চাঁদে গিয়েছিলেন? ইয়ার্কি মারার জায়গা পাননি?
২০ জুলাই নাকি চাঁদে পৌঁছেছিলেন নিল আমস্ট্রং। ছোট থেকে ইতিহাসে আমরা সবাই এমনটাই পড়ে এসেছি। কিন্তু নন্দ ঘোষ বললেন, কভি নেহি। আমস্ট্রং মোটেই চাঁদে যাননি। এবার নন্দ ঘোষের কড়চায় একহাত নিলেন আমস্ট্রংবাবুকে।
২০ জুলাই নাকি চাঁদে পৌঁছেছিলেন নিল আমস্ট্রং। ছোট থেকে ইতিহাসে আমরা সবাই এমনটাই পড়ে এসেছি। কিন্তু নন্দ ঘোষ বললেন, কভি নেহি। আমস্ট্রং মোটেই চাঁদে যাননি। এবার নন্দ ঘোষের কড়চায় একহাত নিলেন আমস্ট্রংবাবুকে।
টয় ট্রেনের সময় নিয়ে নতুন করে ভাবনা চিন্তা করুন রেল। দার্জিলিং মেল বা পদাতিক এক্সপ্রেস লেট করলে টয় ট্রেন ধরার সুযোগ থাকে না। আগাম টিকিট থাকা সত্বেও ট্রেন মিস। আবার টয় ট্রেন ধরার জন্য একদিন শিলিগুড়িতে কাটানোরও যুক্তি নেই। লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।
লাল সেলাম ঝর্না দাস। দেশের স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে তাঁর দায়িত্বটা বুঝিয়ে দেওয়ার জন্য। দল আর প্রশাসন যে আলাদা বিষয়, দুইয়ের মধ্যে যে একটা লক্ষ্মণরেখা থাকে, এই সহজ সহবৎ শিক্ষাটাই ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে। কোনটা দলীয় সভায় বলতে হয়, কোনটা বিধানসভা বা সংসদে বলতে নেই, এই বোধগুলোই ক্রমশ হারিয়ে যাচ্ছে। হ্যাঁ, এই ঝর্না দাসেরাই পারেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে তাঁর দায়িত্বটা ভাল করে বুঝিয়ে দিতে।
এখন আর চাউলখোলায় নেমে ব্রেক জার্নি করার দরকার নেই। এসি বাসে সরাসরি পৌঁছে যেতে পারেন মন্দারমণি। ফেরার সময়েও কোনও সমস্যা নেই। সরাসরি মন্দারমণি থেকেই বাস ধরতে পারেন। অনলাইনে আগাম বুকিংও করে রাখতে পারেন।
যদি মনে হয়, কেন্দ্রীয় সরকারের হস্তক্ষেপ প্রয়োজন, তার জন্য দুই প্রধানের কর্তারা বিজয়বর্গীয়র কাছে যেতেই পারেন। কিন্তু এত ভয় পাওয়ার কী আছে? এমন ডিগবাজি মারারই বা কী আছে? মুখ্যমন্ত্রীকে এত দরাজ সার্টিফিকেট দেওয়ারই বা কী আছে? আসলে, এক ধমকেই কাঁপুনি বেরিয়ে এল। এই থমথমে আবহটাই গত কয়েকবছর ধরে চলে আসছে ক্রীড়াজগতে। লিখেছেন সোহম সেন।
বিকাশ ভট্টাচার্য অন্তত এটুকু বুঝিয়ে দিলেন, যাঁরা প্রশাসন চালাচ্ছেন, তাঁরা সাধারণ নিয়মগুলোই জানেন না। তাই এটা কিন্তু নিছক নোটিশ বাতিলের রায় নয়। নিছক অনাস্থা ভোট দুদিন পিছিয়ে দেওয়ার রায় নয়। রাজ্য প্রশাসন কারা চালাচ্ছেন, তাঁদের আইনের জ্ঞান কতটুকু, সেটা বেআব্রু করার রায়। যাঁর যা বোঝার, বুঝে নিন।
চারিদিকে পাহাড়। কোথাও ঘন, কোথাও হালকা জঙ্গল। পাশ দিয়ে বয়ে চলেছে সুবর্ণরেখা। এই পথেই হাঁটতেন বিভূতিভূষণ। দুদিন ছুটি পেলে সেই নির্জন পথে আপনিও হেঁটে আসতে পারেন। গালুডি থেকে ফিরে লিখলেন সন্তু বিশ্বাস।।
কোনির সেই ক্ষিদ্দা। বললেই মনে পড়ে যায় সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়ের কথা। কিন্তু এই চরিত্রটা তাঁর করারই কথা ছিল না। পরিচালক গিয়েছিলেন উত্তম কুমারের কাছে।
বৃষ্টির বিরাম নেই। মাধ্যমিকের পর আবার যেন শিরোনামে বাঁকুড়া। কত কিউসেক জল ছাড়ছে মুকুট মণিপুর? এই ভরা জলাশয়ের সান্নিধ্য চাইলে এই সময় ঘুরে আসুন মুকুট মণিপুর থেকে। আর শ্রীকান্তর মতো গেয়ে উঠুন, আমার সারাটা দিন, মেঘলা আকাশ, বৃষ্টি, তোমাকে দিলাম।
সিঙ্গুরের মানুষ নাকি জমি বিক্রি করে দিচ্ছেন। তাঁরা নাকি আর চাষ করতে চাইছেন না। আজ যেটা মমতা ব্যানার্জি বুঝছেন, সেটা একজন মানুষ অনেক আগেই বুঝেছিলেন। তাই কৃষিকে বাঁচিয়ে শিল্পের রাস্তায় হাঁটতে চেয়েছিলেন। লক্ষ লক্ষ ছেলের কর্মসংস্থান তৈরি করতে চেয়েছিলেন। তাঁর নাম বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য।