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিতে রোহিতকে আবার স্বমহিমায় দেখতে চাই।

বই চুরিতে পিছিয়ে নেই বিদেশিরাও

শেষদিন। সেদিনেরও লিড স্টোরি লেখার দায়িত্ব আমার উপর। শেষদিন মানে, কেমন একটা মন খারাপের ব্যাপার। এতদিনের এত ব্যস্ততা, বইপ্রেমীদের এই উৎসব, সব যেন অতীত হয়ে যাবে। বিদায় বেলার একটা করুণ সুর যেন বেজে উঠবে। মূলত এইরকম আবেগের ছোঁয়া দিয়েই লিড স্টোরিটা লেখা হয়েছিল। আগের রাতেই বাড়ি থেকে লিখে ফেলেছিলাম। সকালে সেটা প্রেসে যাবে।

এমন ব্যর্থতার পরেও ধন্য ধন্য করবেন!‌

সুমন মণ্ডল একটা কথা শুরুতেই বলে ফেলা যাক, বাজেটের আমি কিছুই বুঝি না। বাজেট বুঝতে গেলে যে অর্থনৈতিক জ্ঞানগম্যি থাকতে হয়, আমার অন্তত তা নেই। তাই কোথায় সাফল্য, কোথায় ব্যর্থতা,...

রনজিতে খেলে যেন ধন্য করে দিলেন

হেমন্ত রায় একেবারে সঠিক জায়গাতেই বারবার আলো ফেলেছেন সুনীল গাভাসকার। তারকা ক্রিকেটারদের ঘরোয়া ক্রিকেটে আরও বেশি করে খেলানো হোক। বিরাট কোহলি, রোহিত শর্মার মতো তারকারা প্রায় এক দশক ধরে ঘরোয়া...

‌আস্ত একটা মুড়ির মেলা বসে নদীর ধারে

অন্তরা চৌধুরি বাঁকুড়ার লোকের মুড়ি খাওয়া নিয়ে যে যতই কুৎসা করুক, শুধু মুড়ি খাওয়াকে কেন্দ্র করেই বাঁকুড়াতে একটা আস্ত মুড়ি মেলা হয়। এই মেলার বয়স প্রায় দুশো বছর। মাঘ মাসের...

বই তো কিনলেন, তারপর!‌

শুধু যে নতুন বই নিয়েই আলোচনা, এমন নয়। বইটি হয়ত পাঁচ বছর আগের, কিন্তু আপনি নতুন কিনলেন, নতুন পড়লেন। সেই অভিজ্ঞতাও উঠে আসতে পারে। সার্বিকভাবে বইমেলার নানা গল্প ও অভিজ্ঞতাও উঠে আসতে পারে।

বাংলাদেশ নেই, দীর্ঘশ্বাস আছে

বিভেদকামীদের প্ররোচনা সরিয়ে আবার সাহিত্যের আঙিনায় সম্প্রীতি ফিরে আসুক। স্বমহিমায় ফিরে আসুক বাংলাদেশের প্যাভিলিয়ন। বাংলাদেশের প্যাভিলিয়ন ছাড়া কলকাতা বইমেলা অসম্পূর্ণ।

বইমেলার থিম!‌ আসলে ঘোড়ার ডিম

আচ্ছা, কলকাতা চলচ্চিত্র উৎসবে কি চীনের সিনেমা, ইরানের সিনেমা ইত্যাদি থিম থাকে? খাদ্য মেলায় কি মোগলাই খাবার, ইতালিয়ান খাবার ইত্যাদি থিম থাকে? থাকে না। মেলা মানে হরেক জিনিস ছড়িয়ে থাকবে। যার যেটা খুশি কিনবে। মেলার আবার থিম কী হে?

পড়া আর শোনা দিব্যি মিশে গেছে

বইমেলা মানেই বইয়ের সমুদ্র। একেক স্টলে হাজার হাজার বই। ক্রেতারা এসে লাইন দিয়ে কিনে নিয়ে যাচ্ছেন। পরের দিন আবার হাজির হয়ে যাচ্ছে নতুন নতুন বই। সবমিলিয়ে বইয়ের সংখ্যা কত?‌ কোটি...