এই ২০২৩ এ এসে সাতের দশকের সেই ফুটবলের গল্প টেনে আনার কারণ! সেই রাজীব সিনহা। তাঁকে বলতে ইচ্ছে করে, ও হে, আপনি তো আইএএস অফিসার। আপনার তো বোঝা উচিত ছিল, আপনি একজন হুকুম তামিল করা পেয়াদা। নির্বাচন কমিশনারের কী দায়িত্ব, আপনি তো জানেন। আপনি বোঝেননি, এই চেয়ারে বসার কোনও যোগ্যতা আপনার নেই? তাহলে কেন বললেন না, ম্যাডাম দয়া করে আমাকে এই দায়িত্ব দেবেন না। নির্বাচন কমিশনার হতে গেলে যে যে যোগ্যতা লাগে, তার পাঁচ পারসেন্টও আমার নেই।
বিরাট কোহলিদের নিয়ে আমরা যতটা মাতামাতি করি, তার পাঁচ শতাংশও হয়ত সুনীল ছেত্রিকে নিয়ে করি না।
আসলে, ক্রিকেট খেলে হাতে গোনা কয়েকটা দেশ। ফুটবল সেখানে মহাসমুদ্র। ঋষভ পন্থ দীর্ঘ সাতমাস ব্যাট–বল থেকে হাজার মাইল দূরে থাকলেও র্যাঙ্কিংয়ে এখনও প্রথম দশেই থেকে গেছেন। এর থেকেই বোঝা যায় ক্রিকেট আসলে কত ক্ষুদ্র পরিসরে রয়েছে। আমাদের দৃষ্টিভঙ্গিটা এবার একটু পরিবর্তন করা দরকার। দেশের ফুটবল সম্পর্কে একটু গর্ব করতে শিখুন। সুনীলদেরও প্রাপ্য মর্যাদা দিন।
একজন অভিনেতা বা খেলোয়াড় বা সাহিত্যিক যদি পারফর্মার হয়ে থাকেন, তবে একজন সাংবাদিকও পারফর্মার। কোনও রাজনৈতিক দল বা কোনও ক্লাব নিয়ে যদি আলোচনা হয়, তাহলে কাগজ বা চ্যানেলও একটি প্রতিষ্ঠান। তাদের নিয়েও আলোচনা হতে পারে। প্রাণ খুলে প্রশংসাও করতে পারেন। আবার ভাল না লাগলে সমালোচনাও করতে পারেন।