মিডিয়া সমাচার

একজন অভিনেতা বা খেলোয়াড় বা সাহিত্যিক যদি পারফর্মার হয়ে থাকেন, তবে একজন সাংবাদিকও পারফর্মার। কোনও রাজনৈতিক দল বা কোনও ক্লাব নিয়ে যদি আলোচনা হয়, তাহলে কাগজ বা চ্যানেলও একটি প্রতিষ্ঠান। তাদের নিয়েও আলোচনা হতে পারে। প্রাণ খুলে প্রশংসাও করতে পারেন। আবার ভাল না লাগলে সমালোচনাও করতে পারেন।

রাজ্যসভায় কিছুটা হলেও শোধরানোর ইঙ্গিত

কে এই প্রার্থীদের নির্বাচন করলেন?‌ মমতার ভূমিকা কতটা?‌ অভিষেকের ভূমিকাই বা কতটা?‌ আবার আইপ্যাকের পরামর্শ কতখানি মানা হয়েছে?‌ জানা নেই। তবে, প্রার্থী নির্বাচনের ক্ষেত্রে এই প্রথম কিছুটা সাবালকত্বের পরিচয় দিল শাসকদল।

আজীবন গর্ব করে বলব, আমাদের একটা সানি ছিল

আমরা গর্ব করে বলি, আমাদের একটা গাভাসকার ছিল। এই গর্ব আজীবন বয়ে বেড়াতে চাই। আমরা শচীন, কোহলিকে ভালবাসি। তাঁদের জন্যও গর্ব করি। কিন্তু শ্রেষ্ঠত্বের প্রশ্ন এলে চোখ বুজে মনে পড়ে দশ হাজার রানের সেই দৌড়টা। লিখেছেন সবুজ সরকার।

‘‌জ্যোতি বসু, ছোট্ট নাম, কী বিরাট ব্যক্তিত্ব’‌

সোশ্যাল মিডিয়ায় আচ্ছন্ন প্রজন্মের পক্ষে বোঝা সম্ভব নয়, জ্যোতি বসু ঠিক কেমন ছিলেন। সিলেবাসেও নিজেকে ঢোকানোর চেষ্টা করেননি। ইউটিউব বা সবজান্তা গুগল ঘাঁটলেও বিরাট কিছু পাবেন না। ঢালাও বিজ্ঞাপন দিয়ে প্রচারের আনুকূল্যে জ্যোতি বাবুদের ভেসে থাকতে হয় না। তাঁরা থেকে যান কাজে। তাঁরা থেকে যান চেতনায়। ‘‌জ্যোতি বসু, ছোট্ট নাম, কী বিরাট ব্যক্তিত্ব’‌।‌ লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।

জ্যোতিবাবু জঙ্গলের বড় বাঘের মতো

কয়েক বছর আগে, জ্যোতি বসুর জন্মদিনে ইজেডসিসি-তে একটি অনুষ্ঠান। সেখানে জ্যোতি বাবুকে শ্রদ্ধা জানিয়ে একটি ভাষণ দিয়েছিলেন বর্ষীয়াণ সাহিত্যিক বুদ্ধদেব গুহ। একেবারে ভিন্নধর্মী একটি ভাষণ। বেঙ্গল টাইমসে সেই লেখাটি প্রকাশিত হয়েছিল। এখনও মাঝে মাঝেই সোশ্যাল মিডিয়ায় আপন খেয়ালে লেখাটি ঘুরে বেড়ায়। সেই লেখাটি তুলে ধরা হল।

আসল নায়কেরা আড়ালেই থাকেন

স্বরূপ গোস্বামী ‌২০১৫–‌র জানুয়ারি। ভারত তখন অস্ট্রেলিয়া সফরে। তিনটি টেস্ট হয়ে গেছে। এ‌কটা তখনও বাকি। হঠাৎ সাজঘরে সতীর্থদের জানিয়ে দিলেন, ‘‌তোমাদের একটা কথা জানাতে চাই। আমি আর টেস্টে খেলব না।...

শুরুর আগেই বর্ণহীন হয়ে গেল বিশ্বকাপ

সেই ওয়েস্ট ইন্ডিজ এবার বিশ্বকাপে খেলবে না!‌ এখনও মন থেকে মেনে নিতে পারছি না। গতবারও তাদের কোয়ালিফাইং রাউন্ডে খেলেই উঠে আসতে হয়েছিল। এমনকী দশ দলের মধ্যে ছিল ন’‌নম্বরে। তবু তো তারা ছিল। তবু তো মনে হচ্ছিল, লয়েড, রিচার্ডস, লারাদের উত্তরাধিকারীরা আছেন। ক্রিস গেল একটা ছক্কা মারলেই কেমন একটা ভাল লাগা তৈরি হত। কৈশোরের সেই দিনগুলো যেন একটু হলেও উকি দিয়ে যেত। এবার কেমন যেন একটা শূন্যতা নেমে আসবে। এই প্রজন্ম হয়ত বুঝবেও না, ওয়েস্ট ইন্ডিজ মানে আসলে কী। কিন্তু আমার মতো অনেকেই আছেন, যাঁরা একসময় রিচার্ডস–‌মার্শালদের ভালবেসেছিলেন। তাঁদের কাছে এবারের বিশ্বকাপ যেন অনেকটাই বর্ণহীন। ‌

সব্যসাচীরা এত সাহস পান কোত্থেকে?‌

দোষটা সব্যসাচীর নয়। তিনি কেমন, সবাই জানেন। এটা জানার পরেও যাঁরা তাঁকে বিধান নগরের মতো জায়গার চেয়ারম্যান করেন, লজ্জাটা তাঁদেরই পাওয়া উচিত। আসল ঘৃণা, আসল ধিক্কারটা তাঁদেরই প্রাপ্য।

নির্বাচকদের কাজে কোনও ধারাবাহিকতাই নেই

নির্বাচকরা কোন নীতিতে সামনে রেখে দল গড়তে চাইছেন, সেটাই পরিষ্কার নয়। সেইসঙ্গে পুজারা সম্পর্কে নির্বাচকরা কী ভাবছেন, সেটাই অন্তত পুজারার কাছে পরিষ্কার হওয়া দরকার। একশো টেস্ট খেলা একজন ক্রিকেটারকে নিয়ে এভাবে ছিনিমিনি খেলা ঠিক নয়। যদি মনে হয়, পুজারাকে আর দরকার নেই, সেটা সম্মানজনক পদ্ধতিতে হোক। দুম করে বাদ দেওয়াটা খুব একটা শোভনীয় নয়। নির্বাচকরা ঠিক করে নিন, তাঁরা সামনে তাকাতে চান নাকি পেছনে?‌ নিজেরাই নিজেদের সিদ্ধান্তকে প্রশ্নের মুখে ফেলে দিচ্ছেন। এটা কাম্য নয়।

পুরুলিয়ার মানুষকে নিয়ে এই হেলেফেলা আর কতদিন!‌

দিলীপ মাহাত পুরুলিয়াকে বলা হয় পিছিয়ে পড়া জেলা। আসলে, মূল শহর থেকে দূরে থাকলেই তাকে পিছিয়ে পড়া বলে চিহ্নিত করতে আমরা ভালবাসি। কিন্তু যারা পিছিয়ে পড়া, তাদের এগিয়ে আনার কতখানি...