সামনে ফ্রান্স। বিশেষজ্ঞরা বলবেন, কে কোনদিকে এগিয়ে। তুল্যমূল্য বিচারে হয়ত আর্জেন্টিনা পিছিয়েই থাকবে। থাকুক। কিন্তু স্কোরলাইনই শেষ কথা বলবে। তাই তাকিয়ে থাকব মেসির দিকে। সব হিসেব উল্টে দেওয়াই তো তার কাজ। রাঙিয়ে দিয়ে যাও। বিদায়বেলায় যেন হাতে বিশ্বকাপ দেখতে পাই।লিখেছেন সঞ্জীব রায়।।
পিন্টু রজক একটা ফাঁদ পেতেছে শিবসেনা। কী আশ্চর্য, সেই ফাঁদেই পা দিলেন অনেকে। বছর দুই আগের কথা। ধর্মতলায় গোরুর মাংস খেয়ে প্রতিবাদ জানিয়েছিলেন কেউ কেউ। সেই তালিকায় বিকাশ ভট্টাচার্য যেমন...
অজিত গঙ্গোপাধ্যায় সত্যি কথা বলতে গেলে সত্যি বলা দায় মিথ্যাচারের রাজনীতিতে সত্যি কেঁদে মরে রাজনীতিতে সত্যি বলে কল্কে পাওয়া যায় ভরসা করে এমন কথা কেউ কি বলতে পারে ? রাজনীতিতে...
লাইন আর এগোতেই চাইছে না। একে মানুষ দূরদূরান্ত থেকে আসছেন। এমনিতেই গন্তব্যে যাওয়ার একটা তাড়া থাকে। তার ওপর স্টেশনে নেমেও দেড়–দু ঘণ্টার অপেক্ষা! এখন প্রিপেইড বুথ পরিচালনা করছে হাওড়া সিটি পুলিশ। নানা জায়গায় তাদের হোর্ডিং। বলা হল, রাতে ট্যাক্সি নেই। আমার প্রশ্ন, নেই কেন? বোঝা গেল, সিটি পুলিশের সঙ্গে ট্যাক্সি ইউনিয়নের কোনও সমন্বয়ই নেই। রাতে কোন কোন ট্রেন ঢোকে, মোটামুটি কোনদিন কত প্যাসেঞ্জার হয়, এই জাতীয় পরিসংখ্যানও আছে বলে মনে হল না।
বঙ্কিম-রবীন্দ্রনাথ-বাঙালি কাউকেই তারা ভালবাসে না। বঙ্কিমের প্রতি যদি এতই ভালোবাসা, বন্দেমাতরমের প্রতি এত ভালোবাসা, তাহলে কোনও বিজেপি নেতাকে বলুন সর্বভারতীয়স্তরে হিন্দির পাশাপাশি বঙ্কিমের ভাষা বাংলাকেও ব্যবহার করতে হবে। দেখুন কেমন রাজি হয়? লিখেছেন ময়ূখ নস্কর।।
এই যুগটাই আসছে, ৩৫, ৩৬ বছর বয়স পর্যন্ত ইউরোপের ক্লাবগুলিতে খেলে প্রচুর টাকা কামানোর দিন শেষ হয়ে আসছে। তরুণরা সেই জায়গা কেড়ে নেবে নিজস্ব যোগ্যতায়। তরুণরা বলবে, এবার আমাদের জায়গাটা ছেড়ে দিয়ে বাড়িতে বিশ্রাম নাও। সুতরাং সেই প্রবাদবাক্য সত্য হতে চলেছে আগামীদিনে।লিখেছেন সুগত রায়মজুমদার।।
লোকসভা ভোটে এই রাজ্যে তৃণমূলের সঙ্গে কংগ্রেসের জোট হবে কিনা, তা ঠিক করার ডালু বাবু কে? তাঁর মতামতের গুরুত্বই বা কতটুকু? জোট হলে সোনিয়া–রাহুলদের সঙ্গে মমতার কথা হবে। এমনকী অধীর চৌধুরি–আব্দুল মান্নানদের মতামতেরও গুরুত্ব নেই।খুব জানতে ইচ্ছে করে, মহাজোট নিয়ে আলোচনা করার জন্য কে তাঁকে নাকতলায় পাঠিয়েছিলেন? লিখেছেন রজত সেনগুপ্ত।।
ট্যাক্সির ভাড়া নিয়ে খুবই বিভ্রান্তি। এত সহজে এই বিভ্রান্তি যাওয়ার নয়। অথচ, একটু বুদ্ধি খরচ করলে সহজ একটা সমাধান বেরিয়ে আসতে পারত। উপায় বাতলে দিলেন সুমিত চক্রবর্তী।।
আপনাকে যদি সামনে পেতাম, তাহলে বলতাম উপন্যাস না লিখে আরও বেশি করে ছোট গল্প লিখুন। বিশ্বাস করুন আপনার শ্রেষ্ঠ সাহিত্য কীর্তি শ্রীকান্ত নয়, এমনকি পথের দাবিও নয়। শ্রেষ্ঠ হল মহেশ। কিন্তু আপনি অকারণে গাদা গাদা উপন্যাস লিখলেন। হ্যাঁ অকারণে লিখলেন। কারণ বলুন তো দেবদাস, অরক্ষণীয়া, বৈকুণ্ঠের উইল এইসব উপন্যাসে কী আছে? কিছুই নেই।
লাইব্রেরিতে মার্কস–লেনিনের বই কেন থাকবে? এসব বই রাখা চলবে না। বামেদের কোনও বই রাখা চলবে না। কার্যত ফতোয়া জারি করলেন এক ক্যাবিনেট মন্ত্রী। তাও আবার গ্রন্থাগারমন্ত্রীর সামনে। কোনদিন হয়ত বলবেনস নেতাজির বইও থাকবে না। এমন হুমকি যিনি দিচ্ছেন, কী আশ্চর্য, তাঁর নাম রবীন্দ্রনাথ! লিখেছেন স্বরূপ গোস্বামী।।