সিঙ্গুরের মানুষ নাকি জমি বিক্রি করে দিচ্ছেন। তাঁরা নাকি আর চাষ করতে চাইছেন না। আজ যেটা মমতা ব্যানার্জি বুঝছেন, সেটা একজন মানুষ অনেক আগেই বুঝেছিলেন। তাই কৃষিকে বাঁচিয়ে শিল্পের রাস্তায় হাঁটতে চেয়েছিলেন। লক্ষ লক্ষ ছেলের কর্মসংস্থান তৈরি করতে চেয়েছিলেন। তাঁর নাম বুদ্ধদেব ভট্টাচার্য।
অঙ্কেই পরিষ্কার, বিজেপির ভোট তৃণমূলে পড়েছে। রাজ্যসভায় এমনি এমনিই তৃণমূলকে ভোট দিয়ে দিলেন বিজেপি সাংসদরা? সমর্থন চাওয়া হয়নি? এতবড় একটা সিদ্ধান্ত দলনেত্রীর অজান্তে হয়েছে? এত স্বাধীনতা সংসদীয় দলের আছে!
তিন জন আবার তৃণমূলে ফিরে এলেন। থমথমে ছবিগুলোই বলে দিচ্ছে, কীভাবে ওঁদের ফিরিয়ে আনা হল। এবার সভাধিপতিকেও হয়ত পদত্যাগ করাতে হবে, নইলে দলে টানতে হবে। সেই চেষ্টাতেও কোনও ‘ত্রুটি’ থাকবে না। জেলা পরিষদ ফিরে পেতে এমন সন্ত্রাসের আবহ! প্রশান্ত কিশোর কেন, তাঁর চোদ্দ পুরুষের ক্ষমতা নেই এই তৃণমূলকে শোধরানোর।