এমনি এমনিই বিজেপি ভোট দিয়ে দিল!‌

অঙ্কেই পরিষ্কার, বিজেপির ভোট তৃণমূলে পড়েছে। রাজ্যসভায় এমনি এমনিই তৃণমূলকে ভোট দিয়ে দিলেন বিজেপি সাংসদরা?‌ সমর্থন চাওয়া হয়নি?‌ এতবড় একটা সিদ্ধান্ত দলনেত্রীর অজান্তে হয়েছে?‌ এত স্বাধীনতা সংসদীয় দলের আছে!‌

থমথমে মুখের‌ ছবিই বলে দিচ্ছে কীভাবে ফেরানো হল

তিন জন আবার তৃণমূলে ফিরে এলেন। থমথমে ছবিগুলোই বলে দিচ্ছে, কীভাবে ওঁদের ফিরিয়ে আনা হল। এবার সভাধিপতিকেও হয়ত পদত্যাগ করাতে হবে, নইলে দলে টানতে হবে। সেই চেষ্টাতেও কোনও ‘‌ত্রুটি’‌ থাকবে না। জেলা পরিষদ ফিরে পেতে এমন সন্ত্রাসের আবহ!‌ প্রশান্ত কিশোর কেন, তাঁর চোদ্দ পুরুষের ক্ষমতা নেই এই তৃণমূলকে শোধরানোর।

সেদিন কলকাতায় থেকেও ইডেনে যেতে চাননি ইমরান!‌

তিন অধিনায়ক ছিলেন গ্র‌্যান্ড হোটেলে। অথচ, হাফ কিলো মিটার দূরে থাকা ইডেনে যেতে চাননি কপিল, রিচার্ডস, ইমরানরা। ডালমিয়ার হুমকিতে কপিল যদিও বা গেলেন, রিচার্ডস বা ইমরানকে কিছুতেই ইডেনে আনা গেল না।

আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম

স্মৃতিটুকু থাক আমি তখন কলেজে পড়ছি। হাতখরচ তোলার জন্য টিউশনি পড়াতাম। পাড়াতেই একটি মেয়ে, ক্লাস ইলেভেনে পড়ত। তার বাড়ির লোক চাইতেন, আমি যেন তাকে টিউশনি পড়াই। রাজি হয়ে গেলাম। সন্ধেবেলায়...

বিজেপির সঙ্গে কেন বসতে হল দুই প্রধানকে?‌

দুই প্রধানের কর্তারা বৈঠক করলেন কৈলাশ বিজয়বর্গীয়র সঙ্গে। তিনি ফুটবল অনুরাগী?‌ এমন পরিচয় তো আগে পাওয়া যায়নি। তিনি সরকারের মন্ত্রীও নন। তাহলে তাঁর সঙ্গে বৈঠক কেন?‌ এরপর মুখ্যমন্ত্রীর যখন গোঁসা হবে, তখন কীভাবে সামাল দেবেন?‌ সেই প্রশস্তির চিত্রনাট্য এখন থেকেই তৈরি রাখুন। লিখেছেন সোহম সেন।

পুরভোট, বিধানসভাতেও তৃণমূলের বিপর্যয় নিশ্চিত

কোনও ড্যামেজ কন্ট্রোলই কাজে আসবে না। মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছেন। তৃণমূলকে যারা হারাতে পারবে, মানুষ তাদেরই বেছে নেবেন। আপাতত সেই সুফল পাবে বিজেপি। এখন কোনও প্রচার কোনও কাজে আসবে না। সবকিছুই ব্যুমেরাং হয়ে ফিরে আসবে। লিখেছেন সুগত রায় মজুমদার।

বর্ষার হিমাচল, অন্য এক চেহারায়

বর্ষায় অনেকে পাহাড় এড়িয়ে যান। কিন্তু বর্ষাতেও পাহাড়ের আলাদা একটা সৌন্দর্য আছে। দু বছর আগের বর্ষায় হিমাচলে গিয়ে সেই অনুভূতিই মেলে ধরলেন অন্তরা চৌধুরি।

অধীর, পাবলিক অ্যাকাউন্ট কমিটি আপনার জন্য নয়

জনপ্রিয়তা, সাহস, লড়াই এগুলো আপনার আছে। কিন্তু সেই মানের পড়াশোনা বা মেধা নেই, এটা মানতে শিখুন। তাই ভুলেও পাবলিক অ্যাকাউন্টস কমিটির দায়িত্ব নেবেন না। এমন লোকের হাতে অ্যাকাউন্টসের গোপন ফাইল গেলে, সরকার অনেক নিশ্চিন্তে থাকতে পারে। এঁর চোখে বড় বড় অনিয়মগুলো ধরাই পড়বে না। অধীর চৌধুরিকে খোলা চিঠি। লিখেছেন সরল বিশ্বাস।

আয় বৃষ্টি ঝেঁপে

ঠান্ডার সময় অনেকে ঠান্ডার দেশেই যান। ঠিক তেমনই যদি বর্ষার সময় জলের দেশেই যাওয়া যায়। কাছেই তো মাইথন। ছোট্ট ছুটিতে বেরিয়ে পড়ুন। বেড়ানোর হদিশ দিলেন শ্রীপর্ণা গাঙ্গুলি।।

বিদিশার পথে পথে

বিদিশা নগরীর ধ্বংসাবশেষ ছড়িয়ে আছে আজকের ভোপালের আশেপাশে। ভোপাল রাজধানী শহর। ছোটবড় অসংখ্য হোটেল। কিন্তু শহরের উপকণ্ঠে সাঁচিতে মধ্যপ্রদেশ ট্যুরিজমের গেটওয়ে রিট্রিটে যদি ঘর বুক করে, তাহলে শহরের কলাহল থেকে দূরে থেকে পারবেন, আবার সাঁচি, বিদিশার মতো জায়গাগুলির থেকে দূরত্বও কম হবে।