মংপুতে তিনবার গিয়েছিলেন রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর। থাকতেন মৈত্রেয়ী দেবীর বাড়িতে। বাড়িতে না বলে কোয়ার্টারে বলাই ভাল। মৈত্রেয়ী দেবীর স্বামী চাকরি করতেন কুইনাইন ফ্যাক্টরিতে। তাঁর বাংলোতেই অতিথি হয়ে উঠতেন বিশ্বকবি। তখন জীবনের প্রান্তবেলা। ঘুরে বেড়ানোর তেমন সামর্থ্য নেই। পাহাড়ি সেই জনপদে বাঙালি প্রায় ছিল না বললেই চলে। অধিকাংশই নেপালি। ফলে, রবীন্দ্রনাথ কী লেখেন, সেসব বোঝা তাঁদের কম্ম নয়। তবু সকাল থেকেই বাড়িতে ভিড় লেগে যেত। আসলে, কবির কাছে নয়, তাঁরা আসতেন ডাক্তারের কাছে। এখানে রবি ঠাকুরের পরিচিতি ছিল হোমিওপ্যাথি ডাক্তার হিসেবে। তিনি এই পাহাড়ি মানুষদের হোমিওপ্যাথি চিকিৎসা করতেন, ওষুধ দিতেন।
তাঁকে অপছন্দ করতে পারেন। অপদার্থ বলতে পারেন। নিকম্মাও বলতে পারেন। কিন্তু silence Is golden. তাঁর নীরবতাকে সম্মান করুন। পারলে অনুসরণ করুন। তাঁর মৃত্যুর পর শোক জানানোর যে ঘটা, যেভাবে সবাই ভাষণ দিয়ে চলেছেন, বোঝাই যাচ্ছে, তাঁরা মনমনোহন সিংকে আদৌ চেনেননি।
সত্যিই কি ‘কাকু’ সঙ্কটজনক! আসলে, সঙ্কটজনক অবস্থা হল সিবিআই আর ইডি–র। কাকু নয়, এই দুই কেন্দ্রীয় এজেন্সিই আসলে ভেন্টিলেশনে রয়েছে। এই দুই এজেন্সি নিজেদের এমন স্তরে নামিয়ে এনেছে, তাদের আদৌ শ্বাস–প্রশ্বাস চলে কিনা সেটাই সন্দেহ। কিছু পেটোয়া চ্যানেল যেন তাদের ভেন্টিলেশন দিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছে।
কলকাতার ফুটবলে মজিদ বাসকারের উপস্থিতি বড়ই ক্ষণস্থায়ী। এসেছিলেন শিল্পের ছটা নিয়ে। রঙিন ক্যানভাসে কোনও শিল্পী যেন তুলির আঁচড় কেটে দিচ্ছেন। কিন্তু বেহিসেবি জীবনযাপন ময়দানের মূল স্রোত থেকে তাঁকে অনেকটাই...