বাঘ নেই বক্সায়!‌

একদিকে, সুন্দরবনে বাঘের সংখ্যা বেড়েছে। সারা দেশেও আগের তুলনায় সংখ্যাটা বেড়েছে। কিন্তু বক্সা টাইগার রিজার্ভ ফরেস্টে কোনও বাঘের হদিশ পাওয়া গেল না। শুধু বক্সা নয়, উত্তরবঙ্গের কোনও জঙ্গল থেকেই বাঘের অস্তিত্বের কোনও প্রমাণ পাওয়া গেল না। ফলে বাঘ নেই বক্সায়— এই প্রবাদটা আরও জোরালো যুক্তি পেল।

প্রকাশ্যে মত দেওয়া খুব জরুরি ছিল!

কে কোচ হবেন, তা নিয়ে বিরাট কোহলির কোনও মতামত থাকতেই পারে। তা তিনি যথাস্থানে জানাতেই পারেন। কিন্তু প্রকাশ্যে সেই মতামত জানানো কি খুব জরুরি ছিল? প্রশ্নটা তো অনায়াসেই এড়ানো যেত। এতে বাছাই কমিটির তিন সদস্যের ওপর কি চাপ তৈরি হল না!

ক্লাব প্রশাসনে আনা হতে পারে চার দিকপাল ফুটবলারকে

এবার প্রাক্তন ফুটবলারদের আরও বেশি করে ক্লাব প্রশাসনে আনতে চায় ইস্টবেঙ্গল। নিছক কর্মসমিতিতে নেওয়া নয়, আরও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বেই বসানো হতে পারে প্রাক্তন ফুটবলারদের।

চেনা লতা, অচেনা লতা

আমি নিজের গান একেবারেই শুনি না। শুনলেই মন খারাপ হয়ে যাবে। মনে হবে, এটা এভাবে না করে অন্যভাবে করলে ভাল হত। মনে হবে, এই সুরটা অন্যরকম হতে পারত। সাতের দশকে যা ভাল লেগেছিল, এত বছর পর তা ভাল নাও লাগতে পারে। তাই নিজের গান থেকে আমি দূরে দূরেই থাকি।
সঙ্গীত কিংবদন্তি লতা মঙ্গেশকরের জীবনের অনেক অজানা কথা উঠে এল একটি সাক্ষাৎকারে। সেই সাক্ষাৎকার তুলে ধরা হল বেঙ্গল টাইমসের পাঠকদের জন্য।।

বলিউডকেও কিন্তু পথ দেখিয়েছিলেন মহানায়ক

পথ দেখিয়ে গেছেন মহানায়ক। তিনি নিজে হয়ত হিন্দি ছবিরু দুনিয়ায় খুব একটা সফল হতে পারেননি। আসমুদ্র হিমাচল হয়ত তাঁকে সেভাবে চিনল না। বাঙালির মহানায়ক হয়েই থেকে গেলেন। কিন্তু যাঁরা চেনার, চিনতেন। অনুসরণ করতেন। তাই তাঁর অভিনীত বাংলা ছবিই কয়েক বছর পর হিন্দিতে হয়েছে। তাতে অভিনয় করেছেন দিকপাল অভিনেতারা।

মহানায়ক কেন যে মহালয়া করতে গেলেন!

একবারই মহালয়া করেছিলেন উত্তম কুমার। সঙ্গীত পরিচালক হেমন্ত মুখোপাধ্যায়। কেমন ছিল সেই অভিজ্ঞতা? কেন ক্ষমা চাইতে হল আকাশবাণীকে ? এসব অজানা কথা উঠে এল দিব্যেন্দু দে-র কলমে। সঙ্গে সেই মহালয়ার ইউ টিউব লিঙ্ক।

‌মেয়র হওয়ার দৌড়ে কৃষ্ণা

মেয়র নিয়ে জল্পনায় হয়ত ইতি পড়তে চলেছে। বিধাননগর পুরনিগমের মেয়র হতে চলেছেন কৃষ্ণা চক্রবর্তী। কখনও তাপস চ্যাটার্জি, কখনও সুজিত বসুর নাম ভেসে উঠেছিল। কিন্তু মেয়াদ ফুরোনোর আগে বাকি কটা দিন এই দায়িত্ব সামলাবেন কৃষ্ণাই।

২৯ জুলাই, লর্ড কার্জনের চোখে

(বাংলা ভাগের নিদান দিয়েছিলেন। ভেসে গিয়েছিল সম্মিলিত প্রতিবাদে। বিদায়ী গভর্নর জেনারেল কীভাবে দেখেছিলেন মোহনবাগানের শিল্ড জয়কে ? সেই সময়ে ফিরে গিয়ে লর্ড কার্জনের মনের কথা উঠে এল বেঙ্গল টাইমসে।

২৯ জুলাই, শিবদাস ভাদুড়ির চোখে

শিল্ড জয়ের রাত। চারিদিকে উৎসব। উড়ছে মোহনবাগানের পতাকা।মোহনবাগানের জয় আর স্বাধীনতা যেন মিলেমিশে একাকার। সেই রাতে ডায়েরিতে কী লিখেছিলেন শিবদাস ভাদুড়ি। না লেখা সেই ডায়েরির পাতা বেঙ্গল টাইমসে উঠে এল। লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।

ইস্টবেঙ্গল-কোয়েস্ট বিচ্ছেদ অনিবার্য

শতবর্ষকে ঘিরে উন্মাদনা লাল হলুদ শিবিরে। তারই মাঝে যেন অশনি সংকেত। স্পন্সর কোয়েস্টের সঙ্গে ইস্টবেঙ্গলের সম্পর্ক কতদিন স্থায়ী হবে, তা নিয়ে জোর সংশয়। পরিস্থিতি যেদিকে গড়াচ্ছে, বিচ্ছেদ অনিবার্য।