শ্রমিকরা রাজ্যেই থাকুন

এক রাজ্যের শ্রমিক অন্য রাজ্যে যায় কেন?‌ সহজ কথা, কাজের খোঁজে। শুধু যে শ্রমিকরা যান, এমন তো নয়। ডাক্তারি বা ইঞ্জিনিয়ারিং পাশ করেও অনেকে উন্নততর কাজের খোঁজে ছুটে যান ভিন দেশে বা ভিন রাজ্যে। ঠিক তেমনই শ্রমিকরাও যান। হয়তো শ্রমিকের সংখ্যাটা অনেক বেশি। অনেক রাজ্য আছে, যেখানে কাজ আছে, কিন্তু পর্যাপ্ত শ্রমিক নেই। অনেক রাজ্য আছে, যেখানকার শ্রমিকরা কাজের খোঁজে চলে যান দুবাই বা আরব দুনিয়ায়।

বইমেলা সংখ্যা ২০২৪

বেঙ্গল টাইমসও হাজির বিশেষ বইমেলা সংখ্যা নিয়ে। নানা আঙ্গিকের লেখায় বইমেলার আবেগকে একটু ছুঁয়ে দেখার চেষ্টা। পুরো ই–‌ম্যাগাজিনটি পিডিএফ ফাইলে আপলোড করা হল। সহজেই ডাউনলোড করতে পারেন। সহজেই পড়তেও পারেন। নীচে দেওয়া হল ওয়েব লিঙ্ক। এখানে ক্লিক করলেই খুলে যাবে ই–‌ম্যাগাজিন। এমনকী প্রচ্ছদের ছবিতে ক্লিক করেও পড়ে ফেলা যায় এই বিশেষ বইমেলা সংখ্যা।

‌ আমার ঠিকানা ওই লিটল ম্যাগাজিনের প্যাভিলিয়ন

এই লিটল ম্যাগাজিন প্যাভিলিয়নও আসলে একটা সমুদ্র। কত বিষয় সম্ভার। কত নানা ধরনের ভাবনার সংকলন। বড় বড় প্রকাশনা সংস্থা হয়তো এসব নিয়ে বই করার সাহসই দেখাবে না। কারণ, এসব বইয়ের বাজার নেই। কিন্তু এই লিটল ম্যাগের লোকগুলো নাছোড়বান্দা। তাঁরা ভাল করেই জানেন, কেউ পড়বে না। টাকা উঠে এল কিনা, তাঁরা পরোয়াও করেন না। তাঁদের যা ভাল লাগে, তাঁরা তাই করেন।

বুকে হাত দিয়ে বলুন তো, নেতাজিকে চেনেন!‌

কাউকে মহান করতে গিয়ে অন্যদের ছোট করতে বাঙালির জুড়ি নেই। নেতাজিকে মহান করতে গিয়ে আমরা কত লোককে অহেতুক ছোট করি। আমাদের যত আগ্রহ নেতাজির মৃত্যু নিয়ে। কথা বললেই বোঝা যায়, নেতাজি সম্পর্কে এঁরা প্রায় কিছুই জানেন না। লিখেছেন সুমিত চক্রবতী।।

বাংলা সাহিত্যের মুশকিল আসান

সাহিত্য নিয়ে যাঁদের কোনও আগ্রহ নেই, কোনও লেখক সম্পর্কে যাঁদের কোনও আগ্রহ নেই, তাঁদের এই বই কোনও কাজে লাগবে না। কিন্তু যাঁরা সাহিত্য ভালবাসেন, সাহিত্যিকদের ভালবাসেন, তাদের চিঠি লিখতে বা...

নন্দ ঘোষের কড়চা:‌ থিম তো নয়, ঘোড়ার ডিম

এবার বোধ হয় সম্বিত ফিরেছে। স্প্যানিশ সাহিত্য থেকে এবার তাঁরা ইংরাজি সাহিত্যে ফিরেছেন। মানে, থিম হয়েছে ব্রিটেন। থিম না ঘোড়ার ডিম। ব্রিটিশ প্যাভিলিয়নের বাইরে দাঁড়িয়ে সেলফি তোলার মজাই আলাদা। সামনে অনেকটা ফাঁকা জায়গাও রাখা আছে। আচ্ছা, ওখান থেকে কজন বই কিনলেন!‌ খুব জানতে ইচ্ছে করে। তবে, কোস্টারিকা, গুয়াতেমালার থেকে অন্তত থিম হিসেবে ব্রিটেন মন্দ নয়।

নেতাজি মূর্তি ও সন্দীপনের সেই ঐতিহাসিক উক্তি

বেঙ্গল টাইমস প্রতিবেদন:‌ ‌কলকাতার নানা প্রান্তে নানা মূর্তি। কোথাও লেনিন তো কোথায় গোষ্ঠ পাল। কোথাও উত্তম কুমার তো কোথাও অরবিন্দ। কোথাও বঙ্কিমচন্দ্র তো কোথাও নেতাজি। এই শহরে নেতাজি মূর্তি বলতে...

অযোধ্যা নয়, দাদু–‌নাতিতে বইমেলায়

অনেক হল ধর্মচর্চা। আমার তাহলে করণীয় কী?‌ ঠিক করে নিলাম, আজ টিভি দেখব না। কাগজে এই সংক্রান্ত কোনও খবরও পড়ব না। যাঁরা এতে মেতে আছে, মেতে থাকুক। আমি ঠিক করলাম, বইমেলায় যাব। আমি থাকি মফস্বলে। এখান থেকে শিয়ালদা প্রায় একঘণ্টার পথ। যাওয়ার সময় তেমন সমস্যা নেই। কিন্তু ফেরার সময় বিস্তর ভিড়। তাছাড়া, বয়সটাও তো বাড়ছে। তবু ঠিক করে নিলাম, বইমেলাই যাব। সঙ্গে নিলাম দশ বছরের নাতিকে। শুধু নিজে টিভির ওই অযোধ্যা–‌প্লাবন থেকে দূরে থাকলেই হবে না। মনে হল, ছোট্ট নাতিটাকেও এর থেকে দূরে রাখা দরকার।

বেঙ্গল টাইমস। ১৭ জানুয়ারি সংখ্যা

পাহাড় সংখ্যার পর এবার অভিমুখ একটু অতীতমুখী। কিংবদন্তি জ্যোতি বসুর মৃত্যুর পনেরো বছর। সেই মানুষটাকে একটু ফিরে দেখা। আবার হয়ে গেল বামেদের ব্রিগেড সমাবেশ। সেদিকেও কিছুটা আলো ফেলার চেষ্টা। সেইসঙ্গে...

সব চা একইরকম, প্যাকেটগুলো আলাদা

বাকিরা ইংরাজিতে বললেও জ্যোতিবাবু সেদিন পরিষ্কার বাংলাতেই বলেছিলেন। বাকিরা চায়ের জগতের দিকপাল। চা সম্পর্কে তাঁদের বিস্তর জ্ঞান উগরে দিচ্ছিলেন। জ্যোতিবাবুও চাইলে সেক্রেটারিকে দিয়ে চা নিয়ে একটা জ্ঞানগর্ভ ভাষণ তৈরি করে আনতে পারতেন। চায়ের বাণিজ্য, চা শিল্পের সম্ভাবনা, সঙ্কট, সরকারি পরিকল্পনা–‌এসব নিয়ে নিজের ঢাক পেটাতে পারতেন। কিন্তু তিনি সেই রাস্তাতেই গেলেন না। একেবারে সহজ–‌সরল, সাদামাটা ভাষায় নিজের অনুভূতি তুলে ধরলেন।