বিরোধীরা জিতলেও তৃণমূলে আসতে হবে!‌ আহা, কী গর্বের কথা!‌

বিরোধী একজন প্রার্থী জনতার ভোটে নির্বাচিত হয়ে এসেছেন। তিনি তাঁর এলাকার কাজ করতে পারবেন না কেন?‌ কী বোঝাতে চাইছেন মুখ্যমন্ত্রী?‌ পুলিশ তাঁর কথা শুনবে না। বিডিও তাঁর কথা শুনবেন না। নির্বাচিত প্রধান বা পঞ্চায়েত সমিতির সভাপতি তাঁর কথা শুনবেন না, এই তো!‌ এটা একটা রাজ্য প্রশাসনের পক্ষে খুব গর্বের বিষয়!‌ খুব বড়াই করে বলার মতো বিষয়!‌

নাটক কবে, কোথায়?‌

কোন হলে কোন ছবি চলছে, ইদানীং সেটা জানা খুব একটা কঠিন নয়। আবার উল্টোটাও সত্যি, কোন ছবি কোন কোন হলে চলছে, সেটাও জানা যায়। নানারকম অ্যাপ বেরিয়েছে। সেখান থেকে আগাম...

দলের কাছেই তিনি কতটা অবাঞ্ছিত, অভিষেক যদি বুঝতেন!‌

তিনি কি সত্যিই চেয়েছিলেন এবার ভোট হোক?‌ যদি সত্যিই চেয়ে থাকেন, নিজের লোকসভা কেন্দ্রে সেটা করে দেখাতে পারলেন না কেন?‌ যদি সত্যি চেয়ে থাকেন, তাহলে বলতে হবে, তাঁর নিচুতলার কর্মীরা তাঁর কথাকে পাত্তাই দেয়নি। তাঁরা জানেন, লোকসভায় কীভাবে ভোট হয়েছে। এই ভোট লুঠ তাঁদেরই করতে হয়েছে। তাঁরা অন্যের জন্য ভোট লুঠ করবেন, নিজেদের সময় শান্তির বাণী শুনবেন কেন?‌

উত্তরাধিকারী চিনতে এত ভুল করে গেলেন!‌

সরল বিশ্বাস দলের শীর্ষনেতা। অথচ, তিনি কোনওদিন সংসদীয় রাজনীতি করেননি। মানে, কখনও লোকসভা বা রাজ্যসভায় সাংসদ হওয়ার চেষ্টা করেননি। কখনও বিধানসভার ভোটে দাঁড়িয়ে বিধায়ক বা মন্ত্রী হওয়ার চেষ্টা করেননি। নিদেনপক্ষে,...

জেলা থেকে একজন মুখপাত্রও পাওয়া গেল না!‌

দল থেকে কাদের মুখপাত্র হিসেবে পাঠানো হচ্ছে?‌ জেলার কোনও মুখ নেই যিনি পার্টির অবস্থান তুলে ধরতে পারতেন!‌ অর্থবল, বাহুবল নেই, মানা গেল। ক্ষমতায় না থাকলে মিডিয়া বা প্রশাসনের ওপরও প্রভাব থাকবে না, এটাও স্বাভাবিক। জেতার সম্ভাবনা কম, তাই ভাল মানের প্রার্থী পাওয়া যাবে না, এটাও বোঝা যায়। কিন্তু যুক্তি আর বুদ্ধির দৌড়েও পিছিয়ে থাকতে হবে?‌ এমন দৈনতা কেন আসবে?‌

পিছিয়ে যেও না, চ্যালেঞ্জটা গ্রহণ করো

(‌আজ ২ জুলাই, কিংবদন্তি অশোক ঘোষের ১০২ তম জন্মদিন। করোনা আবহে নিঃশব্দে পেরিয়ে গেছে তাঁর জন্ম শতবর্ষ। নানা আঙ্গিক থেকে সেই মানুষটির অজানা দিক তুলে ধরার চেষ্টা। কয়েক বছর আগে...

‌নিজের ব্যর্থতার ঢাক পেটাতেও প্রধানমন্ত্রীর জুড়ি নেই

অন্যের দিকে আঙুল তুলছেন ঠিকই। আসলে, আঙুলটা তাঁর নিজের দিকেই উঠছে। নিজের ব্যর্থতাকেই বেআব্রু করে চলেছেন। সেই কতকাল আগে অটল বিহারী বাজপেয়ী তাঁকে বলেছিলেন, রাজধর্ম পালন করতে। সেই শিক্ষা আজও নিতে পারেননি। রাজধর্ম থেকে তিনি আলোকবর্ষ দূরে। তিনি শুধু বাজার গরম করতেই জানেন। কিন্তু প্রশাসন চালানো তাঁর কম্ম নয়।

দারুণ ফিল্ম বানিয়েছো হে, অস্কার না পেয়ে যাও!‌

সত্যজিত রায়ের ‘‌পথের পাঁচালী’‌ এক স্বপ্ন জয়ের লড়াই। সত্যজিত বেচে দিলেন সহধর্মিনী বিজয়া রায়ের সব গহনা, জীবনবীমার পলিসি, নিজের দুষ্প্রাপ্য গানের রেকর্ডের সংগ্রহ। সব যোগ করেও যে হল না ফিল্ম...