ওই দুর্গম পাহাড়ি পথেও ছেলে মেয়েরা স্কুলে যাচ্ছে। যাওয়াটা না হয় সহজ। নেমে গেলেই হয়। কিন্তু কার্শিয়াং থেকে হেঁটে ফিরে আসছে! সত্যিই পেন্নাম করতে ইচ্ছে হল। আমরা যদি এই দুর্গম এলাকায় থাকতাম, কোনকাল লেখাপড়ার পাট চুকিয়ে দিতাম। ড্রপ আউটের তালিকায় আমাদের নামগুলো জ্বলজ্বল করত।
সুর করিয়া পড়িবেন জোরে জোরে। শুনো শুনো বন্ধুজন শুনো দিয়া মন, ফেসবুকের বিচিত্র লীলা করিগো বর্ণন। যে নেশায় ডুব দিলে জগৎ হয় লয়, জ্ঞানী-গুণি তাহাকেই ফেসবুক কয়। ডেক্সটপ, ল্যাপটপ, ট্যাব,...
বিশ্বকাপে সব কাগজ থেকেই কেউ না কেউ গেছেন। কোনও কোনও কাগজ থেকে দুজনও গেছেন। কিন্তু কী আশ্চর্য! বিশ্বকাপে আনন্দবাজারের কোনও সাংবাদিক নেই!
টিভিটাও বদলে গেল। ছোটর বদলে বড়, সাদা–কালোর বদলে রঙিন। কিন্তু জীবন থেকে রঙগুলো কেমন যেন হারিয়ে গেল। তাই বিশ্বকাপ বললেই আমার কাছে ভেসে ওঠে সেই নব্বই সাল। ভেসে ওঠে আমাদের নতুন কেনা সেই ছোট্ট টিভিটা। ভেসে ওঠে ওই সুন্দর রাতগুলো।
তিনি অনঢ়। ফেডারেশনের দাবি, স্পন্সরদের চাপ, ফিফার হুমকি–কোনওকিছু দিয়েই তাঁকে আটকানো গেল না। বুঝিয়ে দিলেন, তিনি সিন্ডেলার, ক্রুয়েফ, মারাদোনাদের উত্তরসূরী। নাই বা জিতলেন বিশ্বকাপ। বিশ্বটা যে তার থেকে অনেক বড়। মেসিকে লাল সেলাম জানালেন সৌম্যদ্বীপ সরকার।।
মেসিকে ছুঁয়েছি, এটা আমার মাথায় জাস্ট পাঁচ সেকেন্ডের জন্য ছিল। তারপরই মাথা থেকে ওটা বের করে ফেলেছি। আপনারাও বের করে ফেলুন। কোথায় মেসি আর কোথায় আমি!
সারা জীবন রবি ঠাকুর যে কত চিঠি লিখেছেন, তার হিসেব নেই। কিছু চিঠির হয়ত নমুনা পাওয়া যায়। কিন্তু অনেক চিঠির কোনও কপি নেই। বুদ্ধদেব গুহর লেখার একটা বড় অংশজুড়ে রয়েছে এই চিঠি। চিঠিকেন্দ্রিক বেশ কিছু উপন্যাসও আছে। সেগুলি পড়তে পারেন। তাহলেই বুঝতে পারবেন চিঠির রোমাঞ্চ কতটা।
ট্যাক্সি ধরা যেন এক ভয়ঙ্কর অভিজ্ঞতা। প্রি পেইড কাউন্টারেও রেহাই নেই। দেড় ঘণ্টার অপেক্ষা। অথচ, একটু সদিচ্ছা ও তৎপরতা থাকলে সহজেই এই সমস্যা কমিয়ে আনা যেত। লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।।
হলই বা ইউক্যালিপ্টাসের জঙ্গল। বেশ গা ছমছমে একটা ব্যাপার। সত্যিকারের শিকারের মতোই পা টিপে টিপে এগোনো। হাতে বন্দুক, মাথায় টুপি। সামনে সেনাপতি। শিকারের সেই রোমাঞ্চই উঠে এল অন্তরা চৌধুরীর কলমে।
হঠাৎ দেখা হয়ে গেল এক আদিবাসী কাকার সঙ্গে। যেন আরণ্যকের সেই দোবরু পান্না। স্মৃতিটুকু থাক বিভাগে উঠে এল সেই মানুষটির কথা।