একটি অ্যাপস তৈরি হচ্ছে। সেখানে প্রাথমিকভাবে ৪০০ টি হোম স্টের ঠিকানা, ফোন নম্বর থাকছে। থাকছে আনুষঙ্গিক বিভিন্ন তথ্য। পর্যটকরা সহজেই সেই এলাকার হাল হকিকত জানতে পারবেন। থাকার ও খাওয়ার খরচ কী রকম, আশেপাশে কী কী ঘোরার জায়গা আছে, তাও জানা যাবে।
অনেকে টিকিট কাটতে লাইন দিয়েছেন ভোর থেকে। কেউ কেউ দালাল ফিট করে রেখেছিলেন। কিন্তু কাউন্টার খোলার কিছুক্ষণের মধ্যেই ওয়েটিং লিস্ট ১০০ ছাপিয়ে গেল। শিয়ালদা বা হাওড়া থেকে এনজেপি–র কোনও ট্রেনেই আর টিকিট নেই। দার্জিলিং মেল, পদাতিক, কাঞ্চনকন্যা, উত্তরবঙ্গ, শতাব্দী, কামরূপ— সব ট্রেনেই লম্বা ওয়েটিং লিস্ট।
কর্পোরেট সংস্থা আলাদা করে লোক রেখে এই লাইক, শেয়ার, গ্রুপ পোস্টিং নিয়ন্ত্রণ করে। আমাদের সেই সামর্থ্যও নেই, রুচিও নেই। বেঙ্গল টাইমসের চালিকাশক্তি তার পাঠকরাই। বারবার প্রযুক্তিগত নানা আঘাত এসেছে। তা সত্ত্বেও বেঙ্গল টাইমস তার নিজের মতো করে লড়াই চালিয়ে যাচ্ছে।
কিন্তু সবাইকে চমকে দিয়ে ফাইনালে উঠল নেদারল্যান্ড। আরে সেই নেদারল্যান্ড- যারা ১৯৭৪, ১৯৭৮-এর রানার্স। আরে জোহান ক্রুয়েফের নাম শুনিসনি? কিন্তু বিপক্ষে যে সোভিয়েত! বাঙালির তখনও বিপ্লব স্পন্দিত বুক। তখনও তার নিজেকে লেনিন বলে মনে হয়।
কত টাকার রিচার্জ করলে কত টকটাইম? এখন আর এসব তেমন শোনা যায় না। কত টাকায় কত জিবি ডেটা, এটাই যেন বড় প্রশ্ন। টেলিফোন বুথ উঠে গেছে। এবার মোবাইলে কথাও কি তাহলে হারিয়ে যাচ্ছে? লিখেছেন বৃষ্টি চৌধুরি।
প্রথম কথা, রাহুল সিনহা সরকারের কেউ নন। তিনি সরকারি সাফল্যের বই তুলে দেওয়ারই বা কে? যদি কোনও বিশিষ্ট লোকের কোনও পরামর্শ থাকেও, তাঁরা খামোখা রাহুল সিনহাকে বলতে যাবেন কেন? তাহলে, রাহুল গেলেন কেন? স্রেফ ছবি তুলতে। এই সহজ সত্যিটা সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় বোঝেন। বোঝেন বলেই সৌজন্যের মোড়কে উপেক্ষা ফিরিয়ে দিলেন।
যদি সোভিয়েত অটুট থাকত, যদি তার পতাকা আজও থাকত টকটকে লাল, যদি সেই দেশেই হত আজকের বিশ্বকাপ? যদি সেই দেশের জার্সিতে লেখা থাকত CCCP? আমি কি পারতাম অন্য কোনও দেশকে সমর্থন করতে? ভাসিলিসার দেশ। প্রথম প্রেমিকার দেশ। তাকে ফেলে কি অন্য কাউকে সমর্থন করা যায়? সোভিয়েতকে ঘিরে নানা নস্টালজিয়া। উঠে এল ময়ূখ নস্করের লেখায়।
চার চারটে বিশ্বকাপ। তবু তাদের জয়ে কেউ উদবাহু হয়ে নাচে না। তাদের লড়াকু, হার না মানসিকতাকে লোকে ভয় পায়। কারণ তাদের জয়ের পথে ছড়িয়ে থাকে শিল্পীর রক্ত। ভেঙে যায় ফুটবল-শিল্পের অনুরাগীদের মন। কাপ শুধু কাপ। জার্মানি তোমার মন নেই। লিখেছেন দিব্যেন্দু দে।।
একটু বৃষ্টি হলেই ভাড়া বেড়ে যাচ্ছে। সন্ধের দিকে, রাতের দিকে ভাড়া বেড়ে যাচ্ছে। এটা কেন হবে? ভাড়ার তো নির্দিষ্ট একটা নিয়ম থাকবে। কিন্তু কোনও নিয়মই মানছে না এই সংস্থাগুলি।
সৃজিত ছুটছেন মিশরে, সুইজারল্যান্ডে। কমলেশ্বর ছুটছেন আফ্রিকায়, ব্রাজিলে। কিন্তু উত্তরের এই পাহাড়ের দিকে তাঁদের পা পড়ে না। এদিকে রজনীকান্ত বেছে নিলেন বাংলার পাহাড়কে। রজনীকান্তের কাছে এই তথাকথিত বোদ্ধারা কি কিছু শিখলেন? লিখেছেন সুমিত চক্রবর্তী।।