সেদিন কলকাতায় থেকেও ইডেনে যেতে চাননি ইমরান!‌

তিন অধিনায়ক ছিলেন গ্র‌্যান্ড হোটেলে। অথচ, হাফ কিলো মিটার দূরে থাকা ইডেনে যেতে চাননি কপিল, রিচার্ডস, ইমরানরা। ডালমিয়ার হুমকিতে কপিল যদিও বা গেলেন, রিচার্ডস বা ইমরানকে কিছুতেই ইডেনে আনা গেল না।

আগে কী সুন্দর দিন কাটাইতাম

স্মৃতিটুকু থাক আমি তখন কলেজে পড়ছি। হাতখরচ তোলার জন্য টিউশনি পড়াতাম। পাড়াতেই একটি মেয়ে, ক্লাস ইলেভেনে পড়ত। তার বাড়ির লোক চাইতেন, আমি যেন তাকে টিউশনি পড়াই। রাজি হয়ে গেলাম। সন্ধেবেলায়...

বিজেপির সঙ্গে কেন বসতে হল দুই প্রধানকে?‌

দুই প্রধানের কর্তারা বৈঠক করলেন কৈলাশ বিজয়বর্গীয়র সঙ্গে। তিনি ফুটবল অনুরাগী?‌ এমন পরিচয় তো আগে পাওয়া যায়নি। তিনি সরকারের মন্ত্রীও নন। তাহলে তাঁর সঙ্গে বৈঠক কেন?‌ এরপর মুখ্যমন্ত্রীর যখন গোঁসা হবে, তখন কীভাবে সামাল দেবেন?‌ সেই প্রশস্তির চিত্রনাট্য এখন থেকেই তৈরি রাখুন। লিখেছেন সোহম সেন।

পুরভোট, বিধানসভাতেও তৃণমূলের বিপর্যয় নিশ্চিত

কোনও ড্যামেজ কন্ট্রোলই কাজে আসবে না। মানুষ সিদ্ধান্ত নিয়েই ফেলেছেন। তৃণমূলকে যারা হারাতে পারবে, মানুষ তাদেরই বেছে নেবেন। আপাতত সেই সুফল পাবে বিজেপি। এখন কোনও প্রচার কোনও কাজে আসবে না। সবকিছুই ব্যুমেরাং হয়ে ফিরে আসবে। লিখেছেন সুগত রায় মজুমদার।