পলাশ দেখতে নয়, শীতের সময় আসুন
হোলির ঠিক আগে যেন বাঁকুড়া–পুরুলিয়ায় যাওয়ার ধুম লেগে যায়। ট্রেনে টিকিট পাওয়া যায় না। হোটেলে ঘর পাওয়া যায় না। সব নাকি অনেক আগে থেকেই বুকড। সবার ধারণা, এই সময়টায় নাকি বাঁকুড়া বা পুরুলিয়া যাওয়ার আদর্শ সময়। কিন্তু যাঁরা গেছেন, তাঁরা হাড়ে হাড়ে টের পেয়েছেন।
চার্জশিটে ভাইপো দেখে উল্লসিত হবেন না, আবার হতাশ হতে হবে
আবার প্রমাণিত হবে, সিবিআই আসলে ছড়িয়ে লাট করেছে। তাঁদের বাঁচানোর লোকেরা যতদিন থাকবেন, সিবিআই সত্যিই কিছু করে উঠতে পারবে না। চার্জশিটে দু চার লাইনের ফুটনোট দেওয়া হবে। বড়জোর টিভি চ্যানেলকে আলোচনার একটু খোরাক দেওয়া হবে। এর বেশি সিবিআইয়ের কিছুই করার নেই। অন্তত গত দশ বছরে তাদের যা ধারাবাহিকতা, তাতে কোনও প্রত্যাশা না রাখাই ভাল।
হার্দিক, তোমার হৃদয় নাই
শিমূলতলায় নৈশ অভিযান
উঠল বাই, শিমূলতলা যাই। হঠাৎই চলে যাওয়া। তাও প্রায় দুই দশক আগে। সারাদিন টেনে ঘুম, রাতে হ্যাজাক নিয়ে বেরিয়ে পড়া। এমনই নৈশ অভিযানের স্মৃতি উঠে এল সৌম্যদীপ সরকারের লেখায়।
তিনি কতটা ব্রাত্য, হাড়ে হাড়ে বুঝলেন অভিষেক
মনে মনে ক্ষুব্ধ হতেই পারেন। কিন্তু কিছুই করার নেই। অপমানিত হয়েও দলেই থাকতে হবে। হাতে পুলিশ না থাকলে, পাশে পিসি না থাকলে তাঁর কোনও মূল্যই নেই, গত কয়েক মাসে এটুকু অন্তত প্রমাণিত। এতদিন যাঁরা গ্যাস দিতেন, তাঁরা কী বেমালুম কেটে পড়েছেন। স্বপ্নের উড়ান থেকে আপাতত বাস্তবের রুক্ষ মাটিতে। তিনি নিছক একজন সাংসদ, এই তকমা নিয়েই আপাতত ঘাপটি মেরে থাকতে হবে। পরে ‘সুসময়’ আসতেই পারে। আবার সর্বেসর্বা হয়ে উঠতেই পারেন। কিন্তু আপাতত অচ্ছুৎ হয়েই থাকতে হবে।
আপনার জীবনে বাংলা কতটুকু?
বেঙ্গল টাইমস। ই ম্যাগাজিন। ২১ ফেব্রুয়ারি সংখ্যা
আবার একটা একুশে ফেব্রুয়ারি। বাঙালির গর্বের দিন। একদিকে অশান্ত ওপার বাংলা। অন্যদিকে, চিরঘুমের দেশে আমি বাংলায় গান গাই–এর স্রষ্টা প্রতুল মুখোপাধ্যায়। রাজনীতি, সাহিত্য, বিনোদন, খেলা, ভ্রমণ— সবমিলিয়ে বেঙ্গল টাইমসের এবারের সংখ্যা।
কালীঘাটের কাকুকে এবার ‘বঙ্গরত্ন’ দেওয়া হোক
আচ্ছা, রাজ্য পুলিশ যখন প্রমাণ লোপাট করে, তখন রাজ্য সরকারের সমালোচনা করি কেন? কারণ, রাজ্য পুলিশ সরকারের নির্দেশেই চলে। ঠিক তেমনই, সিবিআই–কে যা নির্দেশ দেওয়া হয়, তারা ঠিক সেটাই করে। কোন তদন্ত কতদূর এগোনো যাবে, কোন স্তর পর্যন্ত গিয়ে থেমে যেতে হবে, এটা তাঁরা বিলক্ষণ বোঝেন।
সিবিআই–কে যেন কে চালান?
ক্রিকেটকে ঘিরে এই ঘৃণার চাষ খুব জরুরি!
রাজনীতির ব্যাপার রাজনীতির লোকেরা বুঝুন। তার সঙ্গে খেলাকে না জুড়লেই নয়! নিজেরা সমস্যা মেটাতে পারছেন না। সেই ব্যর্থতার বোঝা খেলাধূলার ওপর কেন চাপাচ্ছেন? যে সম্প্রীতি আপনারা আনতে পারেননি, তা ক্রিকেটাররাই পারেন। ওঁদের খেলতে দিন। এই দমবন্ধ আবহে ওঁরা অন্তত তাজা অক্সিজেন আনতে পারবেন।
