ইংরেজি শেখার দশটি সহজ উপায়
কতদিন লাগতে পারে? সময় নিয়ে হতাশ হবেন না। শুরুতেই মাথায় রাখুন, একমাসে যা শিখবেন, দু মাসে তার থেকে বেশি কিছু শিখবেন, তিন মাসে আরও বেশি। এভাবে এগিয়ে চলুন। ইংরাজি শেখার এমনই কিছু টোটকা।
কতদিন লাগতে পারে? সময় নিয়ে হতাশ হবেন না। শুরুতেই মাথায় রাখুন, একমাসে যা শিখবেন, দু মাসে তার থেকে বেশি কিছু শিখবেন, তিন মাসে আরও বেশি। এভাবে এগিয়ে চলুন। ইংরাজি শেখার এমনই কিছু টোটকা।
আমরা গর্ব করে বলি, আমাদের একটা গাভাসকার ছিল। এই গর্ব আজীবন বয়ে বেড়াতে চাই। আমরা শচীন, কোহলিকে ভালবাসি। তাঁদের জন্যও গর্ব করি। কিন্তু শ্রেষ্ঠত্বের প্রশ্ন এলে চোখ বুজে মনে পড়ে দশ হাজার রানের সেই দৌড়টা। লিখেছেন সবুজ সরকার।
বিজেপিতে গিয়ে আবার তৃণমূলে ফিরে এলেন হালিশহরের আট কাউন্সিলর। ফিরতেই পারেন। কিন্তু সেই দলবদলের প্রেস কনফারেন্স বিধানসভায় কেন? এতজন ‘বহিরাগত’কে নিয়ে প্রেস কর্নারে প্রেস কনফারেন্স করা যায়! যদি মুকুল রায় বা মহম্মদ সেলিম বিধানসভায় প্রেস কনফারেন্স করতে চান, অনুমতি দেওয়া হবে তো!
গাভাসকার হলেন সেই তেনজিংয়ের মতোই, এভারেস্ট বললেই যাঁর কথা মনে পড়ে যায়। গাভাসকারের জন্মদিনে কৈশোরের সেই সোনালি মুহূর্তগুলো তুলে আনলেন দিব্যেন্দু দে।।
ভাবতে অবাক লাগে, যাঁর এই ন্যূনতম কাণ্ডজ্ঞানটুকু নেই, যাঁর এই ন্যূনতম শিক্ষাটুকু নেই, তাঁকে কিনা বিধাননগর পুরনিগমের চেয়ারম্যান করা হয়েছিল! এবং তিনি নাকি মেয়র হওয়ারও স্বপ্ন দেখছেন! চেয়ারম্যানের সরকারি চেয়ারে বসে যে এমন আবোল–তাবোল বলা যায় না, তা শেখানোর কেউ নেই!
অনেকদিনের ইচ্ছে ছিল উত্তম কুমারের শুটিং দেখার। অবশেষে সুযোগ এসে গেল। তখন শুটিং চলছে অগ্নীশ্বর ছবির। সেই শুটিং শেষ করেই বাঘবন্দী খেলা। একইদিনে এমন বিপরীতধর্মী দুটো চরিত্র! শুটিং দেখার সেই অভিজ্ঞতা মেলে ধরলেন বিশ্বরঞ্জন দত্ত গুপ্ত।
বিশ্বকাপের পর তাঁর অবসর নিশ্চিত। তারপরই নাকি নতুন ইনিংস শুরু করবেন ধোনি। যোগ দিতে পারেন বিজেপিতে। তাঁকে সামনে রেখেই ঝাড়খণ্ড বিধানসভায় লড়াই করতে চায় বিজেপি। সেক্ষেত্রে এক বছরের মধ্যে মুখ্যমন্ত্রীও হয়ে যেতে পারেন।
এতদিন তৃণমূলের মুখপত্র ছাপা হত সংবাদ প্রতিদিনের প্রেস থেকে। কিন্তু নানা কারণে এই কাগজটির ওপর মোহভঙ্গ হয়েছে মুখ্যমন্ত্রীর। তাই জাগো বাংলার ছাপার ঠিকানা বদলে যাচ্ছে। চলে যাচ্ছে, অন্য একটি বাংলা কাগজের ছাপাখানায়।