রোজ সাদা পাতার সামনে বোসো

অনুজ কবি, সাহিত্যিকদের বলতেন, রোজ একটা সময় বেছে নাও। কিছুক্ষণের জন্য হলেও সাদা পাতার সামনে বোসো। হয়ত কোনও লেখাই এল না। বা যেটা লিখলে, সেটা একেবারেই পছন্দ হল না। হয়ত নিজে লিখে নিজেই ছিঁড়ে ফেলে দিলে। তবু, দিনের একটা সময় অন্তত সাদা পাতার সামনে বোসো। কিছু একটা লেখার চেষ্টা করো। মনে রাখবে, লেখাও একটা সাধনা। লিখতে বসলেই মাথায় ভাবনা ঠিক এসে যাবে। কলম বেয়ে ঠিক নেমে আসবে।

না বুঝেই সেদিন হেয় করা হয়েছিল প্রণববাবুকে

প্রণববাবু রাষ্ট্রপতি ভবনকে বিদায় জানিয়েছিলেন। তার ওপর বয়সও হয়েছিল। তিনি যে আর কোনও দিনই সক্রিয় রাজনীতি করবেন না, এটুকুও সেদিন বোঝেননি সবজান্তা বিশেষজ্ঞরা।এই জ্ঞানগম্যি নিয়ে এঁরা কিনা টিভি চ্যানেলে বসেন! লিখেছেন ধীমান সাহা।

জাতীয় শিক্ষকদের বাঁকা চোখে দেখতে হয় কেন!‌

‘‌রাষ্ট্রপতি পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষক’‌ শুনলেই কেমন একটা শ্রদ্ধা হত। পরে জানলাম, এই পুরস্কার পাওয়ার জন্য শিক্ষককে নিজে থেকে আবেদন করতে হয়। নিজের ঢাক নিজেকে পেটাতে হয়। ঠিকঠাক ‘‌লোক’‌ ধরতে হয়। তাই, এখন কেউ জাতীয় শিক্ষককে শুনলেই বাঁকা চোখে দেখতে হয়। মনে হয়, পুরস্কার পাওয়ার জন্য বিস্তর ‘‌লবিবাজি’‌ করতে হয়েছে। এটা কি সেই শিক্ষকের পক্ষে খুব সম্মানের?‌ শিক্ষক দিবসে প্রশ্ন তুললেন সজল মুখার্জি।।

কেন প্রণববাবুকে রাষ্ট্রপতি করতে চাননি সোনিয়া?‌

সোনিয়া গান্ধী শুরুতেই বলেছিলেন, ‘‌রাষ্ট্রপতি হিসেবে আপনার চেয়ে যোগ্য এইমুহূর্তে কেউ নেই। কিন্তু আপনি আমাকে বলে দিন, সরকারে এবং দলে আপনি যে গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করছেন, আপনি চলে গেলে সেটা কে করবে?‌ আপনার বিকল্প আপনিই খুঁজে দিন। আমি আজকেই রাষ্ট্রপতি প্রার্থী হিসেবে আপনার নাম ঘোষণা করে দিচ্ছি।’‌

এক মঞ্চে মঙ্গেশকার পরিবার!

এত অতিথির সমাগম। যেন চাঁদের হাট। কে নেই সেখানে ! খেলা থেকে গান, সিনেমা থেকে সাহিত্য, সব জগতের দিকপালরাই হাজির। কাকে ছেড়ে কার দিকে তাকাব ? কার দিকে আবার ! অনেক তারার মাঝে ধ্রুব তারা তো একজনই। লিখেছেন অভিরূপ অধিকারী।।

প্রাইম টাইমে শুধু রিয়া আর যুদ্ধের দামামা

দেশপ্রেমের ধ্বজা ওড়ানো সবথেকে চিৎকার করা চ্যানেলটি সারাক্ষণ ব্যস্ত রইল রিয়া চক্রবর্তী আর তার ভাই শৌভিককে নিয়ে। এমন চিৎকার, এমন উত্তেজনা, যেন মন হচ্ছে দেশে যুদ্ধ লেগে গেল। রাত দশটা পর্যন্ত এইসব কীর্তনই চলল। একটি চ্যানেল তো সারাক্ষণ ভারত–‌চীন যুদ্ধের দামামা বাজিয়ে গেল। চীন কী ষড়ষযন্ত্র করছে, ভারত কীভাবে পাল্টা জবাব দিতে তৈরি হচ্ছে, এই কাসুন্দি কতদিন ধরে যে চলবে, কে জানে‌!‌

শতবর্ষে অসহায় আত্মসমর্পণ, ক্লাবের সম্মান বাড়ল!‌

স্পন্সর আসবে। হয়ত আই এস এলের দরজাও খুলে যাবে। কিন্তু শতবর্ষে এই অসহায় আত্মসমর্পণ ক্লাবের সম্মান কতটা বাড়াল, সমর্থকরা ভেবে দেখতে পারেন।

এই সংযম কজন দেখাতে পারেন!‌

বিরোধীতার নামে কী কদর্য আক্রমণ চলছে চারদিকে। কেন্দ্র, রাজ্য সব জায়গায় যেন একই সংস্কৃতি। বিরোধী আর শাসক যেন পাল্লা দিয়ে কুরুচিকর কথা বলে যাচ্ছে। সেই আবহে মূর্তিমান এক ব্যতিক্রম হলেন প্রণববাবু। শাসকের ভূমিকায় যেমন দেখা গেছে, তেমনি বিরোধীর ভূমিকাতেও কেটেছে লম্বা সময়। কখনও মুখ থেকে একটিও আপত্তিজনক মন্তব্য শুনেছি বলে মনে পড়ছে না। যাঁরা টুইট করে শ্রদ্ধা জানাচ্ছেন, ফুল দিচ্ছেন, তাঁরা যদি এই শিষ্টাচার, সহবৎ শিখতেন!‌

আস্থা ফিরিয়ে আনার উদ্যোগ সুপ্রিম কোর্টকেই নিতে হবে

প্রধান বিচারপতি যদি অবসর নেওয়া একমাসের মধ্যেই রাজ্যসভায় মনোনীত হন, তাহলে এই প্রশ্ন তো উঠবেই। অবসর নেওয়ার একমাস যেতে না যেতেই তাঁকে রাজ্যসভায় পাঠাতে হল!‌ কীসের পুরস্কার?‌ কীসের প্রতিদান?‌ অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি পারলেন না এই সামান্য প্রলোভনটুকু জয় করতে?‌ এই বিষয়গুলোই অনাস্থা তৈরি করে। এই অনাস্থাকে কাটানোর দায়িত্ব বিচারপতিদেরই নিতে হবে।

‌‌মর্গান হাউসে দুই রাত

সাহেবি আমলের বাংলো।চারপাশে সুদৃশ্য লন। একটু এগোলেই বিশাল গল্ফ কোর্স। মনে হবে, একদিনের জন্য আপনিই যেন মর্গান সাহেব। সেই অনুভূতি উঠে এল স্বরূপ গোস্বামীর লেখায়।