রাজ কাপুরের প্রস্তাব না ফেরালেই পারতেন
কলকাতার মহানায়ক বলিউডে সফল হতে পারলেন না কেন ? অনেকে বলেন রাজ কাপুরের ষড়যন্ত্র। কেউ বলেন, উত্তম নিজেই দায়ী। ভুল লোকের খপ্পরে পড়েছিলেন। আসলে ঠিক কী হয়েছিল ? অনেক অজানা দিক উঠে এল এই প্রতিবেদনে।
কলকাতার মহানায়ক বলিউডে সফল হতে পারলেন না কেন ? অনেকে বলেন রাজ কাপুরের ষড়যন্ত্র। কেউ বলেন, উত্তম নিজেই দায়ী। ভুল লোকের খপ্পরে পড়েছিলেন। আসলে ঠিক কী হয়েছিল ? অনেক অজানা দিক উঠে এল এই প্রতিবেদনে।
যে গান বাবার কণ্ঠে মানুষের কাছে পৌঁছল না, সেই গান কিশোরের কণ্ঠে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ল। কিশোর কুমারের অবদানকে এতটুকুও ছোট করছি না। কিন্তু এক্ষেত্রেও একটা বড় কারণ উত্তম কুমার। তিনি লিপ না দিলে হয়ত গানটা এতখানি হিট নাও হতে পারত। স্মৃতিচারণ সৈকত মিত্রর।
না, ২৩ জুলাই পার্থর গ্রেপ্তারির বর্ষপূর্তি নয়। ২৩ জুলাই আসলে যিনি সিবিআই চালান, সেই বীরপুঙ্গবদের অপদার্থতার বর্ষপূর্তি। তাই এই বর্ষপূর্তির দিনে পার্থ বা অর্পিতাকে নিয়ে খিল্লি নয়। যদি গালাগাল দিতে হয়, ইডি কর্তাদের দিন। যদি ঘৃণা করতে হয়, দিল্লিতে বসে থাকা ওই নাটের গুরুদের করুন।
আসলে, খুব সুকৌশলে বোঝাতে চাইলেন, বাম বা কংগ্রেসের তেমন কোনও অস্তিত্ব নেই। তাদের এত গুরুত্ব দেওয়ার মানেও হয় না। লড়াইটা যে তৃণমূল বনাম বিজেপি, এমন ছবিই তুলে ধরতে চাইলেন। তিনি বোঝেন, লড়াইটা যদি দ্বিমুখী হয়, তবেই তাঁর সুবিধা। যে মুসলিম ভোট একটু একটু করে বাম–কংগ্রেসের দিকে আসছিল, সেই স্রোতকে আটকাতে হবে। তিনিই একমাত্র বিজেপি বিরোধী, এরকম একটা ভাবমূর্তি তৈরি করতে হবে।
এমনভাবে বলা হয়, যেন গ্রামের মানুষ খেতে পায় না। দুটি খাবারের লোভে কলকাতায় আসে। এইভাবে গ্রামের মানুষকে অপমান করার নোঙরা খেলা কবে বন্ধ হবে! এই গ্রামের মানুষেরা না এলে তাঁদের কী এমন ক্ষতি হয়ে যেত! ঘরে বসে দিব্যি কাটাতে পারতেন। টিভি দেখতে পারতেন। গুলতানি করতে পারতেন। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে পারতেন। নিদেনপক্ষে মোবাইল ঘাটতে পারতেন। এক কষ্ট, এত ধকল নেওয়ার কোনও দরকারই ছিল না।
সে ছিল এক সাদা–কালো টিভির রঙিন এক ভুবন। সবুজ ঘাস, লাল বল— এসবের আলাদা কোনও অস্তিত্ব ছিল না। টিভির পর্দায় নয়, সব রঙ তখন মনের পর্দায়। ভারত নামে একটা দেশ, যারা আগেরবার বিশ্বকাপ জিতেছে। ওদিকে, ওয়েস্ট ইন্ডিজ। দু’বারের বিশ্ব চ্যাম্পিয়ন। তিরাশিতে নিশ্চিত জয়ের মুখ থেকে ফিরে এসে রানার্স হয়েছে। এবার নিশ্চয় বদলা নেবে! কিন্তু সেই লয়েড নেই। হোল্ডিং, গারনার, রবার্টসরা নেই। মার্শালও নাকি চোটের জন্য খেলবেন না। এমনকী গর্ডন গ্রিনিজও নেই। তবু দলটার নাম তো ওয়েস্ট ইন্ডিজ। আগেরবার হারের যন্ত্রণা। তারা কি এমনি এমনি ছেড়ে দেবে!
আজ যাঁরা নানা বাধ্যবাধকতায় ব্রিগেডে, তাঁদের অনেকেই এখনও মনে মনে লাল পতাকা নিয়েই হাঁটছেন। আবার একদিন লাল পতাকার নিশ্চিত আশ্রয়েই ফিরে আসবেন। সেই গরিব গুর্বো মানুষগুলোর ডিম–ভাত খাওয়াকে কটাক্ষ করতে গিয়ে তাঁদের আরও দূরে সরিয়ে দিচ্ছেন না তো? ডিম–ভাত নিয়ে হইচই করতে গিয়ে আসল সমালোচনার জায়গাগুলো আড়াল করে ফেলছেন না তো? লিখেছেন রক্তিম মিত্র।।
আজ একুশে জুলাই। এই একুশে জুলাই কাণ্ড নিয়ে একটি কমিশন হয়েছিল। বছর পাঁচ আগে এই কমিশন ঠিক কী বলেছিল? এখনও সেই কমিশনের রিপোর্ট প্রকাশ্যে এল না।
এই ২০২৩ এ এসে সাতের দশকের সেই ফুটবলের গল্প টেনে আনার কারণ! সেই রাজীব সিনহা। তাঁকে বলতে ইচ্ছে করে, ও হে, আপনি তো আইএএস অফিসার। আপনার তো বোঝা উচিত ছিল, আপনি একজন হুকুম তামিল করা পেয়াদা। নির্বাচন কমিশনারের কী দায়িত্ব, আপনি তো জানেন। আপনি বোঝেননি, এই চেয়ারে বসার কোনও যোগ্যতা আপনার নেই? তাহলে কেন বললেন না, ম্যাডাম দয়া করে আমাকে এই দায়িত্ব দেবেন না। নির্বাচন কমিশনার হতে গেলে যে যে যোগ্যতা লাগে, তার পাঁচ পারসেন্টও আমার নেই।
বিরাট কোহলিদের নিয়ে আমরা যতটা মাতামাতি করি, তার পাঁচ শতাংশও হয়ত সুনীল ছেত্রিকে নিয়ে করি না।
আসলে, ক্রিকেট খেলে হাতে গোনা কয়েকটা দেশ। ফুটবল সেখানে মহাসমুদ্র। ঋষভ পন্থ দীর্ঘ সাতমাস ব্যাট–বল থেকে হাজার মাইল দূরে থাকলেও র্যাঙ্কিংয়ে এখনও প্রথম দশেই থেকে গেছেন। এর থেকেই বোঝা যায় ক্রিকেট আসলে কত ক্ষুদ্র পরিসরে রয়েছে। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিটা এবার একটু পরিবর্তন করা দরকার। দেশের ফুটবল সম্পর্কে একটু গর্ব করতে শিখুন। সুনীলদেরও প্রাপ্য মর্যাদা দিন।