একটা অশ্বডিম্ব প্রসব করতে ২৮ বছর লাগল!‌

রাম মন্দির মামলার যিনি রায় দিয়েছিলেন, অবসরের একমাসের মধ্যেই তাঁকে রাজ্যসভার সাংসদ করা হয়েছিল। এই বিচারপতির কী পুনর্বাসন হয়, দেখার অপেক্ষায় রইলাম।

চেনা লতা, অচেনা লতা

আমি নিজের গান একেবারেই শুনি না। শুনলেই মন খারাপ হয়ে যাবে। মনে হবে, এটা এভাবে না করে অন্যভাবে করলে ভাল হত। মনে হবে, এই সুরটা অন্যরকম হতে পারত। সাতের দশকে যা ভাল লেগেছিল, এত বছর পর তা ভাল নাও লাগতে পারে। তাই নিজের গান থেকে আমি দূরে দূরেই থাকি।সঙ্গীত কিংবদন্তি লতা মঙ্গেশকরের জীবনের অনেক অজানা কথা উঠে এল একটি সাক্ষাৎকারে। জন্মদিনে সেই সাক্ষাৎকার তুলে ধরা হল বেঙ্গল টাইমসের পাঠকদের জন্য।।

ভাল করে ভাবুন, লতার তেমন কৃতিত্বই নেই

সকাল থেকেই রেডিওতে লতা মঙ্গেশকারের গান। শুনে ফেলেছেন নন্দ ঘোষ। তাঁর দাবি, লতাকে নিয়ে অহেতুক বাড়াবাড়ি করা হয়। তাই নিয়ে লিখতে চান। তাঁকে ‘না’ করবে, কার ঘাড়ে কটা মাথা ? অতএব, তিনি বেসুরো গেয়েই ফেললেন। পড়ুন।

‌আর কলকাতায় ফিরতেই চাননি উত্তম কুমার!‌

রজত সেনগুপ্ত বলিউড অভিযান মোটেই ভাল হয়নি মহানায়কের। কেন হয়নি, তা নিয়ে নানা ব্যাখ্যা চালু আছে। কেউ বলেন, রাজকাপুর বা কেউ কেউ চাননি উত্তর বম্বেতে সফল হোন। তাই নানারকম অসহযোগিতা...

মেয়েদের এতবড় বন্ধু আর কেউ আছেন!

তিনি কী কী সাহিত্য রচনা করেছেন, বাংলা গদ্যকে কতখানি সাবলীল করেছেন, সেসব সাহিত্যের গবেষকরা বলবেন। সমাজ সংস্কারে কতটা দৃঢ়তা দেখিয়েছেন, সেকথাও কারও অজানা নয়। কিন্তু সেসবের পাশাপাশি বলতেই হয়, এই দেশে মেয়েদের এত বড় বন্ধু আর আসেনি। লিখেছেন মধুজা মৈত্র।

শ্রীকান্তর পঞ্চম খণ্ড কেন যে লিখলেন না!‌

তখন সিরিয়াল ছিল না। বই ছিল। খিড়কি থেকে সিংহদুয়ারের চৌহদ্দিতে আটকে থাকা মা–কাকিমাদের কাছে সেটাই ছিল অক্সিজেন। অলস দুপুরে মা–‌কাকিমা আপনার লেখা নিয়েই আলোচনা করেছে। তর্ক করেছে। বাঙালির চিরাচরিত পিএনপিসি!‌ তাও সেই আপনার লেখা নিয়েই। লিখেছেন অন্তরা চৌধুরি।

শুধু স্মৃতি থেকেই লিখেছিলেন দেশে বিদেশে!

‌আফগানিস্তানে চাকরি জীবন কাটিয়ে আসার অন্তত কুড়ি বছর পর লেখা হয়েছিল দেশে বিদেশে। পুঙ্খানুপুঙ্খ বিবরণ। অথচ, কোথাও কোনও ডায়েরির সাহায্য নেননি। পুরোটাই লিখেছিলেন স্মৃতি থেকে। সৈয়দ মুজতাবা আলির জন্মদিনে এমন কথা উঠে এল হেমন্ত রায়ের লেখায়।

দেরিতে হলেও শুভবুদ্ধি এল!‌

যাই হোক, লকডাউন উঠেছে, এটা স্বস্তির। এমনিতেই আমাজের রাজ্যে ডাক্তারের অভাব। সেই কারণে মুখ্যমন্ত্রীকে মাঝে মাঝেই আক্ষেপ করতে দেখা যায়। আর এবার অর্ধেকের বেশি পরীক্ষার্থী যদি পরীক্ষাই না দিতে পারতেন!‌ সেটা রাজ্যের পক্ষে বিরাট এক লজ্জার বিষয় হয়ে দাঁড়াত। দেরিতে হলেও ভুল শুধরে নেওয়ায় সরকারকে অভিনন্দন।

লকডাউনে ভ্রমণ

প্রায় ৬ মাস গৃহবন্দি। অনেকেই হাঁপিয়ে উঠেছেন। হয়ত ইচ্ছে করছে সমুদ্র বা পাহাড়ে যেতে। কিন্তু সংক্রমণের আশঙ্কায় অনেকেই বেরোতে পারছেন না। কেউ হয়ত ঝুঁকি নিয়ে বেরিয়েও পড়েছেন। এখান ওখান থেকে...

যেদিন খুশি লকডাউন ডাকলেই হল!‌

কিন্তু লকডাউন!‌ সেটা তো তোলা যায়!‌ অন্তত পিছিয়ে তো দেওয়া যায়। তখন না হয় ঘোষণা হয়েছিল। কিন্তু পরে তো শুধরে নেওয়া যায়। কলেজে কলেজে টিএমসিপির সমাবেশ হবে বলে, মুখ্যমন্ত্রী ভাষণ দেবেন বলে ২৮ আগস্টের লকডাউন পিছিয়ে দেওয়া যায়। এতবড় একটা পরীক্ষার আগে লকডাউন স্থগিত রাখা যায় না!