সঙ্গীদের দেখেই বোঝা যায়, জ্যোতিবাবু কেমন ছিলেন

জ্যোতিবাবুর কথা বলতে গিয়ে তাঁর চেলাদের কথা এত বলছি কেন? কারণ, একটা মানুষ কেমন, সেটা তাঁর সঙ্গীসাথীদের দেখেই বোঝা যায়। এই যে এতজনের কথা বললাম, এঁদের কাউকে আপনি অসৎ বলতে পারবেন না। এঁরা কেউ কিন্তু গাড়ি, বাড়ি বা টাকার জন্য রাজনীতি করতে আসেননি। অন্য পেশায় অনেক সফল হতে পারতেন। সব হাতছানি ছেড়ে এসেছেন। জ্যোতিবাবু ছিলেন এঁদের নেতা। এঁদের দেখেই বোঝা যায়, জ্যোতিবাবু কেমন ছিলেন।

‌পড়া আর শোনা দিব্যি মিশে গেছে

গত কয়েক বছরে পড়ার ছবিটাই যেন বদলে গেছে। প্রযুক্তি নানা দরজা খুলে দিয়েছে। প্রথমত, এখন বাঙালির বই কেনা আর শুধু বইমেলা নির্ভর নয়, এমনকী কলেজ স্ট্রিট নির্ভরও নয়। অনলাইনে সারা বছরই বই পাওয়া যায়। ঘরে বসেই অর্ডার দেওয়া যায়। ঘরে বসেই পাওয়াও যায়। সারাবছরই এই কেনাকাটা চলছে।

জ্যোতিবাবু থাকলে ফেসবুক ছেড়ে মানুষের কাছেই যেতেন

এ বছর তবু নিউটাউনে বিশেষ অনুষ্ঠান রয়েছে। জ্যোতিবাবুর নামে রিসার্চ সেন্টারের শিলান্যাস। খুব ঘটা করেই অনুষ্ঠান হওয়ার কথা। কিন্তু এতে মানুষের মধ্যে ইতিবাচক সাড়া পড়বে বলে মনে হয় না। কারণ, কবে এই ভবন তৈরি হবে, সেই ভবন সাধারণ মানুষের কী কাজে আসবে, সংশয় থেকেই যায়।

ক্যাপ্টেন, দেখা হবে তোমায় আমায় অন্য গানের ভোরে

এই ব্রিগেডের কথা!‌ অনেকদিন মনে থাকবে। এই ব্রিগেড থেকে একবুক অক্সিজেন নিয়ে ফিরলাম। মনে হল, দিনটা সার্থক। এলাকার কোনও মিটিং বা মিছিলে হয়তো এরপরেও আমাকে দেখা যাবে না। চায়ের দোকানের তর্কেও হয়তো গুটিয়েই থাকব। তবু মনে মনে এই দলটাকে যেন আরও একটু ভালবেসে ফেললাম।

এই ব্রিগেডে অনেকটাই সদয় ছিল মূলস্রোত মিডিয়া

এটা বামেদের কাছেও বড় একটা শিক্ষা। ঠিকঠাক দাবি নিয়ে জমায়েত হলে, তরুণ ব্রিগেডকে সামনে এগিয়ে দিলে, মানুষের মনে ইতিবাচক ছাপ ফেলা যায়। মিডিয়াকে গালমন্দ অনেক হয়েছে। অন্তত এই ব্রিগেডের পর একটা ধন্যবাদও কিন্তু মূলস্রোত মিডিয়ার প্রাপ্য।

পড়া আর শোনা দিব্যি মিশে গেছে

যাঁরা হয়ত হাতে বই নিয়ে পড়তেন না, তাঁরা বাসে বা ট্রেনে যেতে যেতেও দিব্যি শুনে নিচ্ছেন পছন্দের গল্প, উপন্যাস। তাঁরা হয়তো প্রত্যক্ষ পাঠক নন। কিন্তু পরোক্ষ পাঠক তো বলাই যায়। এই ইউডিউব আর অডিও বুকের হাত ধরে যদি বাংলা সাহিত্যে কানের মধ্যে দিয়ে মনে ঢুকে পড়ে, মন্দ কী?‌

ওখড়ে সুন্দরীর কোলে দু’‌রাত

কাছাকাছি পায়ে হেঁটে গ্রাম ঘুরতে বেশ ভালো লাগল। সঙ্গে এবার বাপানও যোগ দিয়েছে। শান্ত, নিরিবিলি। মাঝে মাঝে ফেয়ারি টেলসের বাড়ির মতো রঙিন ছোট্ট ছোট্ট বাড়ি। শরতের মতো নীল আকাশ মাঝে মাঝে সাদা মেঘ ভেসে বেড়াচ্ছে। নানা রঙের প্রেয়ার ফ্ল্যাগ উড়ছে। রাস্তার দু’‌পাশে আপন খেয়ালে রংবেরংয়ের ফুল ফুটে আছে। কোনও যত্ন ছাড়াই বড় হচ্ছে তারা।

সরকারই যেন কুস্তি লড়তে নেমেছে

কুস্তিটা আসলে কার সঙ্গে কার?‌ মনে হতেই পারে, কুস্তি ফেডারেশনের নির্বাচনে কে জিতলেন, তাতে কুস্তিগিরদের কী যায় আসে!‌ যদি যায় আসেও, তাহলে কেউ পদ্মশ্রী ফিরিয়ে দিচ্ছেন, কেউ খেলরত্ন ফিরিয়ে দিচ্ছেন।...

শেষ পাতা যেন শেষ পাতাতেই আটকে গেছে

একটা কথা প্রায়ই শোনা যায়। এখন নাকি মানুষ কাগজ পড়ে না। অভিযোগটা হয়তো আংশিক সত্যি। কিন্তু কাগজের পাতা তো বেড়েছে। আট পাতা থেকে ষোল বা কুড়ি পাতা হয়েছে। আনুপাতিক হারে তো খেলার জন্য চার বা পাঁচ পাতা বরাদ্দ থাকার কথা। সেটা কমতে কমে এক পাতায় নেমে এল কেন?‌ সত্যিই কি মানুষ পড়ছে না বলে খবর কমে যাচ্ছে?‌ নাকি উল্টোটা?‌ আকর্ষণীয় খবর থাকছে না বলে পাঠক আগ্রহ হারাচ্ছেন?‌