গৌতম, আপনিও কোনও মহৎ উদ্দেশ্যে যাননি

উত্তরবঙ্গ থেকে একজন রাজ্যের প্রথম হয়েছে। শিলিগুড়ির মন্ত্রী হিসেবে গৌতম দেব অভিনন্দন জানাতে যেতেই পারেন। ঠিক তেমনি শিলিগুড়ির মেয়র অশোক ভট্টাচার্যও যেতে পারেন। কই, অশোক ভট্টাচার্য তো প্রশ্ন তোলেননি, কেন গৌতম দেব গিয়েছিলেন?‌ তাহলে, গৌতম দেবের এত গাত্রদাহ কেন?‌

সমতল থেকে পাহাড়ে, আমূল বদলে গেল জ্যোতিদা

বক্সা ফোর্টে কত না বলা কথা জমে আছে!‌ একটু কষ্ট করে উঠে পড়ুন। বক্সা ছাপিয়ে পৌঁছে যান ছবির মতো সুন্দর এক পাহাড়ি গ্রাম। গরমে একটু অন্যরকম ঠিকানা খুঁজছেন!‌ তাহলে একটু ঘাম ঝরিয়ে সেই গ্রামে পৌঁছে যান। ঘুরে আসার অভিজ্ঞতা তুলে ধরলেন সৌম্যদীপ সরকার।

বদলে যাওয়া অপু, বদলে যাওয়া হরিহর

কতকিছুই বদলে গেছে। সেদিনের কিশোর অপু এখন হরিহর। আরও কত বদলে যাওয়া ছবি। টাইম মেশিনে চড়ে সেই সময় ও এই সময়ে উকি দিলেন ময়ূখ নস্কর।।

বন্ধ হয়ে যাচ্ছে জঙ্গল

বেঙ্গল টাইমস প্রতিবেদন:‌ যাঁরা জঙ্গল ভ্রমণের কথা ভাবছেন, তাঁদের হাতে সময় আর মাত্র চারদিন। ১৬ জুন থেকে বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সব জাতীয় উদ্যান। ডুযার্সের জলদাপাড়া, বক্সা, গরুমারা, মহানন্দাসহ যেসব জাতীয়...

‌বিশ্বকাপের আগে, স্ত্রীদের জন্য বার্তা

টিভির রিমোটে স্ত্রীদের অধিকার। কিন্তু এই এক মাস যদি স্টার জলসা মুলতুবি রেখে বিশ্বকাপ দর্শন হয়, তবে কেমন হয়!‌ স্বামীদের হয়ে এমনই এক দাবিপত্র উঠে এল।

ইতালি নেই, এবার কার জন্য রাত জাগব?‌

টাইব্রেকার কী জিনিস, তখনও জানি না। শেষ শট নিতে এলেন বাজ্জিও। সেই শট উড়ে গেল বারের ওপর দিয়ে। সব শেষ। সারা রাত বালিশে মুখ রেখে কাঁদলাম। বাবার দল চ্যাম্পিয়ন। তবু আনন্দ করতে পারছে না। বাবার অনুভূতি বোঝার মতো বয়স তখন ছিল না। আমি শুধু বুঝেছি আমার স্বপ্নভঙ্গের কথা। বিশ্বকাপকে ঘিরে নস্টালজিয়া। ফিরে দেখলেন দেবায়ণ কুণ্ডু।।

কেন বারবার বলিউডের প্রস্তাব ফিরিয়েছেন সৌমিত্র?‌

আনন্দ ছবিতে সৌমিত্রকেই চেয়েছিলেন ঋষীকেশ। তিনি রাজি হননি। তখন সেই রোল যায় অমিতাভের কাছে। পিঙ্ক ছবিতেও বিচারকের চরিত্রে প্রথম পছন্দ ছিলেন সৌমিত্র। কিন্তু তাঁর মনে হল, এই চরিত্রে অভিনয়ের তেমন সুযোগ নেই। এভাবেই বলিউডের হাতছানিকে বারবার উপেক্ষা করেছেন।

ভার্চুয়ালের ভাল–‌মন্দ

অনেকেই ঘোরাফেরা করেন ভার্চুয়াল দুনিয়ায়। চারপাশের লোকজন হয়ত বিরক্ত। নানা প্রশ্ন ধেয়ে আসে। কিন্তু তার পরেও সে কেন মগ্ন থাকে এই দুনিয়ায়?‌ তাই নিয়ে বিশেষ নিবন্ধ। লিখেছেন দেবাশিস হালদার।।

কাজের মন্ত্রী, তাই সরতে হল রাজীবকে

হাতে গোণা কয়েকজন মন্ত্রী নিজের দপ্তরটাকে চেনেন। দপ্তরের কাজগুলো বোঝেন। তেমনই একজন মন্ত্রী ছিলেন রাজীব ব্যানার্জি। তাঁকেই কিনা সরিয়ে দেওয়া হল!‌ নিয়ে যাওয়া হল একেবারে গুরুত্বহীন দপ্তরে!‌ বোঝাই যাচ্ছে, মন্ত্রীসভায় কাজের মূল্যায়ন হয় না। লিখেছেন অজয় কুমার।।

আর এস এস কেমন, আপনার মেয়ে ঢের ভাল জানেন

চ্যানেলওয়ালারা কি প্রণববাবুর বক্তৃতার অর্থ বোঝেনি? ভালই বুঝেছে। কিন্তু তাদের মগজ আগে থেকেই পদ্ম ফুলের গন্ধে ম ম করছে। তাই তারা বুঝেও বুঝবে না। ঠিক তেমনি, যাদের সামনে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি বক্তৃতা দিলেন, তারাও কিছু বুঝবে না। বুঝলেও বুঝবে না। নন্দ ঘোষের কড়চা।